বৃহস্পতিবার, ২৬ মে 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সকল স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বিএসএমএমইউ উপাচার্য

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএসএমইউ) বিশ্ব থাইরয়েড দিবস-২০২২ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শোভাযাত্রা বের করে বাংলাদেশ এন্ড্রোক্রাইন সোসাইটি ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লক থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বটতলা প্রদক্ষিণ করে টিএসসি হয়ে ডি ব্লকে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রার শুরুতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিটি দিবসের উদ্দেশ্য হল জনগণকে সচেতন করা। আজ বিশ্ব থাইরয়েড দিবসের উদ্দেশ্যও তাই। থাইরয়েড নিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে পার্শ্ববর্তী বারডেমসহ অন্যান্য মেডিক্যাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ঐক্যবদ্ধভাবে এ থাইরয়েড জনিত রোগ মোকাবিলা করতে হবে।

শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, নার্সিং ও মেডিক্যাল টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বনিক, হোমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন শাহ, সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ ফারুক হোসেন,সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ রাসেল, এন্ড্রোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহাজাদা সেলিম প্রমুখসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ড্রোক্রাইনোলজি বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ এন্ড্রোক্রাইন সোসাইটি ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সকল স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বিএসএমএমইউ উপাচার্য
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএসএমইউ) বিশ্ব থাইরয়েড দিবস-২০২২ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শোভাযাত্রা বের করে বাংলাদেশ এন্ড্রোক্রাইন সোসাইটি ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লক থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বটতলা প্রদক্ষিণ করে টিএসসি হয়ে ডি ব্লকে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রার শুরুতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিটি দিবসের উদ্দেশ্য হল জনগণকে সচেতন করা। আজ বিশ্ব থাইরয়েড দিবসের উদ্দেশ্যও তাই। থাইরয়েড নিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে পার্শ্ববর্তী বারডেমসহ অন্যান্য মেডিক্যাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ঐক্যবদ্ধভাবে এ থাইরয়েড জনিত রোগ মোকাবিলা করতে হবে।

শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, নার্সিং ও মেডিক্যাল টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বনিক, হোমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন শাহ, সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ ফারুক হোসেন,সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ রাসেল, এন্ড্রোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহাজাদা সেলিম প্রমুখসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ড্রোক্রাইনোলজি বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ এন্ড্রোক্রাইন সোসাইটি ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেলি ফুলের উপকারিতা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক

আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেলি ফুলের উপকারিতা অনেক। এটি শুধু সৌন্দর্য                 বৃদ্ধিই করে না, আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য দারুন কাজ করে।

আমাদের সকলের প্রিয় ফুল বেলি। এটি দেখতে যেমন অনেক সুন্দর ,এর ঘ্রাণ আরো সুন্দর। বেলি ফুলের সুগন্ধ চারিদিকে মহিত করে। এটি জুঁই ফুলের গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এই ফুলের গাছ খুব একটা রড় হয় না। এটা প্রায় এক মিটার মত লম্বা হয় । এবং এর ডালডালা ও পাতায় চারিদিকে ছেয়ে যায়। এটি বাড়ির আঙ্গিনায়,বেলকনিতে টবে,তাছাড়া বাণিজিক ভাবে মাঠেও বেলি ফুলের চাষ করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন বিয়ে, অনুষ্টানে, এই ফুল ব্যবহার করায় এর চাহিদা প্রচুর পরিমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেলি ফুরের ভেষজ গুণাগুণ রয়েছে। আর এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি করছে।

বেলি ফুল ঔষধি গুণ হওয়ায় এটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক কাজে লাগে। আর এই ঔষধ সম্পন্ন পার্শপ্রতিক্রিয়া মুক্ত। বাজারের যে ঔষধ সেবন করা হয় তার অনেক ধরনের পার্শপ্রতিক্রিয়া থাকে। কিন্তু বেলি ফুলের তৈরি পথ্য খেলে কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া কাজ করে না।তবে এই ফুলের আকার ও গড়ন অনুসারে কয়েকটি প্রকারভেদে ভাগ করা হয়েছে। এবং এটি কয়েকটি থোকায় থোকায় গ্রীস্ম ও বর্ষায় কালে ফোঁটে। বেলি ফুলের চাষ সাধারনত কলম ও শিকড় থেকে করা হয়। বেলি ফুল তেলের জন্য একটি ভাল উৎস এবং এটি আজও সুগন্ধি শিল্পের উদ্দেশ্যে চাষ করা হচ্ছে। বেলি ফুলের স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিই।

শ্বাসকষ্ট রোধ
শ্বাসকষ্ট রোধে বেলি ফুল দারুন কাজ করে। আর এই জন্য বেলির মূল ভালোকরে সিদ্ধ করতে হবে। এবং এই সিদ্ধ করা ক্বাথ সেবন করলে শ্বাসকষ্টে উপকার পাওয়া যায়।

বুকের কফ বা সর্দি

বুকের কফ বা সর্দি বসলে বেলি ফুলের মূল এবং কচি পাতা থেঁতো করে খেলে এটি দ্রুত ভালো হয়।

কৃমির প্রভাব

আমাদের সকলের কম বেশি কৃমির প্রভাব দেখা যায়। আর কৃমি থেকে মুক্তি পেতে বেলি ফুল চূর্ণ করে গরম পানির সাথে সেবন করতে হবে । তাহলে অতি সহজে পেটের কৃমি দূর হবে।

ক্ষত সারাতে

বিভিন্ন সময় আমাদের ক্ষত দেখা দেয়। আর ক্ষত সারাতে এটি দুর্দান্ত কাজ করে। এই ফুলের পাতা পিষে ক্ষত স্থানে লাগালে দ্রুত ফল পাওয়া যায়।

বমি বমি ভাব

আমাদের অনেকের বমি বমি ভাব লাগে আর এটি দূর করতে বেলি ফুলের মূল থেঁতো করে এর সঙ্গে আতপ চাল ধোয়া পানি ও সামান্য পরিমানে চিনি মিশিয়ে খেতে হবে।

ঘুমের সমস্যা
ঘুমের সমস্যা দূর করতে বেলির পাতা বেটে পানিতে গুলিয়ে সেবন করুন ঘুম ভালো হয়।

বেলজিয়ামে ২১ দিনের মাঙ্কিপক্স কোয়ারেন্টাইন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
করোনাভাইরাস বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন লকডাউন প্রথা চালু করতে বিশ্ব মানব সমাজকে বাধ্য করেছে এখান থেকেই এই কোয়ারেন্টাইন লকডাউনের প্রথা বিশ্ববাসির সঙ্গী হতেে চলেছে।

মাঙ্কিপক্স ঠেকাতে বিশ্ব যাচ্ছে কোয়ারেন্টাইন লকডাউন মত পরিস্থিতিতে। যেটা বেলজিয়াম থেকে শুরু হচ্ছে।

টানা দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা করোনাভাইরাস মহামারি এখনও শেষ হয়নি। আর এরমধ্যেই বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে আরেক সংক্রামক ভাইরাস মাঙ্কিপক্স। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস।

মাঙ্কিপক্স কী করোনাভাইরাস মহামারির মতোই ভয়ানক হয়ে উঠবে? এমন আশঙ্কার মধ্যেই রোববার ‘মাঙ্কিপক্স’ সংক্রমণ মোকাবিলায় ২১ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন বিধি জারি করেছে বেলজিয়াম। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা এই ভাইরাসে সংক্রমিত হবে, তাদের তিন সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেলজিয়ামে এখনও পর্যন্ত চারজনের শরীরে ‘মাঙ্কিপক্স’ সংক্রমণের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আক্রান্তদের প্রত্যেকেই ইউরোপের এই দেশটির বন্দরনগরী অ্যান্টওয়ার্প-এ আয়োজিত এক সাম্প্রতিক উৎসবের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে। অর্থাৎ আক্রান্ত চারজনই ওই উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন।

আর তাই সেই উৎসব থেকেই বেলজিয়ামে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আক্রান্তদের প্রত্যেককেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, চিকিৎসা চলছে।

এদিকে দেশে কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম জারি করা হলেও বেলজিয়ান ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল মেডিসিন বলেছে, তাদের দেশে মাঙ্কিপক্সের বৃহত্তর প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি কম। ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ‘মাঙ্কিপক্স’ সংক্রমণের ক্ষেত্রে এমনিতে আইসোলেশনের প্রয়োজন হয় না। তবে কোভিড সংক্রমণের পর এখন অনেকেরই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে। তাই সতর্ক থাকা উচিত।

‘মাঙ্কিপক্স’ মূলত গুটিবসন্ত বা চিকেনপক্স গোত্রেরই রোগ। তবে, এটি গুটিবসন্তের থেকে কম মারাত্মক, মৃত্যুর হার ৪ শতাংশেরও নিচে। বেশিরভাগ রোগীই কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে, এর আগে কখনও আফ্রিকার বাইরে মহামারি আকারে এই রোগ ছড়াতে দেখা যায়নি।

ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার পর রোববার এই রোগ শনাক্ত করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যেও। আফ্রিকার বাইরে ‘মাঙ্কিপক্সের’ এই অস্বাভাবিক বিস্তারই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভাইরাস বিশেষজ্ঞদের। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই বছরের পর বছর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে এই রোগকে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন।

এদিকে ‘মাঙ্কিপক্স’ রুখতে প্রথম দেশ হিসাবে বেলজিয়াম কোয়ারেন্টাইন জারি করলেও, বর্তমানে সবচেয়ে দ্রুত আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে যুক্তরাজ্যে। রোববার ব্রিটেনে আরও ১১ জনের ‘মাঙ্কিপক্স’ পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

ফলে, সব মিলিয়ে ব্রিটেনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ২০ জনে। ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বর্তমানে লন্ডনের একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে সে। তার অবস্থা গুরুতর বলে জানানো হয়েছে। অবশ্য মাঙ্কিপক্স প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ‘নিষ্ক্রিয়তার’ জন্য ইতোমধ্যেই সমালোচনার মুখে পড়েছে ব্রিটিশ সরকার।

রোববার ইসরায়েল ও সুইজারল্যান্ডও ‘মাঙ্কিপক্স’ ভাইরাস সংক্রমণের কথা নিশ্চিত করেছে। ফলে, এই ভাইরাল রোগ বর্তমানে বিশ্বের মোট ১৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

এর আগে গত শনিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, স্পেন, পর্তুগাল, জার্মানি, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ইতালি এবং সুইডেন – এই ১২টি দেশে অন্তত ৯২টি মাঙ্কিপক্স সংক্রমণের তথ্য নিশ্চিত হয়েছে। তবে, এখনও পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশে মাঙ্কিপক্স নিয়ে সতর্কতা জারি
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
সারাবিশ্বে আতংক সৃষ্টিকারী সংক্রামক রোগ ‘মাঙ্কিপক্স’ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের প্রতিটি স্থল, নৌ এবং বিমান বন্দরে বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

করোনার মহামারি শেষ না হতেই নতুন করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে ‘মাঙ্কিপক্স’। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১২টি দেশে ছড়িয়েছে সংক্রামক এ রোগ।

ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘এয়ারপোর্ট, ল্যান্ড পোর্টসহ পোর্ট আমরা সতর্কতা জারি করছি। এছাড়া এয়ারপোর্টে মেডিক্যাল অফিসারদের সতর্ক থাকতে বলেছি। সন্দেহভাজন কেউ এলে যেন তাকে চিহ্নিত করা যায় এবং দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

মাঙ্কিপক্স বিষয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভাইরাসটি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার সুযোগ নেই। আমরা ভাইরাসটির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। সারাবিশ্ব থেকে এ ব্যাধি বিষয়ে জানবো, তথ্যউপাত্ত নেবো। এরপর যদি কোনো কিছু করতে হয় অবশ্যই আমরা তা করব।’

জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জনদের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে অধিদপ্তরের এই পরিচালক বলেন, ‘জেলা পর্যায়ে আমরা চিঠি দিয়েছি। তবে যেহেতু সব জায়গায় পোর্ট নেই সেজন্য সব জায়গায় এটা এখনো তেমন গুরুত্বপূর্ণ না। তবে এয়ারপোর্ট দিয়েই যেহেতু আসতে পারে তাই এ ক্ষেত্রেই আমরা সবচেয়ে বেশি সতর্কতা রয়েছে।’

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সুইডেন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ায় এই মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

এই ছয়টি রোগই নীরব ঘাতক`! অবশ্যই সতর্ক থাকুন
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
আমাদের দেহে নানা রকম রোগব্যাধি বাসা বাঁধে। এর মধ্যে কিছু অসুখ খুব বেশি জটিল হয় না, কিছু সময় পর সেরে যায়। অন্যদিকে এমন কিছু রোগও রয়েছে যা বেশ জটিল। হাজার চেষ্টা করেও তা সারিয়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়ে।এসব রোগের মধ্যে কিছু রোগ এমন হয় যার ফলে নানারকম উপসর্গ ও শরীরে অসুস্থতা দেখা দিয়ে থাকে।

কিন্তু এমনও কিছু রোগ আছে, যেগুলো আপনার শরীরের নীরব ঘাতক হিসেবে কাজ করে। সাইলেন্ট কিলার বা নীরব ঘাতক ধরনের রোগগুলো শরীরের ভেতরে ভেতরে নীরব অবস্থায় ক্ষতি করতে থাকে ওবং যে কোনো সময় গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। এমনকি তা আকস্মিক মৃত্যুর কারণও হতে পারে। আর এসব রোগ সাধারণত সারাজীবন নিয়ে থাকতে হয়। এ ধরনের সমসা এড়াতে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কোনো বিকল্প নেই। ভালো খাবার খাওয়া, স্বাস্থ্যকর রুটিন বজায় রাখা ও ব্যয়াম করার মাধ্যমে এমন দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত থাকা যেতে পারে।

তাই সতর্ক থাকতে জেনে নিন ৬ নীরব ঘাতক রোগ সম্পর্কে-
1. উচ্চ রক্তচাপ- উচ্চ রক্তচাপ রোগকে একটি নীরব ঘাতক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর কারণ হচ্ছে- এটি কোনো বিশেষ লক্ষণ ছাড়াই উদ্ভূত হয়। আর শরীরে ক্ষতি হওয়ার পরে এটির পরিস্থিতি গভীরতা বুঝতে পারা যায়। এটি হার্ট ও ধমনীতে প্রভাব ফেলার পাশাপাশি হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর, স্ট্রোক এবং আরও অনেক জটিল ও গুরুতর কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

2. করোনারি আর্টারি ডিজিজ- হৃদরোগের মধ্যে করোনারি আর্টারি ডিজিজ অন্যতম। এটি এমন একটি অবস্থা, যেখানে হৃত্‍পিণ্ডে রক্ত ওঅক্সিজেন সরবরাহকারী করোনারি ধমনী সংকুচিত হয়ে যায়। আর এর ফলে বুকে ব্যথা (এনজাইনা) বা হার্ট অ্যাটাক হয় এবং এটিই প্রথম লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়। এটি এতই মারাত্মক যে, এই রোগে আক্রান্ত একজন ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিত্‍সা দেওয়ার সময়ও হার্ট ফেইলিওর এবং অ্যারিথমিয়া হতে পারে।

3. ডায়াবেটিস- প্রাথমিকভাবে ডায়াবেটিস রোগের কোনো উপসর্গ নাও দেখা দিতে পারে। শুধু যখন রোগটি বেড়ে যায়, তখন এটি ক্লান্তি, ওজন হ্রাস, ঘন ঘন প্রস্রাব ও তৃষ্ণা বেশি লাগার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিস হলে তা শরীরের অন্যান্য অঙ্গ যেমন হার্ট, কিডনি এবং আপনার দৃষ্টিশক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে।

4.অস্টিওপোরোসিস- অস্টিওপোরোসিস হচ্ছে একটি হাড়ের রোগ। আর এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রায়শই এটি হয়ে থাকলেও বুঝতে পারে না।কারণ এটি কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ ততক্ষণ পর্যন্ত দেখায় না; যতক্ষণ না কোনো ফ্র্যাকচারের ঘটনা ঘটে বা রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা করা হয়। এ কারণে একে নীরব ঘাতকও বলা হয়। হাড়ের ঘনত্বকে প্রভাবিত করার পাশাপাশি, এটি মুখের স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করতে পারে।

5. স্লিপ অ্যাপনিয়া- স্লিপ অ্যাপনিয়া হচ্ছে এমন একটি গুরুতর ঘুমের ব্যাধি যেটিতে ঘুমের সময় জোরে শ্বাস নেয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া এটি জোরে নাক ডাকা, দিনের বেলা চরম ক্লান্তি এবং রাতে ঘুম না হওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। গুরুতর স্লিপ অ্যাপনিয়ার রোগীরাঘুমের সময় আকস্মিক মৃত্যু এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। আর এ রোগটি হলে অনেকে বুঝতেই পারেন না। এ কারণে এটিকে নীরব ঘাতক বলা হয়।

6. ফ্যাটি লিভার- শরীরে ফ্যাটি লিভার রোগটির বৃদ্ধি ধীরে ধীরে হয় এবং প্রাথমিকভাবে এর কোনো উল্লেখযোগ্য চিহ্ন দেখা যায় না। এ কারণে এটি শরীরে নীরব ঘাতক হিসেবে কাজ করে। এ রোগটি হলে তার শেষ পর্যায়ে সিরোসিস হতে পারে এবং যকৃতের দাগ (ফাইব্রোসিস) এর চূড়ান্ত পর্যায়ে হতে পারে।

মৃত্যু নেই, শনাক্ত নেমেছে ৪ জনে
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক :
বিগত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে কারো মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা ২৯ হাজার ১২৭ জন অপরিবর্তিত থাকল। এছাড়া একই সময়ে সারা দেশে আরও ৪ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৭৪৭ জনে। বাংলাদেশে এরচেয়ে কম রোগী শনাক্ত হয়েছিল সেই মহামারীর শুরুর দিকে, ২০২০ সালের ২ এপ্রিল, সেদিন দুজন রোগী শনাক্তের কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। । এছাড়া আজ  শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ১৮ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (৫ মে)  বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২১২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে দেশের ৬৪ জেলায় ৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। তাদের মধ্যে তিনজন ঢাকার একজন কক্সবাজারের বাসিন্দা। গত একদিনে ভাইরাসটি থেকে ২৫৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৯৬ হাজার ৭৮৮ জন।

উল্লেখ্য,  দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।  ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।  ২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।

টিকা নিয়ে টিআইবি’র প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক :
করোনাভাইরাসের টিকাসহ স্বাস্থ্যখাত নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর  প্রতিবেদনকে প্রত্যাখ্যান করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে টিআইবি প্রতিবেদন বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই প্রত্যাখ্যান করেন।


সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মোঃ সাইফুল হাসান বাদল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম  প্রমুখ  উপস্থিত ছিলেন।


জাহিদ মালেক বলেন, ‘টিকা নিয়ে আমাদের কাজ খুবই ট্রান্সপারেন্ট (স্বচ্ছ)। আমাদের কেনাকাটা পুরোটা স্বচ্ছ। কিন্তু টিআইবি অস্বচ্ছ কাজ করেছে। করোনা প্রতিরোধে টিকা কেনাকাটা নিয়ে টিআইবি’র  দেওয়া তথ্য ভিত্তিহীন।  দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে টিআইবি এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছে।’


স্বাস্থ্যমন্ত্রী টিআইবির প্রতিবেদন সম্পর্কে আরও বলেন, আমরা অবশ্যই এটা প্রত্যাখ্যান করি। একটা সংস্থা তাদের মতামত প্রকাশ করতেই পারে। যেহেতু এটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, তাই আমরা সব সময় আইনি ব্যবস্থার পক্ষে না।


টিআইবি খুবই ইনট্রান্সপারেন্ট (অস্বচ্ছ) কাজ করেছে মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরিপ প্রসঙ্গে করোনার সবশেষ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।


এসময় তিনি বলেন, যেখানে ডাব্লিউএইচও চাহিদা অনুযায়ী একটি দেশের ৭০ ভাগ মানুষের টিকার আওতায় আনার কথা বলেছে, সেখানে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ৭৫ ভাগ জনসংখ্যাকে অর্থাৎ প্রায় ১৩ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় এনেছে। বুস্টার ডোজই দেয়া হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষকে।


প্রতিবেদনে টিআইবি একটার পর একটা মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, টিআইবি রিপোর্টে জরিপ করা হয়েছে মাত্র ১৮০০ মানুষের উপর। স্বাস্থ্যখাত টিকা দিয়েছে ১৩ কোটি ডোজ। তাহলে কোথায় ১৩ কোটি মানুষ আর কোথায় মাত্র ১৮০০ জন মানুষের জরিপের ফলাফল। সেই জরিপও করা হয়েছে ফোনে ফোনে কথা বলে।
টিআইবি প্রতিবেদনের অসংলগ্ন তথ্যগুলি তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, “টিআইবি বলেছে, দেশের ৭.৮ ভাগ মানুষ করোনায় বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে। ৭.৮ ভাগ মানুষ মানে তো দেড় লাখ মানুষ। দেশে করোনায় ৩০ হাজারের কম মানুষ মারা গেছে অথচ তারা বলছেন ৭.৮ ভাগ মানুষ মারা গেছেন বিনা চিকিৎসায়। টিকা ব্যবস্থাপনায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে।”


তিনি বলেন, আমরা কেবল নিজেদের কেনা ও অন্যান্য খরচ বাবদ ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছি। এর সাথে সাড়ে ৯ কোটি ডোজ টিকা যেগুলি সরকার বিনামূল্যে পেয়েছে সেগুলির মূল্য প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা। ক্রয়কৃত ও উপহার হিসেবে পাওয়া টিকার মূল্য ধরেই ৪০ হাজার কোটি টাকা বলা হয়েছে।


জাহিদ মালেক বলেন, ‘টিকাদানে দুর্নীতির অভিযোগের কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, কোন কোন জায়গায় ৬৬-৬৭ টাকা করে ঘুষ দিয়ে টিকা নিতে হয়েছে। ৬৬-৬৭ টাকা আজকাল কাউকে এমনি এমনি দিলেও নিতে চায় না। অথচ এটি প্রচার করা হলো দুর্নীতি হিসেবে। ল্যাব সংখ্যা কম, চিকিৎসা সেবা পায়নি মানুষ। অক্সিজেন ঘাটতি ছিল, আইসিইউ সংকট সহ আরো নানা বিষয়ে জরিপে বলা হয়েছে, যার কোনটিই সত্য নয়।’


তিনি বলেন, টিআইবি স্বাস্থ্যখাতের অর্জনকে ম্লান করে দিতেই এই রিপোর্ট করেছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতকে যখন দেশে বিদেশে সবাই প্রশংসা করছে তখন তারা এরকম মনগড়া ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটি পড়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশকেই ইনট্রান্সপারেন্ট মনে হয়েছে। স্বাস্থ্যখাত টিআইবি’র এই প্রতিবেদন টোটালি প্রত্যাখান করছে।

দেশে প্রথম প্রতিস্থাপিত হার্ট ভাল্বে নতুন করে ভাল্ব প্রতিস্থাপন
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক :
বাংলাদেশে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে প্রথমবারের মতো বুক না কেটে হার্টে ট্রান্সক্যাথেটার অ্যাওর্টিক ভাল্ব রিপ্লেসমেন্ট (টিএভিআর) পদ্ধতিতে পুরনো অ্যাওর্টিক ভাল্বের ভেতরে নতুন ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

২০১১ সালে ৭৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বুক কেটে অ্যাওর্টিক ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। দীর্ঘ ১১ বছর পর সম্প্রতি তার শ্বাসকস্ট তীব্র হতে থাকে। বুক কেটে ভাল্ব প্রতিস্থাপন ব্যক্তিদের পুনরায় প্রতিস্থাপিত ভাল্বে নতুন করে ভাল্ব স্থাপনে আর্থিক খরচ কোটি টাকার বেশি হয়। এমন অবস্থায় দিশেহারা হয়ে পড়ে রোগীর পরিবার।

এদিকে ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা দ্রুত অবনতি হতে থাকে। এমন অবস্থায় তাকে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. প্রদীপ কুমার কর্মকারের নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয় তার। টিমটি সিদ্ধান্ত নেয়, বুক না কেটে পূর্বের প্রতিস্থাপিত ভাল্বে নতুন করে ভাল্ব প্রতিস্থাপনের। টিএভিআর ভাল্ব প্রতিস্থাপন পদ্ধতিতে ওই ব্যক্তির হার্টে অ্যাওর্টিক ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয়।

ডা. প্রদীপ কুমার কর্মকার জানান, জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে টিএভিআর পদ্ধতিতে বুক কেটে ভাল্ব প্রতিস্থাপিত এক ব্যক্তিকে নতুন করে বুক না কেটেই পূর্বের প্রতিস্থাপিত স্থানে নতুন ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তার নেতৃত্বে গত ১৭ এপ্রিল অস্ত্রোপচার সম্পূর্ণ করা হয়। দেশে এই প্রথম পূর্বে ভাল্ব প্রতিস্থাপিত ব্যক্তিকে নতুন করে বুক না কেটে নতুন ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

ডা. প্রদীপ বলেন, সাধারণত হার্টে বুক কেটে টিস্যু অ্যাওর্টিক প্রতিস্থাপন করলে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যেই এটি আবার তার কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। এর চিকিৎসা বিদেশে হলেও ব্যয় হয় কোটি টাকার উপরে। বুক কাটা এমন ব্যক্তি বহু রয়েছেন, যারা অসুস্থতার ভুগছেন। আমরা এমন অপারেশন একের পর এক করে যাব।

কম খরচে এমন অপারেশন করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আর বিদেশে নয়, বাংলাদেশেই এমন অপারেশন করা যাবে।’
 
অ্যাওর্টিক ভাল্ব প্রতিস্থাপনে মাত্র এক ঘণ্টা সময় লাগে জানিয়ে ডা. প্রদীপ বলেন, রোগীকে অজ্ঞান করতে হয় না। রোগী তিন দিন পরে হাসপাতাল থেকে বাসায় চলে যেতে পারে এবং সাত দিনের মধ্যে কাজে যোগ দিতে পারে।  যেসব রোগী ১০-১৫ বৎসর আগে টিস্যু অ্যাওর্টিক ভাল্ব প্রতিস্থাপন করেছে, তাদের অনেকের ভাল্ব কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়। তারা খুব সহজে হার্টের এই নতুন চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারবে। এতে রোগীদের সুবিধাসহ অনেক টাকাও সাশ্রয় হবে।

এই অ্যাওর্টিক ভাল্ব প্রতিস্থাপনে ব্যয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. প্রদীপ কুমার কর্মকার জানান, সরকারি হাসপাতালে কম খরচ। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালে ১০ লাখের মতো খরচ হবে।

ঢাকায় ২৩ লাখ মানুষ কলেরার টিকা পাবেন
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক :
রাজধানী ঢাকায় ২৩ লাখ মানুষকে কলেরার টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম। ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার (১৩ এপ্রিল) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ বছর দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, দুই ডোজের এই টিকা কর্মসূচির প্রথম ডোজ দেওয়া হবে মে মাসে। ২৩ লাখ ডোজ টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে জুনে। তিনি আরও বলেন, প্রথম ধাপে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, দক্ষিণখান, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, সবুজবাগ এই পাঁচটি এলাকায় টিকা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। টিকা গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, টিকা কার্যক্রম নিয়ে আমরা এখনও কাজ করছি।

এই টিকা গ্রহণ করতে হলে আলাদা কোনো নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই। নির্দিষ্ট তারিখ ও কেন্দ্র বাছাই হলে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে। নিকটস্থ কেন্দ্রে গেলেই যে কেউ টিকা নিতে পারবেন।হাসপাতালের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে এই চিকিৎসক বলেন, ডায়রিয়ায় আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় ওষুধ, মুখে খাওয়ার স্যালাইন, আইভি স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ইত্যাদি চাহিদা অনুয়ায়ী হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হচ্ছে।

সারা দেশে মোট ৪ হাজার ৫২৮টি মেডিকেল টিম কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, হাসপাতালগুলোতে ৫০০ মিলি ব্যাগ আইভি স্যালাইন মজুত আছে ৩ লাখ ৩০ হাজারটি, ১০০০ মিলি ব্যাগ আছে ৪ লাখ।

এছাড়াও ১০০০ মিলি ব্যাগের আরও ১ লাখ ৬০ হাজার আইভি স্যালাইন শিগগিরই ক্রয় করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, ডায়রিয়া প্রকোপ রোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। কেউ ডায়রিয়া আক্রান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে খাবার স্যালাইন গ্রহণের পাশাপাশি নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

২২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু নেই
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক :
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় কেউ মারা যাননি। ফলে মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ১২৪ অপরিবর্তিত থাকল। এই সময়ে আরও ২২ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে।এক দিনে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এর চেয়ে কম ছিল ২০২০ সালের ৫ এপ্রিল। সেদিন ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।এ পর্যন্ত দেশে মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৯ লাখ ৫২ হাজার ১৩১ জন।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৬ হাজারের মতো নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাতে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল শূন্য দশমিক ৭১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭৫ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত ১৮ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

দেশে বুস্টার ডোজ পেলেন ১ কোটি ৫ লাখ মানুষ
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক :
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৫ লাখ ৬৮ হাজার ৯০০ জনকে বুস্টার ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রথম ডোজ পেয়েছেন ১২ কোটি ৮১ লাখ ৮৬ হাজার ১৩১ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ১১ কোটি ৪৮ লাখ ৮৬ হাজার ২৬ জন মানুষ।রোববার (১০ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন শাখার (এমআইএস) পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত করোনার টিকাদানবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকার প্রথম ডোজের আওতায় এসেছেন ১২ কোটি ৮১ লাখ ৮৬ হাজার ১৩১ জন। এ ছাড়া দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন ১১ কোটি ৪৮ লাখ ৮৬ হাজার ২৬ জন মানুষ। এর আগে গত ১ নভেম্বর থেকে দেশে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭২ লাখ ৯০ হাজার ৮৯৩ জনকে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ ৩৮ হাজার ৩৬৫ জনকে।

এদিকে শনিবার (৯ এপ্রিল) সারাদেশে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ১৬৩ জন শিক্ষার্থীকে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৫ হাজার ৪১৯ জনকে। অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে এ পর্যন্ত ২ লাখ ১২ হাজার ২৫৬ জন ভাসমান জনগোষ্ঠী টিকার আওতায় এসেছেন। তাদের জনসন অ্যান্ড জনসনের এক ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশে করোনা টিকার নিবন্ধন শুরু হয় গত বছরের ২৭ জানুয়ারি। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। ১৮ বছর বয়সী যে কেউ এখন টিকা নিতে পারছেন।

রাজধানীতে ডায়রিয়া বৃদ্ধি, ঘণ্টায় ৬০ রোগী ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক :
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছুদিন ধরে ডায়রিয়ার প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ডায়রিয়া রোগীর চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)। প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৬০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন বিশেষায়িত হাসপাতালটিতে।

শনিবার (৯ এপ্রিল) আইসিডিডিআর,বির গণসংযোগ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ৪৩ হাজারেরও বেশি ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছেন৷ এর মধ্যে মার্চ মাসে ভর্তি হয়েছেন ৩০ হাজার ৫০০৷ আর চলতি মাসে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার ৩০০’র বেশি রোগী এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন৷ ৮ এপ্রিল ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৩৮২ জন৷ এখন প্রতি ঘণ্টায় ওই হাসপাতালে প্রায় ৬০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন৷

কলেরা হাসপাতালের প্রধান ডা. বাহারুল আলম সংবাদমাধ্যমকে জানান, ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দেওয়ার পর হাসপাতালের সামনে দুটি আলাদা তাঁবু করা হয়েছে৷ দুটি তাঁবুতে মোট শয্যা ১৫০টি৷ আর হাসপাতালে আছে ৪৫০টি৷ আরও কিছু রোগীকে অতিরিক্ত বেড করে জায়গা দেয়া হচ্ছে৷

এখন হাসপাতালে সার্বক্ষণিকভাবে কমপক্ষে ৬৫০ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি থাকছেন৷ স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মতে, চলতি বছরে দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তিন লাখেরও বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন৷ কতজন মারা গেছেন সেই তথ্য নেই সংস্থাটির কাছে। তবে মহাখালী কলেরা হাসপাতালেই ২৯ জন মারা গেছেন বলে জানা গেছে।

হাসপাতালের প্রধান বলেন, ‘প্রতি দিন এক হাজার ৩০০-এর বেশি রোগী এলেও সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন পড়ে না৷ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আমরা অনেক রোগীকে ফ্লুইড দিয়ে ‘স্ট্যাবল’ করে ফেলি৷ এরপর চিকিৎসাপত্র দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দিই৷ আর যাদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন পড়ে তারাও চার-পাঁচ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে যান৷ তবে এখন আমরা রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছি৷’

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে এ রকমই একটি প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল; যা একেবারে মহামারীর রূপ ধারণ করে। সেটি স্থায়ী হয়েছিল মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

পাইলস কখন হয়, প্রতিরোধের উপায়
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক :
পায়ুপথের একটি জটিল রোগ পাইলস।  অনেকেরই এ সমস্যা দেখা দেয়। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, কোষ্ঠকাঠিন্য, আঁশজাতীয় খাবার কম খাওয়া থেকে এ সমস্যা দেখা দেয়।  সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা করালে রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। আবার সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করলে পাইলস থেকে বেঁচে থাকা যায়।

পাইলস বলতে আমরা বুঝি মলদ্বারের ভেতরে ফুলে ওঠা রক্তের শিরার একটি মাংসপিণ্ড। এ রূপ রক্তের শিরার মাংসপিণ্ড বা ‘কুশন’ সব মানুষেরই রয়েছে।

তাই প্রকৃত অর্থে পাইলস বা ‘হেমোরয়েড’ আমরা তখনই বলি, যখন এটি কোনোরূপ উপসর্গ সৃষ্টি করছে। যেমন মলদ্বারের বাইরে ঝুলে পড়া মাংসপিণ্ড অথবা রক্ত যাওয়া। প্রতিটি মানুষের তিনটি পাইলস বা ‘কুশন’ আছে।

বড় পাইলসের মাঝখানে ছোট ছোট পাইলসও থাকতে পারে। মলত্যাগ করার সময় শিরাগুলো কিছুটা ঝুলে পড়ে এবং রক্ত ভর্তি হয়ে ফুলে ওঠে তার পর ফেটে গিয়ে রক্ত বের হয়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ইডেন মাল্টি-কেয়ার হাসপাতালের ল্যাপারোস্কপিক অ্যান্ড লেজার সার্জন ডা. আসিফ আলমাস হক।

পাইলস কখন হয় : ৩০ থেকে ৬০ বছর বয়সের ভেতর এ রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। ২০ বছর বয়সের নিচে পাইলস খুব একটা দেখা যায় না। এ রোগ মহিলাদের চেয়ে পুরুষের কিছুটা বেশি হয়।

কারণ : কয়েক শতাব্দীর গবেষণা সত্ত্বেও পাইলসের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটিত হয়নি। তবে কিছু কিছু রোগ পাইলস হওয়াকে ত্বরান্বিত করে। যেমন— মলত্যাগে অতিরিক্ত কোঁত দেওয়া, অনিয়মিত মলত্যাগের অভ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ইত্যাদি। অন্য কিছু কিছু কারণ আছে, যার জন্য পাইলস হতে পারে। যেমন- বংশগত, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা, অনেকক্ষণ গরমে থাকা, ভারী ওজন তোলা, গর্ভাবস্থা, আঁটসাঁট পোশাক পরা, হরমোনের প্রভাব, আঁশজাতীয় খাবারের অভাব ইত্যাদি।

উপসর্গ : বহিঃস্থিত পাইলসের ক্ষেত্রে মলদ্বারের বাইরে ফোলা থাকে এবং কিছুটা ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে। অভ্যন্তরীণ পাইলসের ক্ষেত্রে টয়লেটে টাটকা লাল রক্ত দেখা যায়। কোনোরূপ ব্যথা থাকে না। মলত্যাগের শেষে রক্ত যায়। রক্ত ফোঁটায় ফোঁটায় যায় আবার কখনও তীরের বেগে যায়। রক্ত যাওয়ার পর যদি বেশি ব্যথা ও জ্বালাপোড়া হয় তা হলে এনাল ফিশার বা ক্যান্সার হতে পারে। রক্ত যেতে যেতে রোগী গভীর রক্তশূন্যতায় ভুগতে পারেন। মলদ্বারের বাইরে পাইলসটি ঝুলে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে মলত্যাগ শেষে পাইলসটি আপনা-আপনি ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। পাইলসে সাধারণত ব্যথা হয় না। থ্রম্বোসিস হলে বা পাইলস বাইরে অতিরিক্ত ঝুলে থাকলে ব্যথা হতে পারে। মলদ্বারে শুধু পাইলস রোগই হয় না আরও অনেক রোগ হয়, যার শতকরা বিশ ভাগ রোগী পাইলসে আক্রান্ত।

প্রতিরোধের উপায় : এ রোগ প্রতিরোধের উপায় হচ্ছে সময়মতো কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়ার চিকিৎসা করা, টয়লেটে বসে বসে পেপার/বই না পড়া, খাবারের সঙ্গে আঁশজাতীয় জিনিস যেমন-ফল, সবজি, সালাদ পরিমাণ মতো খাওয়া, দৈনিক ৬-৮ গ্লাস পানি পান করা, ভারি ওজন না তোলা, অতিরিক্ত গরমে বেশিক্ষণ না থাকা ইত্যাদি।

বছরে তামাকজনিত রোগে মারা যায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট :
জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রয়োজন। ‘নীতিনির্ধারকদের কাছে তামাক নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব উপস্থাপন’ শীর্ষক কর্মশালায় বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টারস ফোরামের সদস্যরা এ কথা বলেন।  সোমবার রাজধানীর হোটেল লা ভিঞ্চিতে ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাবো ফ্রি কিডসের সহযোগিতায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ কর্মশালাটি আয়োজন করে।
 
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রেজিস্ট্রার (ক্লিনিকাল রিসার্চ) ডা. শেখ মো. মাহবুবুস সোবহান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় পৌনে চার কোটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করে। তামাকজাত দ্রব্যের বহুল ব্যবহার হৃদরোগ, ক্যান্সার, বক্ষব্যাধি এবং অন্যান্য অনেক প্রতিরোধযোগ্য রোগ এবং মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। দেশে প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে ১ লক্ষ ৬১ হাজারের বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে।

তামাকের এসব ক্ষতি থেকে জনস্বাস্থ্যকে রক্ষার জন্য তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনকে আরো শক্তিশালী করা প্রয়োজন বলে মত দেন বক্তারা। ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডসের লিড পলিসি অ্যাডভাইজর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দেশে বিদ্যমান ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনটির বিভিন্ন দিক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এফসিটিসি-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তারপরও কিছু জায়গায় দুর্বলতা রয়েছে। এই দুর্বলতাগুলো সংশোধন করা হলে, আইনটি আরো কার্যকর হবে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সংবাদকর্মীরা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরার কথা বলেন। এগুলো হলো সব ধরনের পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনকে শতভাগ তামাকমুক্ত করা, দোকানে তামাকজাত দ্রব্য প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা, তামাক কোম্পানির সিএসআর নিষিদ্ধ করা, ই-সিগারেট আমদানি, উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে মুদ্রিত সচিত্র স্বাস্থ্যসতর্কবার্তার আকার বৃদ্ধি করা এবং তামাকদ্রব্যের খুচরা বিক্রি নিষিদ্ধ করা।

বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টারস ফোরামের সভাপতি রাশেদ রাব্বি বলেন, জনস্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করছে হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম। এই ফোরামের সদস্যরা তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন করে থাকেন। তারা সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের সচেতন করবেন বলে জানান।


৫৬টি শূন্যপদ নিয়ে চলছে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
                                  

ফারুক রহমান, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরে ৫৬টি পদ শূন্য থাকায় অফিসের দৈনন্দিন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম মারাত্মক বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বেশি শূন্যপদ রয়েছে পরিবার কল্যাণ সহকারী পদে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে অনুমোদিত পদের সংখ্যা ১৪২টি’র মধ্যে কর্মরত রয়েছে ১০১টি পদে।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, একজন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী প্রেষণে কালিগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত। পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের শূন্যপদগুলো হচ্ছে, মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি) একজন, সহকারী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা একজন, সহকারী পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা (এমসিএইচ) একজন, সাব-অ্যাসিসস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পাঁচজন, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা ছয়জন, ফার্মাস্টিট সাতজন, পরিবার কল্যাণ সহকারী ২৫ জন, অফিস সহায়ক একজন, দারোয়ান/নিরাপত্তা প্রহরী পাঁচজন ও আয়া চারজন।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজেলা শ্যামনগর। এই উপজেলায় সক্ষম দম্পত্তির সংখ্যা ৭৫,৭৬৪ জন। ইউনিয়ন সংখ্যা ১২টি। উপজেলায় সবচেয়ে বেশি পদ শূন্য রয়েছে দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায়। ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে রমজাননগর ইউনিয়নে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় ভগ্নদশা থাকার কারণে বর্তমানে রমজাননগর ইউপিতে কার্যক্রম চলছে।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার শাকির হোসেন বলেন, শ্যামনগর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে এত অধিক সংখ্যক শূন্যপদ থাকায় কার্যক্রমে অসুবিধা হচ্ছে। শূন্যপদের বিষয়টি যথাযথ কতৃপক্ষের নিকট কয়েকবার পত্র মারফত অবহিত করা হয়েছে বলে জানান।

কমেছে করোনায় মৃত্যু-আক্রান্ত
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক :

বিশ্বব্যাপী করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমেছে। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরো ২২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮৪ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৮ হাজার ৩১৯ জনের।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ কোটি ৪০ লাখ ৭ হাজার ৬৩ জন এবং মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭ লাখ ৫২ হাজার ৫০৫ জনে। আর সুস্থ হয়েছেন ৩১ কোটি ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪০ জন।

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের শীর্ষ ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৭৯ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯১ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৯ লাখ ২৫ হাজার ৬৫৫ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় এবং মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত করোনায় ৪ কোটি ২১ লাখ ৮৪ হাজার ৬২৩ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ২ হাজার ৮ জনের।

আক্রান্তে তৃতীয় ও মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ৬৪ লাখ ৭৩ হাজার ২৭৩ জন এবং এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৩১ হাজার ৮৬৯ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে থাকা ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ কোটি ৬০ লাখ ২ হাজার ৯৩২ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক লাখ ৩২ হাজার ৩৭৭ জন।

পঞ্চম স্থানে থাকা যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি ৭৭ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক লাখ ৫৮ হাজার ২৪৩ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২২৪টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।


   Page 1 of 27
     স্বাস্থ্য
সকল স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বিএসএমএমইউ উপাচার্য
.............................................................................................
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেলি ফুলের উপকারিতা
.............................................................................................
বেলজিয়ামে ২১ দিনের মাঙ্কিপক্স কোয়ারেন্টাইন
.............................................................................................
বাংলাদেশে মাঙ্কিপক্স নিয়ে সতর্কতা জারি
.............................................................................................
এই ছয়টি রোগই নীরব ঘাতক`! অবশ্যই সতর্ক থাকুন
.............................................................................................
মৃত্যু নেই, শনাক্ত নেমেছে ৪ জনে
.............................................................................................
টিকা নিয়ে টিআইবি’র প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
.............................................................................................
দেশে প্রথম প্রতিস্থাপিত হার্ট ভাল্বে নতুন করে ভাল্ব প্রতিস্থাপন
.............................................................................................
ঢাকায় ২৩ লাখ মানুষ কলেরার টিকা পাবেন
.............................................................................................
২২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু নেই
.............................................................................................
দেশে বুস্টার ডোজ পেলেন ১ কোটি ৫ লাখ মানুষ
.............................................................................................
রাজধানীতে ডায়রিয়া বৃদ্ধি, ঘণ্টায় ৬০ রোগী ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে
.............................................................................................
পাইলস কখন হয়, প্রতিরোধের উপায়
.............................................................................................
বছরে তামাকজনিত রোগে মারা যায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ
.............................................................................................
৫৬টি শূন্যপদ নিয়ে চলছে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
.............................................................................................
কমেছে করোনায় মৃত্যু-আক্রান্ত
.............................................................................................
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ‘হ-য-ব-র-ল’
.............................................................................................
বিশ্বে একদিনে করোনা শনাক্ত ৩৬ লাখ
.............................................................................................
বিশ্বে একদিনে শনাক্ত পৌনে ২০ লাখ, মৃত্যু ৫ হাজার
.............................................................................................
বিশ্বজুড়ে একদিনে করোনায় আক্রান্ত ২১ লাখের অধিক
.............................................................................................
২৪ ঘন্টায় সাড়ে ১৮ লাখ শনাক্ত, মৃত্যু ৩৩০৬ জনের
.............................................................................................
ওমিক্রনের তান্তব: একদিনেই আক্রান্ত ২১ লাখ
.............................................................................................
বিশ্বজুড়ে আবারো বাড়ছে করোনায় মৃত ও শনাক্ত
.............................................................................................
২৪ ঘন্টায় করোনায় ৪৬৪৬ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে শাবিপ্রবি ছাত্রীর খাবার উদ্ভাবন
.............................................................................................
ডেল্টা-ওমিক্রনের রূপান্তরে নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ডেলমিক্রন’র সন্ধান
.............................................................................................
বুস্টার ডোজ দিয়েও মহামারি ঠেকানো যাবে না: ডব্লিইএইচও
.............................................................................................
যমজ সন্তান জন্ম দেওয়ার পর করোনায় মৃত্যু পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর
.............................................................................................
ফরিদপুর হাসপাতালে ১০ মিনিটে ৪ রোগীর মৃত্যু!
.............................................................................................
খুলনার আরও ২২ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল: ৪ আইসিইউ বেডের দু’টি অকেজো, সর্বত্র অব্যবস্থাপনা
.............................................................................................
করোনা : রাজশাহী মেডিকেলে আরও ১৯ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
বগুড়ায় হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে ৭ জনের মৃত্যু, মোট মৃত্যু ১১
.............................................................................................
মৌলভীবাজারে পণ্যবাহী ট্রাক উল্টে নিহত ২
.............................................................................................
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
.............................................................................................
চীনের দ্বিতীয় টিকাও ডব্লিউএইচওর অনুমোদন পেল
.............................................................................................
করোনা প্রতিরোধে ‘বঙ্গসেফ ওরো-ন্যাজাল স্প্রে’ উদ্ভাবন
.............................................................................................
‘টিকা দেওয়া মারাত্মক ভুল, এতে শক্তি বাড়ছে কোভিডের’
.............................................................................................
পালস অক্সিমিটার ব্যবহারের নিয়ম
.............................................................................................
করোনার ভারতীয় ধরন নিষ্ক্রিয় করতে পারে কোভ্যাক্সিন
.............................................................................................
বিএসএমএমইউতে স্থাপন করা হচ্ছে ২০ হাজার লিটার ক্ষমতা সম্পন্ন অক্সিজেন ট্যাংক
.............................................................................................
আগামী মাসের শুরুতে ২১ লাখ টিকা পাবে বাংলাদেশ
.............................................................................................
করোনাভাইরাস মারার মাস্ক আবিস্কার করলেন গবেষকরা
.............................................................................................
করোনার ‘নতুন ধরণ ও মিউটেশন’ দেশে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে
.............................................................................................
নতুন আরও ৪ উপসর্গ নিয়ে এসেছে করোনা
.............................................................................................
মাত্র ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিন বানানো সম্ভব: ডা. জাফরুল্লাহ
.............................................................................................
আপাতত লকডাউন নয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
রোজা রেখে টিকা নেয়া যাবে : সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি
.............................................................................................
দেশে করোনায় ১১ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
ঢামেক হাসপাতালের কোভিড ইউনিটের আইসিইউতে আগুন, ৩ জনের মৃত্যু
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT