রবিবার, ২ অক্টোবর 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আইন - অপরাধ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালকের সাড়ে ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ!

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সহকারী পরিচালক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্র বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর ) দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ শফিউল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক আ. জলিল মিয়ার স্ত্রী মাহমুদা নাছরিনের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৭৪ লাখ ৩০ হাজার ৩৩৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে এক কোটি ৬৫ লাখ ৩৭ হাজার ৯৮৪ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার প্রমাণ মিলেছে। সব মিলিয়ে চার কোটি ৩৯ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অপরাধযোগ্য সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক।

সূত্র আরও জানায়, মাহমুদা নাছরিনের নামে আয়কর নথি থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি একজন গৃহিণী। তার সব সম্পত্তি স্বামী জলিল মিয়ার অবৈধ আয় দিয়ে অর্জন করা। জলিল মিয়া অবৈধ আয়কে বৈধ করতে নিজের নামে সম্পদ না করে স্ত্রীর নামে অর্জন করেছেন। অর্থাৎ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ তার স্ত্রীর নামে হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে বৈধ করার চেষ্টা করেছেন।

সে কারণেই জলিল মিয়া ও তার স্ত্রী মাহমুদা নাছরিনের বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪(৩) ধারা এবং দণ্ডবিধি’র ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালকের সাড়ে ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ!
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সহকারী পরিচালক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্র বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর ) দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ শফিউল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক আ. জলিল মিয়ার স্ত্রী মাহমুদা নাছরিনের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৭৪ লাখ ৩০ হাজার ৩৩৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে এক কোটি ৬৫ লাখ ৩৭ হাজার ৯৮৪ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার প্রমাণ মিলেছে। সব মিলিয়ে চার কোটি ৩৯ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অপরাধযোগ্য সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক।

সূত্র আরও জানায়, মাহমুদা নাছরিনের নামে আয়কর নথি থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি একজন গৃহিণী। তার সব সম্পত্তি স্বামী জলিল মিয়ার অবৈধ আয় দিয়ে অর্জন করা। জলিল মিয়া অবৈধ আয়কে বৈধ করতে নিজের নামে সম্পদ না করে স্ত্রীর নামে অর্জন করেছেন। অর্থাৎ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ তার স্ত্রীর নামে হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে বৈধ করার চেষ্টা করেছেন।

সে কারণেই জলিল মিয়া ও তার স্ত্রী মাহমুদা নাছরিনের বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪(৩) ধারা এবং দণ্ডবিধি’র ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মসজিদের ইমাম আর গৃহবধূ আপত্তিকর অবস্থায় আটক!
                                  

মো. মিলন, সিরাজগঞ্জ:
সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে বাড়িতে আরবি পড়ানোর সুযোগে মসজিদের ইমামের সাথে প্রেম, সেই প্রেমের পরিণতিতে গ্রামবাসীর হাতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পরলো পরকীয়া প্রেমিক যুগল। পরে গাছের সাথে দুজনকে বেঁধে চুল কেটে ন্যাড়া করে দেয়  গ্রামবাসী। গত শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টায় ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের টেটিয়ারকান্দা দক্ষিণ পাড়া গ্রামে।

গৃহবধু আনিজা খাতুন(৩০) টেটিয়ারকান্দা দক্ষিণপাড়ার আনছার প্রামাণিকের মেয়ে ও উপজেলার ভাইমারা গ্রামের জামাল প্রামাণিকের স্ত্রী এবং ধৃত হাফেজ মো. আব্দুল হান্নান একই ইউনিয়নের জুগ্নীদহ গ্রামের মৃত শহীদ প্রামাণিকের ছেলে ও নারায়নদহ উত্তরপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম।

আনিজা খাতুনের এক ছেলে রয়েছে। আনিজা খাতুনের স্বামী জামাল প্রামাণিক ঢাকার একটি গরুর খামারে চাকরি করেন।

স্থানীয় গ্রামবাসী জানান, বেশ কয়েকদিন যাবৎ হাফেজ আব্দুল হান্নানের সাথে গৃহবধূ আনিজা খাতুনের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় ইমাম সাহেবকে আনিজা খাতুনের বাড়ির দিকে যেতে দেখেন গ্রামের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা। এর কিছুক্ষণ পর ইমাম আব্দুল হান্নানের মোবাইলে কল করা হলে আনিজা খাতুনের ঘর থেকে মোবাইলের শব্দ পাওয়া যায়। পরে আনিজা খাতুনের ঘরের দরজা খুলতে বললে সে দেরিতে দরজা খোলে। পরে গ্রামের লোকজন তার ঘরে খোঁজাখুজি এক পযার্য়ে খাটের নিচ থেকে ইমাম আব্দুল হান্নানকে পাওয়া যায়।

তারা আরও জানান, আনিজা খাতুনকে ইমাম আব্দুল হান্নান আরবি পড়ানোর সুবাদে ও স্বামীর অনুপস্থিতিতে কয়েক মাস যাবৎ অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বেশ কিছুদিন যাবৎ তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং উভয়ই তাদের অনৈতিক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন।

এই বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. হেলাল খান জানান, আমি খবর শুনেই ঘটনাস্থলে এসে দেখি গ্রামবাসী দুইজনকে বেঁধে রেখেছে। তাদের চুল কাটা ঠিক হয়নি। আমি থানায় খবর দিয়েছি কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ আসার কথা রয়েছে।

জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
অস্ত্র মামলায় জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুলের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন, জিকে শামীমের সহযোগী সাত দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা করা হয়। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়। একই বছরের ২৭ অক্টোবর আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক অস্ত্র মামলায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত মামলার চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এ মামলায় ১০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়েছেন বলে ডকুমেন্ট দেখালেও তা যাচাইয়ে এর সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ওই অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এস এম বিল্ডার্স কোম্পানিতে যোগদান করেন। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি তিনি জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে যোগদান করে কাজ করেন। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন।

এছাড়া অন্যান্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

হোশি কুনিও হত্যা : ৪ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড বহাল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : রংপুরে জাপানি নাগরিক হোশি কুনিওকে হত্যার দায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) চার জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলা থেকে একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের আবেদন (ডেথ রেফারেন্স) এবং আসামিদের আপিল শুনানি শেষে বুধবার বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাই কোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়।

রায়ে জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী (৩৩), ওই জঙ্গি সংগঠনের সদস্য লিটন মিয়া ওরফে রফিক (৩২), সাখাওয়াত হোসেন (৩০) এবং পলাতক আহসান উল্লাহ আনসারী ওরফে বিপ্লবের (২৪) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।তবে বিচারিক আদালতে মৃতুদণ্ড হলেও ইছাহাক আলী (৩৪) নামে এক আসামি আপিলে খালাস পেয়েছেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. আহসানউল্লাহ এবং এক পলাতক আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।

২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর সকালে কুনিওকে কাউনিয়া উপজেলার আলুটারি এলাকায় গুলি করে হত্যা করেন নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির জঙ্গিরা।

চেয়ারম্যান সেলিম খানের জামিন স্থগিত, আত্মসমর্পণের নির্দেশ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : ৩৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় চাঁদপুরের ‘বিতর্কিত’ চেয়ারম্যান সেলিম খানেখানের জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।

মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে রোববার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় চাঁদপুরের ‘বিতর্কিত’ চেয়ারম্যান সেলিম খানের হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।পরে সোমবার আদালত জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করন।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ৩৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সেলিম খানকে ৪ সপ্তাহের আগাম জামিন দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে চার সপ্তাহ পর তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়।

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে সেলিম খানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোমতাজ উদ্দিন ফকির। দুদকের পক্ষ ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি।

গত ১ আগস্ট আলোচিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিম খানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ৩৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে চাঁদপুর সদরের ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এ মামলা হয়।

দুদক সচিব জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে সেলিম খানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্পদ বিবরণী চায় দুদক। সেলিম খান ৬৬ লাখ টাকার সম্পদের হিসাব জমা দেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে তার ৩৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮১ হাজার ১১৯ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অনুসন্ধান কর্মকর্তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশন সভায় সেলিম খানের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত হয়।

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ভূমি অধিগ্রহণের জন্য সেলিম খানের ইউনিয়নে মেঘনা পাড়ে একটি এলাকা নির্ধারণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৬২ একর ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করতে গিয়ে দেখা যায়, চেয়ারম্যান সেলিম খান, তার ছেলে-মেয়েসহ অন্যান্য জমির মালিকরা অস্বাভাবিক মূল্যে দলিল তৈরি করেছেন। ফলে ওই জমি অধিগ্রহণে সরকারের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৫৫৩ কোটি টাকা।

জমির অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে জেলা প্রশাসকের তদন্তে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাট করার পরিকল্পনা ধরা পড়ে যায়। পরে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে বিষয়গুলো উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক। যা নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর আগে চাঁদপুর ভূমি অধিগ্রহণ সম্পর্কে অসত্য ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য উপস্থাপন করায় চেয়ারম্যান সেলিম খানকে চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় জেলা প্রশাসন।

অন্যদিকে, কয়েক বছর ধরে চাঁদপুরের নদী অঞ্চল থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে ওই চেয়ারম্যানসহ একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এমনকি অনুমতি ছাড়াই চেয়ারম্যান বছরের পর বছর বালু বিক্রি করেছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সবশেষ ৬ এপ্রিল সেলিম খানের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ যাচাইয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুমিল্লার সহকারী পরিচালক রাফী মো. নাজমুস সা’দাতের নেতৃত্বে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান চালায়। অভিযানে তার বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পায় দুদক টিম।

খালেদা জিয়ার ১১ মামলায় শুনানি ২৩ জানুয়ারি
                                  

আদালত প্রতিবেদক : বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা ১১টি মামলার শুনানি পিছিয়েছে। পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের ২ নম্বর ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালতে মামলাগুলো শুনানির জন্য ধার্য ছিল।

কিন্তু খালেদা জিয়ার পক্ষে অধিকাংশ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এজন্য খালেদা জিয়ার আইনজীবী শুনানি পেছানোর জন্য সময় আবেদন করেন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ তারিখ ধার্য করেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল।

মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে, রাজধানীর দারুস সালাম থানায় করা নাশকতার আটটি, যাত্রাবাড়ী থানার দুটি ও রাষ্ট্রদ্রোহের একটি। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। অপর ১০ মামলা ছিল চার্জ শুনানির জন্য।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে করার অভিযোগে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাটি দায়ের করা হয়।

যাত্রাবাড়ী থানার মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরী পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রল বোমা হামলা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। পরে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নূর আলম (৬০) নামের এক যাত্রী।

ওই ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে এম নুরুজ্জামান। ওই বছরের ৬ মে খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক বশির আহমেদ।

অন্যদিকে ২০১৫ সালে দারুস সালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে আটটি মামলা দায়ের করা হয়। এই আট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়। ২০১৭ সালের বিভিন্ন সময়ে মামলাগুলোয় চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

সেলিম খানের জামিন বিষয়ক শুনানি মঙ্গলবার
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
৩৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় চাঁদপুরের ‘বিতর্কিত’ চেয়ারম্যান সেলিম খানের হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদনের শুনানি মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম শুনানির জন্য এদিন ধার্য করেন। দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকাল ৩৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় চাঁদপুরের ‘বিতর্কিত’ চেয়ারম্যান সেলিম খানের হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ৩৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সেলিম খানকে ৪ সপ্তাহের আগাম জামিন দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে চার সপ্তাহ পর তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে সেলিম খানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোমতাজ উদ্দিন ফকির। দুদকের পক্ষ ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি।

গত ১৪ আগস্ট এ মামলায় তিন সপ্তাহের মধ্যে সেলিম খানকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। গত ১ আগস্ট আলোচিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিম খানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ৩৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে চাঁদপুর সদরের ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এ মামলা হয়।

দুদক সচিব জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে সেলিম খানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্পদ বিবরণী চায় দুদক। সেলিম খান ৬৬ লাখ টাকার সম্পদের হিসাব জমা দেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে তার ৩৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮১ হাজার ১১৯ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অনুসন্ধান কর্মকর্তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশন সভায় সেলিম খানের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত হয়।

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ভূমি অধিগ্রহণের জন্য সেলিম খানের ইউনিয়নে মেঘনা পাড়ে একটি এলাকা নির্ধারণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৬২ একর ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করতে গিয়ে দেখা যায়, চেয়ারম্যান সেলিম খান, তার ছেলে-মেয়েসহ অন্যান্য জমির মালিকরা অস্বাভাবিক মূল্যে দলিল তৈরি করেছেন। ফলে ওই জমি অধিগ্রহণে সরকারের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৫৫৩ কোটি টাকা।

জমির অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে জেলা প্রশাসকের তদন্তে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাট করার পরিকল্পনা ধরা পড়ে যায়। পরে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে বিষয়গুলো উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক। যা নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর আগে চাঁদপুর ভূমি অধিগ্রহণ সম্পর্কে অসত্য ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য উপস্থাপন করায় চেয়ারম্যান সেলিম খানকে চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় জেলা প্রশাসন।

অন্যদিকে, কয়েক বছর ধরে চাঁদপুরের নদী অঞ্চল থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে ওই চেয়ারম্যানসহ একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এমনকি অনুমতি ছাড়াই চেয়ারম্যান বছরের পর বছর বালু বিক্রি করেছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সবশেষ ৬ এপ্রিল সেলিম খানের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ যাচাইয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুমিল্লার সহকারী পরিচালক রাফী মো. নাজমুস সা’দাতের নেতৃত্বে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান চালায়। অভিযানে তার বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পায় দুদক টিম।

ঘুষের ভিডিও ভাইরালের পর পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা বরখাস্ত
                                  

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা
পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর দাশুড়িয়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সাজ্জাদুর রহমানের ‘ঘুষ’ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার জেরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১-এর মহাব্যবস্থাপক আকমল হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, সমিতির প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে ডিজিএম সাজ্জাদুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করে দাশুড়িয়া কার্যালয় থেকে ময়মনসিংহ তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উল্লেখ করে আকমল হোসেন বলেন, সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে কমিটি কাজ শুরু করবে। তদন্ত শেষে কমিটি প্রতিবেদন দিলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে কমিটিতে কারা আছেন, তা নিশ্চিত করেননি তিনি।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ডিজিএম সাজ্জাদুরের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকার একটি বান্ডিল হাতে নিয়েছেন ডিজিএম সাজ্জাদুর রহমান। এ সময় সামনে বসা ব্যক্তি সেটা ভিডিও করে টাকার বিষয়ে গ্রাহককে জিজ্ঞাসা করেন। এ সময় গ্রাহককে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘স্যারের কাছে একটি নতুন সংযোগ নিচ্ছি তো এ জন্য স্যার মিষ্টি খাওয়ার টাকা চেয়েছেন।’ এ সময় সঙ্গে সঙ্গে সেই টাকা ডিজিএম সাজ্জাদুর রহমান ওই গ্রাহকের দিকে ছুড়ে মারেন।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ঘটনাটি সাজানো দাবি করে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন ডিজিএম সাজ্জাদুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেছেন, আমিনুল ইসলাম রানা নামে এক খেলাপি গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগের বকেয়া ৫০ হাজার টাকা প্রদানের বিষয়টিকে ‘ঘুষ’ হিসেবে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছে।

তবে ডিজিএম সাজ্জাদুর রহমানের এই দাবিকে মিথ্যা বলে দাবি করেন আমিনুল ইসলাম রানা। তিনি বলেন, ‘ডিজিএম সাজ্জাদুর রহমান এখন নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন। ঘুষ নেওয়ার ভিডিওর জন্য সমালোচনার মুখে পড়ে ডিজিএম আবোল-তাবোল বকছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ফেন্সিডিল সহ যুবক আটক
                                  

মহসিন পারভেজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১৯২ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী রাসেল মিয়া(৩৫)নামে এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব ১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যারা। রবিবার সকালে সদর উপজেলার চান্দিয়ারা গ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত রাসেল মিয়া ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক ব্যবসায়ী রাসেল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাবের ১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা। এ সময় তার ঘর তল্লাশি করে ১৯২ বোতল ফেন্সিডিল জব্দসহ তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল জানিয়েছে সে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য এনে দেশে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতো।

এ বিষয়ে র‌্যাব ১৪ এর কোম্পানী অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, আটককৃতের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ মোতাবেক মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরো জানান মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চিকিৎসার নামে রোগীকে ধর্ষণ; কারাগারে ধর্ষক
                                  

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: চিকিৎসার নামে গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রাম্য মাহাত প্রভাত চন্দ্র (৫৫) আটক হয়েছে। রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানালে আদালত তার আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠান। আটককৃত প্রভাত চন্দ্র সদর উপজেলার রাজাগাঁও  ইউনিয়নের আসানগর এলাকার মৃত খগেন্দ্রনাথ বর্মণের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ক্ষেনপাড়া সর্দারপাড়া  গ্রামের বিবাহিত এক নারী শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় তাকে গ্রাম্য মাহাত প্রভাত চন্দ্র  চিকিৎসা করে সুস্থ করে তোলার আশ্বাস দেয়। চিকিৎসার প্রয়োজনে রোগীকে তার বাড়িতে ২দিন যাত্রী যাপন করার শর্ত জুড়ে দেয়। এদিকে গত ১৭ জুন ওই নারীকে তার পিতা  চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ওই মাহাতের বাড়িতে রেখে আসে। ওইদিন রাত ১১টা থেকে ১৯ জুন ভোর পর্যন্ত  মাহাত প্রভাত ওই গৃহবধূকে চিকিৎসার নামে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং ঘটনা প্রকাশ করলে আরো সমস্যা হবে বলে ভয়ভীতি দেখায়।

এ ঘটনায় ওই নারীর পিতা বাদী হয়ে গত ২২ জুন রুহিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে পলাতক ছিলেন মাহাত প্রভাত চন্দ্র।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রুহিয়া থানার উপ-পরিদর্শক সজল জানান, মামলাটির তদন্ত চলছে। আসামী প্রভাত চন্দ্র গ্রেফতার এড়াতে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে আদালত তার আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

লাইফবয়ের বিজ্ঞাপন প্রত্যাহারে লিগ্যাল নোটিশ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
লাইফবয় সাবান ব্যবহার করলে ‌‘৩০০ টাকা মূল্যের ডাক্তারের পরার্মশ ফ্রি’ অফার দিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ ও প্রত্যাহার করতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নওশিন শারমিন পূরবীর পক্ষে অ্যাডভোকেট এসকে ইউসুফ রহমান এ নোটিশ পাঠান।

আইনজীবী বলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব টিভি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে এই বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় ইউনিলিভারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোটিশে বলা হয়, সম্প্রতি বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার এর পণ্য লাইফবয় সাবানের একটি বিজ্ঞাপন বাংলাদেশের সব টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচার করা হচ্ছে, সেখানে বলা হয়েছে লাইফবয় সাবান ব্যবহার করলে ৩০০ টাকা মূল্যের চিকিৎসকের পরামর্শ তারা ফ্রি দেবে। যা চিকিৎসক সমাজের জন্য অত্যন্ত মানহানিকর। এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে চিকিৎসকদের অসম্মান করা হয়েছে ও খ্যাতি নষ্ট করা হয়েছে। কারণ চিকিৎসকরা কোনো পণ্য নয় যে আপনি তাদের মূল্য নির্ধারণ করতে পারবেন। যেখানে চিকিৎসকদের সেবা বিবেচনা করা হয় মহৎ হিসেবে এবং তারা বাংলাদেশের জনগণের স্বাস্থ্যের অবস্থার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

নোটিশে বলা হয়েছে, এই ‘অবমাননাকর’ বিজ্ঞাপন ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট, সোশ্যাল মিডিয়া যেমন টিভি চ্যানেল, ইউটিউব, ফেসবুক ইত্যাদি থেকে প্রত্যাহার করা উচিত এবং বাংলাদেশের চিকিৎসক সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। পাশাপাশি আর কখনো কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের অবমাননাকর বিজ্ঞাপন তৈরি এবং প্রচার থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় খুব শিগগিরই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে জানানো হয়।

এ বিষয়ে ডা. নওশিন শারমিন পূরবী বলেন, আমি মনে করি এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের চিকিৎসক সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। একজন চিকিৎসক ও সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি প্রত্যাশা এবং দাবি করছি ইউনিলিভার এই বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করে চিকিৎসক সমাজের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, এ ধরনের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে চিকিৎসক সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করে তাদের মেধা যোগ্যতাকে অবমূল্যায়ন করে মেডিকেল ট্যুরিজমের এর মাধ্যমে অন্যান্য দেশকে লাভবান করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অন্যান্য দেশে লাইফবয় এর বিজ্ঞাপনে ৩০০ টাকা মূল্যের চিকিৎসকের পরামর্শ উল্লেখ করে কোনো মেসেজ দেওয়া হয় না।

মায়ের কবরের মাটি দিয়ে বসত ঘরে মাজার
                                  

মোঃ রেজাউল, ব্রাক্ষণবাড়িয়া:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মায়ের কবরের অল্প মাটি এনে নিজের ঘরে রেখে দিয়ে এখানে বানানো হয়েছে মাজার। সপ্তাহে এক দিন এখানে হয় কথিত উরশ। ওই উরশে রাতভর চলে গান-বাজনা, মাদক সেবন ও নারী-পুরুষের অবাধ মিলামেশা। রাত ১১/১২টা পর্যন্ত এক ধরণের অনুষ্ঠান চললেও রাত ১২টার পর শুরু হয় কথিত মারফতি কর্মকান্ড। চলে অদ্ভুত সব আচার অনুষ্ঠান। নারী-পুরুষ অবাধ মিলামেশা ও মাদক সেবন করে ওই মারফতি অনুষ্ঠান চলে সেখানে।

ঘটনা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডার তিতাস পাড়া এলাকার। এলাকার মৃত আবুল সাত্তারের ছেলে মোস্তফা উরফে মোস্তফা ফকির (৩৬) নিজে পীর সাহেব সেজে এই কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন ২ বছরের বেশি সময় ধরে। যত দিন যাচ্ছে এখানে বিভিন্ন নারী ও পুরুষ শিল্পী এনে ব্যবসা জমজমাট করা হচ্ছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা অথিতিদের খেদমত করার জন্য বাড়ির ভিতরে রয়েছে সারি সারি রুম। এসব কক্ষে নারী-পুরুষরা গভীর রাতে বিশ্রাম নেয়। তবে এই বিশ্রামের ব্যপারটি নিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে। শুধু তাই নয়, কথিত এই মাজারে সিজদা করা হয় এবং উরশের মাইকের বিকট শব্দে এলাকার মানুষ অতিষ্ট। তবে এসব নিয়ে সাধারণ মানুষ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চায় না।

কথিত পীর মোস্তফার বোন জামাই সেলিম ও এলাকাবাসী উপরোক্ত তথ্য জানান। এছাড়াও এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এ প্রতিবেদক ঘটনার সত্যতা পান।

সেলিম জানান, মোস্তফার ওই বাড়িতে পরিস্থিতির শিকার হয়ে তিনি ২০ বছর যাবৎ থাকছেন। তিনি দেখছেন কিভাবে ধর্মের নামে এখানে বিভিন্ন অপকর্ম হয়। সেখানে প্রতি রোববার উরশের নামে মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন ও দেহ ব্যবসা হয়। মাঝে মধ্যে পুলিশ গেলে মোস্তফা পালিয়ে যায়। কয়েক দিন আগে মোস্তফার বোন অর্থাৎ আমার স্ত্রী রত্নাকে দিয়ে মাদক এনে বিক্রি করানো হয়। আমি এসবে বাধা দিলে তারা দুই ভাই-বোন মিলে আমাকে হুমকি-ধামকি দেয়, মারপিটও করে। তখন মোস্তফা তার বোনকে বলে যে, তুই তোর স্বামীকে ছেড়ে দে, তোকে বাচ্চা ছেলের সাথে বিয়ে দিবো। তারা দুই ভাই-বোন বিভিন্ন জায়গায় ও মাজারে মাজারে ঘুরে এসব অপকর্ম করে। এই ব্যবসা করে তাদের বাড়ির কাজ করে উন্নত করেছে।

এবিষয়ে মোস্তফার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। এমনকি তার বাড়িতে উরশ বা আড্ডা হয়নি বলে তিনি দাবী করেন। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, মেড্ডার সাবেক মহসিন মেম্বার ও বাশার মেম্বারের পরামর্শে তিনি তার মায়ের কবরের মাটি নিয়ে ঘরে রেখে মাজার বানিয়েছেন।

এবিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের (মেড্ডা) কাউন্সেলর শেখ মাহফুজ দৈনিক স্বাধীন বাংলাকে বলেছেন, মোস্তফার এখানে শুধু উরশই নয়, এখানে মাদক ব্যবসা ও দেহ ব্যবসা সবই হয়। তিনি আরও বলেন, মোস্তফা ও তার বোন রত্না মিলে এসব কু-কর্ম করে যাচ্ছে। এছাড়া মোস্তফার বাড়ির পূর্ব পাশের ৫ তলা বিল্ডিংয়ে (প্রবাসীর বিল্ডিং) সুমা ও মুক্তা নামে দুই মেয়ে দেহ ব্যবসা করে। তারা তিতাস পাড়ার মেয়ে। আমি ইতোমধ্যে দুই বার অভিযান দিয়েছি, কিন্তু ধরতে পারিনি।

তবে মহসিন ও বাশার মেম্বারের পরামর্শে কবরের মাটি ঘরে নিয়ে মাজার বানানোর বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছে কমিশনার মাহফুজ।

সাবেক এসপি বাবুল আক্তারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল
                                  

স্বাধীন বংলা প্রতিবেদক
মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় তার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পিবিআইয়ের পক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, মিতু হত্যা মামলায় বাবুল আক্তারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় অভিযোগপত্র জমা দিয়েছি। সেই সঙ্গে মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। এ মামলার তদারকি কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা। তিনি বলেন, মিতু হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব দিয়ে এ মামলার তদন্ত করা হয়েছে।

পিবিআই কখনো পেশাদারিত্বের বাইরে যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ড কেন সংঘটিত হয়েছে তা অনেকবার বলেছি। বাকিটা আদালতে বিচারের সময় পাওয়া যাবে। সব রকমের তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। আড়াই বছর তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। আমরা সাক্ষ্য প্রমাণ পেয়েছি কারা কারা জড়িত। বাবুল আক্তার কীভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িত তার তথ্য প্রমাণও পাওয়া গেছে।

এদিকে, পিবিআইয়ের হেফাজতে থাকার সময় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দাবি করে গত ৮ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলার আবেদন করেছেন বাবুল আক্তার। চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে মামলার আবেদন করেন তিনি। মামলাটি আদেশের অপেক্ষায় আছে।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। তবে দিন যত গড়িয়েছে মামলার গতিপথও পাল্টেছে। এক পর্যায়ে সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসে স্বামী বাবুল আক্তারের নাম। তদন্তে তার বিরুদ্ধেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পরে গত বছরের ১২ মে বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলার বাদী বাবুল আক্তারের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন। মামলায় বাবুল আক্তারকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। রিমান্ড শেষে প্রথমে আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার কথা থাকলেও পরে জবানবন্দি দেননি বাবুল। তারপর তাকে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়।

চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি মিতু হত্যার ঘটনায় তার বাবা মোশাররফ হোসেনের দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে পিবিআই। পিবিআই জানায়, একই ঘটনায় বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলার তদন্ত এগিয়ে নিতে মিতুর বাবা মোশাররফের মামলাটি চূড়ান্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। একই ঘটনায় দুটি মামলা চলতে পারে না। সম্প্রতি আদালত এটিকে ত্রুটিপূর্ণ উল্লেখ করেন। তাই আদালতের পর্যবেক্ষণ মেনে ও বিধিবিধান অনুসারে মিতুর বাবার দায়ের করা মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বাবুলের করা মামলাটির অধিকতর তদন্ত চলবে।

মিতু হত্যার ঘটনায় দুটি মামলাই তদন্ত করছেন পিবিআইয়ের পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক। এর মধ্যে বাবুল আক্তারের করা মামলাটির অধিকতর তদন্ত চলাকালে আদালতের আদেশে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি বাবুল আক্তারকে নিজের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আজ (১৩ সেপ্টেম্বর) বাবুলের করা মামলায় তার বিরুদ্ধেই চার্জশিট দেওয়া হলো।

বাবুল আক্তারের কক্ষে তল্লাশি চালানোর বিষয়টি সঠিক নয় : ওসি নিজাম
                                  

স্বাধীন বংলা প্রতিবেদক
ফেনী কারাগারে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের কক্ষে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন তল্লাশি করেছেন। এমন অভিযোগ তুলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে বাবুল আক্তারের পক্ষ থেকে। তবে ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন বলেছেন, বাবুল আক্তারের কক্ষে তল্লাশি চালানোর বিষয়টি সঠিক নয়।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) তিনি বলেন, কারাগারে বাবুল আক্তারের কক্ষে তল্লাশি করার ক্ষমতা কোথায় থেকে পাব। উনি যে ফেনী কারাগারে ছিলেন এই বিষয়টিই আমার জানা ছিল না। থানার একটি কাজে জেল সুপারের সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে গিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, ফেনী থানার একটি ডাকাতি মামলার আসামি জেলে আছে নাকি নেই সেই তথ্য জানতে গিয়েছিলাম। কারণ ফেনীতে কিছু ছোটখাট ঘটনা ঘটছে, ডাকাতির মামলার আসামিরা বাইরে থাকলে তো তারাই ডাকাতি করতে পারে। এ তথ্যটুকু নিতে গিয়েছি।

ওসি আরও বলেন, উনি (বাবুল আক্তার) যে কারাগারে ছিলেন বা আছেন, এটা আমার স্মরণেও ছিল না। গণমাধ্যমে নিউজ ও কথা হওয়ার পর জানতে পারি উনি এই কারাগারে আছেন।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে বাবুল আক্তারের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ফেনী কারাগারে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের কক্ষে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিনের তল্লাশি চালিয়েছেন। এ ঘটনা তদন্ত করে বাবুল আক্তারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কারা সুপারকে নির্দেশ দিতে আদালতে আবেদন করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোলাম মাওলা মুরাদ। তিনি বলেন, ফেনী কারাগারে বাবুল আক্তারের নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে পিটিশন দাখিল করেছি। এ বিষয়ে শুনানি হয়েছে। আদালত ১৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে আদেশ দেবেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ এর ১৫(১) ধারা এবং সংশ্লিষ্ট আইনের ৫(২) ধারায় পিবিআইয়ের প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন বাবুল আক্তার। এরপর থেকে আসামিরা মারমুখী হয়ে ওঠেন। আসামিদের নির্দেশে ও প্ররোচনায় ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১২টায় ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন জেল কোডের কোনো তোয়াক্কা না করেই ফেনী কারাগারে প্রবেশ করেন। এরপর বাবুল আক্তারের কক্ষে দীর্ঘসময় তল্লাশির নামে জীবনের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা চালান।

কারাগারে তার প্রবেশের চিত্র সিসি টিভির ফুটেজ যাচাই করলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, জেল কোড অনুসরণ না করেই বন্দির কক্ষ তল্লাশির নামে জীবনের ক্ষতি সাধনের চেষ্টায় এ যাত্রায় সফল না হলেও আসামিরা যেকোনো সময় বাবুল আক্তার ও তার পরিবারের জীবননাশসহ যেকোনো ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাবুল আক্তার।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, জেল কোড অনুসারে থানায় কর্মরত একজন পুলিশ কর্মকর্তা কোনোভাবেই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং আদালতের লিখিত অনুমতি ছাড়া জেলখানায় প্রবেশ করতে পারেন না। অথচ আইন-আদালত ও প্রচলিত নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসামিদের বশে নিয়ে তাদের নির্দেশ অনুযায়ী বাবুল আক্তারের কক্ষ তল্লাশির নামে জীবনের ক্ষতি সাধন এবং তাকে মানসিকভাব দুর্বল করার চেষ্টা চালিয়েছেন। যা জেল কোড অনুসারে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিষয়টি নিয়ে ‘কারাগারে বাবুল আক্তারের কক্ষে ওসির তল্লাশি!’ শিরোনামে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

এ অবস্থায় ঘটনার তদন্তপূর্বক অভিযোগকারীর (বাবুল আক্তারের) জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফেনী কারাগারের সুপারকে নির্দেশ দেওয়া জন্য আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যথায় বাবুল আক্তার ও তার পরিবারের জীবননাশসহ অপূরণীয় ক্ষতি ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

গত ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে পিবিআই হেফাজতে থাকার সময় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দাবি করে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলার আবেদন করেন বাবুল আক্তার।

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন চট্টগ্রামের সাবেক এসপি বাবুল আক্তার।

মানবতাবিরোধী অপরাধ : নেত্রকোনার খলিলুরের মৃত্যুদণ্ড
                                  

স্টাফ রিপোর্টার : একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে নেত্রকোণার দূর্গাপুরের আল-বদর কমান্ডার খলিলুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম।

মামলার আসামি খলিলুর এখনও পলাতক। তবে অপর চার আসামি- আজিজুর রহমান (৬৫), আশক আলী (৮২) ও মো. শাহনেওয়াজ (৮৮) ও খলিলুর রহমান (৭২) মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

মামলাটিতে প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর রানা দাস গুপ্ত ও রেজিয়া সুলতানা চমন। অপরদিকে গ্রেফতার তিন আসামির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাসুদ রানা ও পলাতক আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী গাজী এমএইচ তামিম।

২০১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি রাজধানীর ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মামলার আসামির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

শুরুর দিকে এ মামলায় পাঁচ আসামি ছিল। এর মধ্যে এক আসামি রমজান আলী ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আর বিচার চলাকালে বাকি তিন আসামিও বিভিন্ন সময়ে মারা যান।

এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে দুর্গাপূর ও কলমাকান্দা থানা এলাকায় অবৈধ আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগে ধ্বংস করা, ধর্ষণের চেষ্টা, ধর্ষণ, হত্যা ও গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগ ২২ জনকে হত্যা, একজনকে ধর্ষণ, একজনকে ধর্ষণের চেষ্টা, অপহৃত চারজনের মধ্যে দুজনকে ক্যাম্পে নির্যাতন, ১৪/১৫টি বাড়িতে লুটপাট ও সাতটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে খলিলুর রহমান ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য ছিলেন। যুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। পরে চন্ডিগড় ইউনিয়নে আল বদর বাহিনীর কমান্ডার হন। বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক।

স্বাধীন বাংলা/এআর

ফেনী কারাগারে বাবুল আক্তারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
ফেনী কারাগারে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের কক্ষে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিনের তল্লাশি চালানোর ঘটনায় তদন্ত করে বাবুল আক্তারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কারা সুপারকে নির্দেশ দিতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে আবেদন করেন বাবুল আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুল আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ। তিনি বলেন, ফেনী কারাগারে বাবুল আক্তারের নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে পিটিশন দাখিল করেছি। এ বিষয়ে শুনানি হয়েছে। আদালত ১৯ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ে আদেশ দেবেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ এর ১৫(১) ধারা এবং সংশ্লিষ্ট আইনের ৫(২) ধারায় পিবিআইয়ের প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন বাবুল আক্তার। এরপর থেকে আসামিরা মারমুখী হয়ে ওঠে। আসামিদের নির্দেশে ও প্ররোচনায় ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১২টার সময় ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন জেল কোডের কোনো তোয়াক্কা না করেই ফেনী কারাগারে প্রবেশ করে। এরপর বাবুল আক্তারের কক্ষে দীর্ঘ সময় তল্লাশির নামে জীবনের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা চালায়।

কারাগারে তার প্রবেশের চিত্র সিসি টিভির ক্যামেরা যাচাই করলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, জেল কোড অনুসরণ না করেই বন্দির কক্ষ তল্লাশির নামে জীবনের ক্ষতি সাধনের চেষ্টায় এ যাত্রায় সফল না হলেও আসামিরা যেকোনো সময় বাবুল আক্তার ও তার পরিবারের জীবননাশসহ যেকোনো ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাবুল আক্তার।

আবেদনে আরো বলা হয়েছে, জেল কোড অনুসারে থানায় কর্মরত একজন পুলিশ কর্মকর্তা কোনোভাবেই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং আদালতের লিখিত অনুমতি ছাড়া জেলখানায় প্রবেশ করতে পারেন না। অথচ আইন-আদালত ও প্রচলিত নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসামিদের বশে নিয়ে তাদের নির্দেশ অনুযায়ী বাবুল আক্তারের কক্ষ তল্লাশির নামে জীবনের ক্ষতি সাধনের ও তাকে মানসিকভাব দুর্বল করার চেষ্টা চালিয়েছেন। যা জেল কোড অনুসারে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিষয়টি নিয়ে `কারাগারে বাবুল আক্তারের কক্ষে ওসির তল্লাশি!` পত্রিকায় প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।

এই অবস্থায় ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কারাগারে প্রবেশ করে আটক বাবুল আক্তারের জীবনের ক্ষতি করার ও তাকে ভীতসন্ত্রস্ত করার চেষ্টার ঘটনার তদন্তপূর্বক অভিযোগকারীর (বাবুল আক্তারের) জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ফেনী কারাগারের সুপারকে নির্দেশ দেওয়া জন্য আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যথায় বাবুল আক্তার ও তার পরিবারের জীবননাশসহ অপূরণীয় ক্ষতি ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

গত ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে পিবিআই হেফাজতে থাকার সময় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দাবি করে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলার আবেদন করেন বাবুল আক্তার।


   Page 1 of 165
     আইন - অপরাধ
বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালকের সাড়ে ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ!
.............................................................................................
মসজিদের ইমাম আর গৃহবধূ আপত্তিকর অবস্থায় আটক!
.............................................................................................
জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
হোশি কুনিও হত্যা : ৪ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড বহাল
.............................................................................................
চেয়ারম্যান সেলিম খানের জামিন স্থগিত, আত্মসমর্পণের নির্দেশ
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার ১১ মামলায় শুনানি ২৩ জানুয়ারি
.............................................................................................
সেলিম খানের জামিন বিষয়ক শুনানি মঙ্গলবার
.............................................................................................
ঘুষের ভিডিও ভাইরালের পর পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা বরখাস্ত
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ফেন্সিডিল সহ যুবক আটক
.............................................................................................
চিকিৎসার নামে রোগীকে ধর্ষণ; কারাগারে ধর্ষক
.............................................................................................
লাইফবয়ের বিজ্ঞাপন প্রত্যাহারে লিগ্যাল নোটিশ
.............................................................................................
মায়ের কবরের মাটি দিয়ে বসত ঘরে মাজার
.............................................................................................
সাবেক এসপি বাবুল আক্তারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল
.............................................................................................
বাবুল আক্তারের কক্ষে তল্লাশি চালানোর বিষয়টি সঠিক নয় : ওসি নিজাম
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ : নেত্রকোনার খলিলুরের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
ফেনী কারাগারে বাবুল আক্তারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন
.............................................................................................
ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে আইনি নোটিশ
.............................................................................................
যমুনা ব্যাংক থেকে সাড়ে ১১ কোটি টাকা আত্মসাৎ
.............................................................................................
স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর পর্ণোগ্রাফি মামলা
.............................................................................................
নোয়াখালীতে বিকাশের ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই
.............................................................................................
পঞ্চগড়ে নবীকে(সা.) নিয়ে কটূক্তি: যুবক আটক
.............................................................................................
শ্যামনগরে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গ্রেফতার ৪
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি: প্রবাসীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
.............................................................................................
আল আমিনের ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন
.............................................................................................
ভোলায় ৪ ভারতীয় নাগরিকের কারাদণ্ড
.............................................................................................
৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ৬ মাসের অন্ত:সত্ত্বা!
.............................................................................................
ঢাবি শিক্ষার্থী অপহরণ ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় শাকিল সহ গ্রেফতার ৪
.............................................................................................
তেরখাদায় হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
চারদিনের অভিযানে ৮৫০ হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধ
.............................................................................................
গভীর রাতে মুক্তি পেলেন ক্যাসিনো খালেদ
.............................................................................................
গৃহকর্মীকে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা
.............................................................................................
অর্থ আত্মসাৎ মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান হারুনের জামিন বহাল
.............................................................................................
রাজধানীতে ৫৬ ভাগ ট্রাফিক পুলিশের শ্রবন শক্তি কম
.............................................................................................
জামিন বাতিল ভূমির কুতুব উদ্দিনের
.............................................................................................
ফেসবুক-ইউটিউব থেকে উসকানিমূলক ভিডিও সরানোর নির্দেশ
.............................................................................................
বিএফআইইউ প্রধান মাসুদ বিশ্বাসকে হাইকোর্টে তলব
.............................................................................................
ভূমির কুতুবের জামিন বিষয়ে আদেশ বুধবার
.............................................................................................
স্ত্রীকে খুন করে তাবিজ নিতে এসে আটক স্বামী
.............................................................................................
সম্রাটের জামিন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে দুদক
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪ সাংবাদিক সাইবার মামলার শিকার
.............................................................................................
বিকাশ আপডেটের কথা বলে লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ৪
.............................................................................................
কালীগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ৭
.............................................................................................
গাজীপুরে ধর্ষণের নগ্ন ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ১
.............................................................................................
ভুল চিকিৎসায় নারীর মৃত্যু; হাসপাতালের পরিচালকসহ ৬ জন গ্রেফতার
.............................................................................................
দুদকে বরখাস্ত বাছিরের জামিন আদেশ প্রত্যাহার
.............................................................................................
পি কে হালদারের ২ নারী সহযোগী গ্রেপ্তার
.............................................................................................
বাসায় অবৈধ ওষুধ কারাখানা, অর্ধেক জরিমানা মওকুফ!
.............................................................................................
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় সাংবাদিকের উপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলা!
.............................................................................................
প্রশ্ন ফাঁস চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার
.............................................................................................
সাত মামলায় বরখাস্ত মেয়র জাহাঙ্গীরের আগাম জামিন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT