রবিবার, ২ অক্টোবর 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিষেক ও শপথ গ্রহণ

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিষেক ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮ টায় আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের জাতীয় অধ্যাপক ইব্রাহীম লেকচার থিয়েটারে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এসময় ইন্টার্ন ডাক্তারদের শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ডা. মাহমুদা হাসান। আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আশরাফ-উজ-জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা এস এম হারুন অর রশিদ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পেডিয়েট্রিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এআরএম লুৎফুল কবীর, মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. খায়রুল ইমাম, গাইনী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. হোসনে আরা খাতুন, সার্জারী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সরদার মো: রেজাউল ইসলাম প্রমূখ। এসময় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইন্টার্ন পিরিয়ডের নিয়ম-নীতি এবং লগ বুক সম্পর্কে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেন আদ্-দ্বীন হাসপাতালসমূহের মহা-পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন। এসময় তিনি বলেন, ‘আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ব্যস্ততম একটি হাসপাতাল। স্বল্প খরচে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদান করাই আদ্-দ্বীনের লক্ষ্য। এখানে সবধরণের রোগী সেবা নিতে আসে। সকলকে সঠিকভাবে সেবা দিয়ে ভাল ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি ভাল মানুষ হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর বলেন,“একাডেমিক পড়ালেখা শেষ করে ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে পেশা জীবনে প্রবেশের মাধ্যমে তোমাদের দায়িত্ব বহুগুনে বেড়ে গেছে। তোমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে।” তিনি আরও বলেন, “হাসপাতাল হলো ডাক্তারদের সেকেন্ড হোম। যারা হাসপাতালে যত বেশি সময় দিবে তারা তত বেশি শিখবে। সিনিয়র ডাক্তার ও নার্সদের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে।” তিনি পেশা জীবনে সকলের সফলতা কামনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. আশরাফ-উজ-জামান বলেন, তোমরা দীর্ঘ শিক্ষা জীবন শেষ করে ইন্টার্ন ডাক্তার হিসেবে পেশা জীবনে প্রবেশ করেছো। এখনো তোমাদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি, স্বপ্ন পূরণের তীরে এসেছো মাত্র।  এই সময়টি তোমাদের শেখার সময়। তাই বিন্দুমাত্র অবহেলা না করে প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগাতে হবে। ভালো ভাবে ইন্টার্ন শেষ করে আদ্-দ্বীনের মুখ উজ্জ্বল করবে।

উল্লেখ্য,আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের (নবম ব্যাচ) ৫৬ জন শিক্ষার্থী এমবিবিএস সম্পন্ন করে ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিষেক ও শপথ গ্রহণ
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিষেক ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮ টায় আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের জাতীয় অধ্যাপক ইব্রাহীম লেকচার থিয়েটারে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এসময় ইন্টার্ন ডাক্তারদের শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ডা. মাহমুদা হাসান। আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আশরাফ-উজ-জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা এস এম হারুন অর রশিদ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পেডিয়েট্রিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এআরএম লুৎফুল কবীর, মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. খায়রুল ইমাম, গাইনী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. হোসনে আরা খাতুন, সার্জারী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সরদার মো: রেজাউল ইসলাম প্রমূখ। এসময় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইন্টার্ন পিরিয়ডের নিয়ম-নীতি এবং লগ বুক সম্পর্কে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেন আদ্-দ্বীন হাসপাতালসমূহের মহা-পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন। এসময় তিনি বলেন, ‘আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ব্যস্ততম একটি হাসপাতাল। স্বল্প খরচে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদান করাই আদ্-দ্বীনের লক্ষ্য। এখানে সবধরণের রোগী সেবা নিতে আসে। সকলকে সঠিকভাবে সেবা দিয়ে ভাল ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি ভাল মানুষ হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর বলেন,“একাডেমিক পড়ালেখা শেষ করে ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে পেশা জীবনে প্রবেশের মাধ্যমে তোমাদের দায়িত্ব বহুগুনে বেড়ে গেছে। তোমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে।” তিনি আরও বলেন, “হাসপাতাল হলো ডাক্তারদের সেকেন্ড হোম। যারা হাসপাতালে যত বেশি সময় দিবে তারা তত বেশি শিখবে। সিনিয়র ডাক্তার ও নার্সদের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে।” তিনি পেশা জীবনে সকলের সফলতা কামনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. আশরাফ-উজ-জামান বলেন, তোমরা দীর্ঘ শিক্ষা জীবন শেষ করে ইন্টার্ন ডাক্তার হিসেবে পেশা জীবনে প্রবেশ করেছো। এখনো তোমাদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি, স্বপ্ন পূরণের তীরে এসেছো মাত্র।  এই সময়টি তোমাদের শেখার সময়। তাই বিন্দুমাত্র অবহেলা না করে প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগাতে হবে। ভালো ভাবে ইন্টার্ন শেষ করে আদ্-দ্বীনের মুখ উজ্জ্বল করবে।

উল্লেখ্য,আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের (নবম ব্যাচ) ৫৬ জন শিক্ষার্থী এমবিবিএস সম্পন্ন করে ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

বেড়ে গেছে চোখ ওঠার সমস্যা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে চোখ ওঠার সমস্যা। তবে এর জন্য বাড়তি দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই। সাময়িক কষ্ট হলেও এটি মারাত্মক নয়। চোখ ওঠা সমস্যা এক-দেড় সপ্তাহের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে চোখ ওঠার সমস্যা দেখা দিলে ফেলে রাখা যাবে না। বরং নিতে হবে যত্ন। নয়তো ভোগান্তি বাড়তে পারে।

চোখ ওঠার কারণ
চোখ ওঠার প্রধান কারণ হতে পারে ভাইরাস। এছাড়া ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণেও দেখা দিতে পারে এই সমস্যা। চোখ ওঠার সমস্যা দেখা দিলে চোখ লাল হয়ে যায়। থাকে ব্যথা ও খচখচে ভাব। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভাইরাসের কারণেই চোখ ওঠার সমস্যা দেখা দেয়। অপরিষ্কার জীবনযাপনের কারণে এই সমস্যা বেশি হয়।

চোখ ওঠার লক্ষণ
* চোখ লাল হয়ে যাওয়া
* ঘুম থেকে ওঠলে চোখ আঠা আঠা লাগা
* সব সময় চোখের ভেতর কিছু একটা পড়েছে এমন অনুভূতি
* চোখ চুলকানো এবং জ্বালাপোড়া করা
* আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি লাগা
* সবকিছু ঘোলা ঘোলা দেখা
* চোখ দিয়ে পানি পড়া
* চোখের কোনায় ময়লা জমা
* চোখ ফুলে যাওয়া।
চোখ ওঠার সমস্যায় করণীয়

পানির ঝাপটা দিন
সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখে পরিষ্কার পানির ঝাপটা দিতে হবে। চোখে কোনো ধরনের নোংরা পানি, ধুলোবালি যেন প্রবেশ না করে সেদিকে খেয়াল রাখুন। চোখ আঠালো হয়ে থাকলে বার বার পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। অকারণে চোখে হাত দেওয়া যাবে না।

সানগ্লাস ব্যবহার করুন
আপনার চোখ আক্রান্ত হলে সেখান থেকে আরও অনেকের আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকে। তাই চোখ ওঠার সমস্যা দেখা দিলে সম্ভব হলে বাড়িতে থাকুন। যদি বাইরে বের হতে হয় তবে অবশ্যই সানগ্লাস পরে বের হবেন। এটি আপনাকেও সুরক্ষিত রাখবে। রোদের কারণে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

সতর্ক থাকুন
চোখ ওঠা যেহেতু ছোঁয়াচে রোগ তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে দূরে থাকতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, তোয়ালে, বিছানাপত্র অন্য কেউ ব্যবহার করবেন না। সেইসঙ্গে বিরত থাকতে হবে হ্যান্ডশেক বা জড়িয়ে ধরা থেকেও। অপরিষ্কার হাতে চোখ স্পর্শ করবেন না।

ড্রপ ব্যবহার
ভাইরাসের পর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটতে পারে। সেজন্য দিনে তিন-থেকে চারবার চোখের ড্রপ ব্যভহার করতে পারেন। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ না হলেও সেকেন্ডারি ইনফেকশন প্রতিরোধ করার জন্য ড্রপ ব্যবহার করা যায়। চোখে চুলকানি থাকলে সেজন্য ওষুধ সেবন করতে হতে পারে। তবে সবটাই করবেন চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে। নিজ থেকে কোনো ড্রপ বা ওষুধ ব্যবহার করবেন না। এতে উপকারের বদলে ক্ষতি বেশি হতে পারে।

বিশ্ব হার্ট দিবস: প্রতিবছর হৃদরোগে ২ লাখ ৭৭ হাজার মৃত্যু দেশে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বিশ্ব হার্ট দিবস আজ ২৯ সেপ্টেম্বর। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য, ‘ইউজ হার্ট ফর এভরি হার্ট।’ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হবে।

চিকিৎসা শাস্ত্রের পরিভাষায় হৃদরোগকে বলা হয় মাইয়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন। চিকিৎসকেরা বলে থাকেন সচল থাকতে গোটা শরীরের মতো হৃদ্যন্ত্রের অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। আর করোনারি ধমনি হৃদ্যন্ত্রে ওই অক্সিজেন সরবরাহ করে। কিন্তু অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অনিয়মিত জীবনযাপনে করোনারি ধমনির ভেতরের দেওয়ালে চর্বি জমে যায়।

এর ফলে সময়ের সঙ্গে অক্সিজেন সরবরাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফুসফুসে রক্তের সরবরাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে কার্ডিয়াক ইস্কেমিয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়, যাতে হৃদ্যন্ত্রে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। বেশ কিছু সময় পর্যন্ত বুঝতে না পারলে, বা চিকিৎসায় দেরি হলে হৃদযন্ত্রের কোষগুলোর একে একে মৃত্যু ঘটে। তাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন মানুষ।

পৃথিবীব্যাপী সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটে হৃদরোগে, যার অন্যতম প্রধান কারণ তামাক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতিবছর বিশ্বে ১৯ লাখ মানুষ তামাক ব্যবহারজনিত হৃদরোগে মৃত্যুবরণ করে। বাংলাদেশে প্রতিবছর ২ লাখ ৭৭ হাজার মানুষ হৃদরোগে মারা যায়, যার ২৪ শতাংশের জন্য দায়ী তামাক।

গ্লোবাল বারডেন অফ ডিজিজ স্টাডি (জিবিডি) ২০১৯’র তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মৃত্যু এবং পঙ্গুত্বের প্রধান চারটি কারণের একটি তামাক। বর্তমানে প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর ৩৫.৩ শতাংশ (৩ কোটি ৭৮ লাখ) তামাক ব্যবহার করছে যা হৃদরোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে।

এই পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংশোধনীর মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। খসড়া সংশোধনীতে সকল পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ‘ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান’ রাখার বিধান বিলুপ্ত করা, বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্য বা প্যাকেট প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা, তামাক কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করাসহ সব ধরনের খুচরা বা খোলা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ করাসহ বেশ কিছু প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে খসড়াটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে অংশীজনের মতামত গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে এক প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা’র (প্রগতির জন্য জ্ঞান) নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, ‘তামাকজনিত হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আইন সংশোধনের পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োপযোগী। তামাক কোম্পানির অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে খসড়াটি দ্রুত চূড়ান্ত করতে হবে।’

হার্ট বা হৃৎপিণ্ড সুস্থ–সবল রাখতে খাদ্যাভ্যাস বেশ বড় ভূমিকা পালন করে। এ জন্য বিশেষজ্ঞরা খাদ্যাভ্যাসের দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। আঁশযুক্ত খাবার যেমন শাকসবজিতে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল আছে। এটি হার্টের জন্য ভালো। আর চর্বিযুক্ত খাবার, গরু বা খাসির মাংস কম করে খেতে হবে।

রান্নার সময় উদ্ভিজ্জ তেল ব্যবহার করতে হবে। তবে একবার তেল দিয়ে রান্না করার পর দ্বিতীয়বার সেই একই তেল ব্যবহার করা যাবে না। অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার, ফাস্টফুড পরিহার করতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে ভাত, চিনি, লবণ—এই তিন ধরনের খাবার হার্টের জন্য খারাপ। এ জন্য পুষ্টিবিদেরা এই খাবারগুলোকে ‘সাদা বিষ’ বলে থাকেন। এ খাবারগুলো একেবারে কম পরিমাণে খেতে পারলেই ভালো।

এছাড়া হার্টের সুস্থতার জন্য অবশ্যই উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ধূমপান, গুল, জর্দা থেকে দূরে থাকতে হবে। নিয়মমাফিক হাঁটাচলা ও ব্যায়াম করতেই হবে।

অক্টোবরের পর টিকা নাও পেতে পারেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশে এখনো করোনা টিকার প্রথম ডোজ নেয়নি প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ, দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি প্রায় ৯৪ লাখ মানুষ। তাদেরকে দ্রুত টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ৩ অক্টোবর থেকে প্রথম ডোজ বন্ধ হতে পারে। এরমধ্যেই প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজে বাদ পরা মানুষদের টিকা নিতে হবে।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর হোটেল রেডিসনে আয়োজিত ‌৫-১১ বছরের শিশুদের কোভিড-১৯ টিকা কার্যক্রম বিষয়ক জাতীয় অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, অক্টোবরের পর হয়তো আমাদের কাছে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের জন্য টিকা থাকবে না। যেগুলো থাকবে, সেগুলোরও মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। যারা এখনো প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ নেননি, তারা দ্রুত নিয়ে নিন। অক্টোবরের পরে টিকা নাও পেতে পারেন।

তিনি বলেন, টিকা কার্যক্রমে আমাদের আড়াই লাখ লোক কাজ করছে, এরমধ্যে ভ্যাকসিনেটরই রয়েছেন ৬০ হাজার। সবাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকা নিয়ে নিন। আমরা এখন পর্যন্ত ৩০ কোটি ডোজ টিকা দিয়েছি। শিশুদের টিকাদান প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ১০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। আমাদের এখনো সোয়া ২ কোটি শিশুকে টিকা দিতে হবে। তার মানে ৪ কোটির বেশি ভ্যাকসিন এখনো প্রয়োজন। আমরা মাত্র শুরু করেছি। শিশুদের টিকা কার্যক্রম আরও অনেক বাকি আছে।

জাহিদ মালেক বলেন, করোনা বেড়ে গেলে আবারও অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে, স্বাস্থ্য সেবায় প্রভাব পড়বে। সংক্রমণ কিন্তু আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে, আমাদেরকে সচেতন হতে হবে। আমরা যেন মাস্ক পরা ভুলে গেছি, মাস্ক বড় হাতিয়ার। ভালো দিক হলো মৃত্যু হার কমেছে, আমরা সন্তুষ্ট নই, করোনাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

এদিকে ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের (প্রাথমিকের শিক্ষার্থী) জেলা-উপজেলা পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি আগামী ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে। দেশের ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৮ হাজার ৭৩৭ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন
                                  

স্বাধীন বাংলা রিপোর্ট : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীনে দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই হাসপাতালের উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য সেবার নব দিগন্ত উন্মোচিত হবে। চিকিৎসা গ্রহণে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কমে আসবে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানা যায়, ৭৫০ শয্যার হাসপাতালে বিভিন্ন বিভাগে থাকবে ১৪টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার, ১০০ শয্যার আইসিইউ। জরুরি বিভাগে থাকবে ১০০ শয্যা, ভিভিআইপি কেবিন ছয়টি, ভিআইপি কেবিন ২২টি এবং ডিল্যাক্স শয্যা থাকবে ২৫টি। সেন্টারভিত্তিক প্রতিটি ওয়ার্ডে থাকবে আটটি করে শয্যা। এক্স-রে, এমআরআই, সিটি-স্ক্যানসহ অত্যাধুনিক সব পরীক্ষা নিরীক্ষার সুবিধা থাকবে এ হাসপাতালে।

হাসপাতালটিতে প্রথম পর্যায়ে থাকবে অটিজম সেন্টার, ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ কেয়ার সেন্টার, ইমার্জেন্সি মেডিক্যিাল কেয়ার সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সেন্টার, কার্ডিও ও সেরিব্রো ভাস্কুলার সেন্টার এবং কিডনি সেন্টার।

দ্বিতীয় পর্যায়ে থাকবে রেসপিরেটরি মেডিসিন সেন্টার, জেনারেল সার্জারি সেন্টার, অপথালমোলজি, ডেন্টিস্ট্রি, ডার্মাটোলজি সেন্টার এবং ফিজিক্যাল মেডিসিন বা রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার। এখানে বিশ্বমানের চিকিৎসা বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন, রোবোটিক অপারেশন, জিন থেরাপির ব্যবস্থাও থাকবে।

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মোট ৩শ’ চিকিৎসক ও ১২শ’ স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করার কথা রয়েছে। হাসপাতালটিতে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ৮০ জন চিকিৎসকসহ মোট ১৪০ জন নার্স ও কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ২২ জন চিকিৎসকসহ ৪৬জন কর্মকর্তা কোরিয়া থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরেছেন। আরও একটি দল প্রশিক্ষণ নিতে যাবে।

ছয়টি বিশেষায়িত সেন্টারের মাধ্যমে চলা এ হাসপাতালে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের পাশাপাশি দু’বছরের জন্য ৫৬ জন কোরীয় কনসালট্যান্ট কাজ করবেন। যারা দেশীয় জনবল আরও দক্ষ করতে অবদান রাখবেন।

জনগণের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকল্পে ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দেশের প্রথম সেন্টার ভিত্তিক সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদিত হয়। ২০১৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে কোরিয়া সরকার দিয়েছে এক হাজার কোটি টাকা, বাংলাদেশ সরকারের ৩৩০ কোটি টাকা, বিএসএমএমইউর ফান্ড থেকে দেওয়া হয়েছে ১৭০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ সরকার ও কোরিয়া এক্সিম ব্যাংকের (ইডিসিএফ, ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড) মধ্যে ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর প্রকল্পের ঋণচুক্তি সম্পাদিত হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদল। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিপাবলিক অব কোরিয়ার মান্যবর রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং কিউন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

স্বাধীন বাংলা/এআর

বিএসএমএমইউ`র ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনে লিভার রোগ সংক্রান্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত
                                  

স্বাধীন বাংলা অনলাইন : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনে গত ১১ সেপ্টেম্বর একিউট অন ক্রনিক লিভার ফেইলিউর বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এই সেমিনারে একিউট অন ক্রনিক লিভার ফেইলিউর (এসিএলএফ) বিষয়ক কিনোট পেপার উপস্থাপন করেন ভারতের হায়াদ্রাবাদের গ্লোবাল হাসপাতালের কনসাল্টেন্ট হেপাটোলজিস্ট ডা. চন্দন কুমার। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন একই হাসপাতালের লিভার ট্রান্সপ্লান্ট সার্জন ডা. রাঘাবেন্দ্র বাবু।

ডা. চন্দন কুমার এবং ডা. রাঘাবেন্দ্র বাবু ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি বিভাগটির কার্যক্রমের প্রশংসা করে আশা প্রকাশ করেন যে ভবিষ্যতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ডিভিশনটির সাথে তারা তাদের হাসপাতালের বৈজ্ঞানিক এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে কোলাবোরেশন গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

উল্লেখ্য গত বছরের ৭ জুলাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের এক আদেশবলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ডিভিশন প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই লিভার রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসা প্রচলনের পাশাপাশি লিভার বিষয়ক গবেষনা প্রসারে ডিভিশনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এরই মধ্যে ডিভিশনটিতে লিভার ফেইলিওরের চিকিৎসায় লিভার ডায়ালাইসিস ও প্লাজমা এক্সচেঞ্জ, লিভার সিরোসিস রোগীদের জন্য অটোলোগাস হেমোপয়েটিক স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্টেশন, লিভার ক্যান্সারের চিকিৎসায় ট্রান্সআর্টারিয়াল কেমোএম্বোলাইজেশন এবং পিত্তনালীর রোগ নির্নয়ে স্পাই গ্লাস কোলাঞ্জিওস্কোপি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন শহরে ডিভিশনটির ফ্যাকাল্টি মেম্বারদের সহযোগিতায় অটোলোগাস হেমোপয়েটিক স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্টেশন এবং ট্রান্সআর্টারিয়াল কেমোএম্বোলাইজেশনের মত আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি চালু করা সম্ভব হয়েছে।

এ বছরের ৭ জুলাই ডিভিশনটির প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাণী প্রদান করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সেদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিভিশনটির উদ্যোগে স্পাই গ্লাস কোলাঞ্জিওস্কোপি ও ট্রান্সআর্টারিয়াল কেমোএম্বোলাইজেশন লাইভ ডেমন্সট্রেশনের ব্যবস্থা করা হয়।

পাশাপাশি চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষনায় জোড় দেয়া হচ্ছে ডিভিশনটিতে। এরই মধ্যে ডিভিশনটিতে চালু করা হয়েছে বাংলাদেশে যৌথভাবে উদ্ভাবিত হেপাটাইটিস বি’র ইমিউনথেরাপী ন্যাসভ্যাকের আরো একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়েল। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সাথে ডিভিশনটির বেশ কয়েকটি গবেষনা প্রকল্প চলমান আছে। বাংলাদেশে উদ্ভাবিত বাংলাদেশের নিজস্ব কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ‘বঙ্গভ্যাক্সের’ ফেইজ-১ হিউম্যান ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালটিও সামনে এই ডিভিশনেই শুরু হতে যাচ্ছে। বানর এবং মানুষের শরীরে বঙ্গভ্যাক্সের ক্লিনিক্যিাল ট্রায়ালগুলোর প্রধান গবেষক হিসেবে আছেন ডিভিশনটির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল।

যশোরে ওমিক্রনের নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত
                                  

হাবিবুর রহমান হবি, যশোর
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে তিন বাংলাদেশি নাগরিকের শরীরে করোনা ভাইরাসের ওমিক্রন ধরনের নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে বিএ ২.৭৫। রোববার (০৪ সেপ্টেম্বর) জিনোম সেন্টারের একদল গবেষক যশোরের তিনজন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর থেকে সংগৃহীত ভাইরাসের আংশিক (স্পাইক প্রোটিন) জিনোম সিকুয়েন্সের মাধ্যমে করোনার নতুন এই সাব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করে। মঙ্গলবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় যবিপ্রবির জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক আব্দুর রশিদ।

যবিপ্রবির গবেষক দলটি জানায়, আক্রান্ত তিনজন ব্যক্তিই পুরুষ। যাদের একজনের বয়স ৫৫ এবং বাকি দুইজনের বয়স ৮৫ বছর। আক্রান্তদের মধ্যে একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং অন্যান্যরা বাসাতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্তদের জ্বর, গলা ব্যথা, সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন মৃদু উপসর্গ রয়েছে। গবেষক দলটি আরও জানায়, বিএ ২.৭৫ সাব-ভ্যারিয়েন্টের স্পাইক প্রোটিনে ওমিক্রনের বিএ ২ ভ্যারিয়েন্টের মতোই মিউটেশন দেখা যায়। ওমিক্রনের এই সাব-ভ্যারিয়েন্টটি জুলাই মাসে ভারতে প্রথম শনাক্ত হয়। গত আগস্টে এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শনাক্ত হয়। টিকা নেওয়া ব্যক্তিরাও এই সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হচ্ছেন। আগামী দিনে এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট বর্তমানে সংক্রমণশীল অন্যান্য সাব-ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় বেশি সংক্রমণ ঘটাতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা।

করোনার এই নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের বিষয়ে যবিপ্রবির উপাচার্য ও জেনোম সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এই সাব-ভ্যারিয়েন্টটি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সহজেই ফাঁকি দিতে সক্ষম। এজন্য মাস্ক ব্যবহারসহ কঠোরভাবে করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বিকল্প নেই। তিনি জানান, শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্স করে এ বিষয়ে আরও তথ্য জানা সম্ভব হবে এবং এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তকরণের কাজ জিনোম সেন্টারে অব্যাহত থাকবে।

যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বে করোনার নতুন এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তে গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন- বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাসান মো. আল-ইমরান, পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানভীর ইসলাম, ড. সেলিনা আক্তার, ড. অভিনু কিবরিয়া ইসলাম, জিনোম সেন্টারের গবেষণা সহকারী প্রশান্ত কুমার দাস, মো. আলী আহসান সেতু প্রমুখ।

ভবিষ্যত মহামারি মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:
ভবিষ্যতে যেকোনো মহামারি মোকাবিলায় বিশ্ব প্রতিনিধিদের সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে বিভিন্ন মহামারি আসতে পারে, তাই সেগুলো মোকাবিলায় বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোকে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য গবেষণায় সবাইকে আরো জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। সোমবার ভুটানের পারো শহরে ৫ দিনব্যাপী শুরু হওয়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক সভা সাউথ ইস্ট এশিয়ান রিজিওনাল অর্গানাইজেশনের (এসইএআরও) পাঁচ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় জাহিদ মালেক করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সেসব বিষয় তুলে ধরেন। একইসঙ্গে কোভিড মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফলপ্রসূ দিক নির্দেশনা ও সার্বিক পরামর্শের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। সভার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং। পাঁচ দিনব্যাপী আঞ্চলিক সভায় সদস্য দেশগুলো উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কৌশল অন্যদেশে কীভাবে সাফল্যের সঙ্গে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে সাফল্য অর্জন করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এসইএআরও-ভুক্ত দেশগুলো ভবিষ্যতে মহামারি মোকাবিলা, কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনা, সার্বজনীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাসহ অসংক্রামক ব্যাধি মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণসহ সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে একযোগে কাজ করার কৌশল নির্ধারণ করবে।

সভায় এসইএআরও ভুক্ত ১০টি দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের মধ্যে ৮টি দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অংশগ্রহণ করেছেন। সভায় বাংলাদেশের পক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৬ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল অংশ নিয়েছে। প্রতিনিধিরা হচ্ছেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম, উপ-সচিব খন্দকার জাকির হোসেন, উপ-সচিব মোহাম্মদ শাহাদত খন্দকার, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক মেখালা সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. আরাফাতুর রহমান।

এই ৭ খাবার `বিষ` ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ব্লাড সুগার রোগীদের খাবার-দাবারে খুব যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা একমত যে আপনি যে খাবার খান তা আপনার রক্তে শর্করার মাত্রার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

ডায়াবেটিস একটি মারাত্মক রোগ এবং এর স্থায়ী কোনও চিকিৎসা নেই। এটি শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর জীবনধারা এবং খাদ্যের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। এই কারণেই ব্লাড সুগার রোগীদের খাবার-দাবারে খুব যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা একমত যে আপনি যে খাবার খান তা আপনার রক্তে শর্করার মাত্রার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে শর্করা ক্রমাগত ওঠানামা করতে থাকে এবং দীর্ঘ সময় ধরে এই কারণে তাঁদের অনেক গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হতে হতে পারে (Diabates Control Tips)। ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে তৃষ্ণা বৃদ্ধি, প্রস্রাব, ওজন হ্রাস, ক্লান্তি এবং দুর্বল দৃষ্টিশক্তি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস (Blood Sugar Tips) রোগীদের এমন খাবার খাওয়া উচিত, যার গ্লাইসেমিক সূচকের মাত্রা কম। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার কিছু চেনা জিনিসই কিন্তু রক্তে শর্করাকে দ্রুত বাড়াতে অনুঘটকের মতো কাজ করে যা আমরা খেয়ালও করি না অনেক ক্ষেত্রে এবং আপনি ডায়াবেটিস রোগী (Diabates Control Tips) হলে এই ধরণের খাবারগুলির সেবন এড়িয়ে চলাই উচিত।

কফি:
অনেকেই প্রতিদিন সকালে কফি বা চা পান করতে পছন্দ করেন। জেনে রাখুন এটি আপনার রক্তে শর্করাকে বাড়িয়ে দিতে পারে। পরিবর্তে আপনি ব্ল্যাক চা বা গ্রিন টি খেতে পারেন। যদিও ক্যাফিন বিভিন্ন মানুষকে ভিন্ন ভিন্নভাবে প্রভাবিত করে, আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে তবে আপনার ক্যাফিন গ্রহণ কমানো উচিত।

ড্ৰাই ফ্রুটস:
কিশমিশ এবং ক্র্যানবেরির মতো শুকনো ফলগুলিতে চিনির পরিমাণ বেশি থাকে। এছাড়া এতে কার্বোহাইড্রেট ও প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণও বেশি থাকে। এগুলি খুব বেশি খাওয়া আপনার রক্তে শর্করাকে বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে আপনার শুধুমাত্র এক মুঠো বা ৩০ গ্রাম খাওয়া উচিত (Diabates Control Tips)।

সাদা ব্রেড:
সাদা ব্রেড এবং এমনকি সাদা ভাতেও সাধারণ কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরে গিয়ে সহজেই ভেঙে যায় এবং গ্লুকোজে পরিণত হয় (Diabetes)। এছাড়াও, এগুলিতে সামান্য ফাইবার রয়েছে এবং ফাইবার আসলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। সাদা ব্রেডের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য কারণ এতে সমস্ত ধরণের ময়দা রয়েছে। একইভাবে পাস্তা এবং নুডলসও পরিত্যাজ্য এই ময়দার কারণে।

রেড মিট :
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে রেড মিট এবং প্রসেস্ড মাংস যেমন বেকন এবং হ্যাম সবই স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ, যা আপনার রক্তে শর্করার (Diabetes)মাত্রা বাড়াতে পারে। উপরন্তু, অত্যধিক প্রোটিন আপনার ইনসুলিনের মাত্রাও বাড়িয়ে দিতে পারে।

দুধ:
দুধ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য অবশ্যই আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা (Blood Sugar Tips) বাড়াতে কাজ করে। দুধে ল্যাকটোজ থাকে, যা এক ধরনের চিনি যা সহজে হজম হয়। কিন্তু এটিতে এমন প্রোটিনও রয়েছে যা এই প্রতিক্রিয়াকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হতে পারে এবং তাই, পরিমিত পরিমাণে দুধ পান করা ঠিক।

মশলাদার খাবার-সহ দুধ:
দুধ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য অবশ্যই আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে কাজ করতে পারে। সেক্ষেত্রে মশলাদার খাবার আরও বাড়িয়ে দেয় তা। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে আপনি যদি মশলাদার খাবার খান, তবে তার পরে আপনার দুধ বা অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।

কলা:
কলা, আঙুর, চেরি এবং আমের মতো কিছু ফল কার্বোহাইড্রেট এবং চিনিতে পরিপূর্ণ থাকে এবং রক্তে শর্করা বাড়াতে প্রবলভাবে কাজ করে। এর কারণ তাদের মধ্যে পাওয়া প্রাকৃতিক চিনি। এগুলো সবই হাই গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ফল, যেগুলো কোনও নির্দিষ্ট খাবার খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়।

এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। এটি কোনওভাবেই কোনও ওষুধ বা চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। আরও বিস্তারিত জানার জন্য সর্বদা আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

অবৈধ ক্লিনিক বন্ধে অভিযান
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
দেশের সব বেসরকারি অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাডব্যাংক আগামী ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ নিশ্চিত করতে সোমবার থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে অভিযান চালাবে অধিদপ্তর। যা চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এ সংক্রান্ত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযানের কথা জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর।

তিনি বলেন, “আগে আমরা ৭২ ঘণ্টার সময় দিয়ে অভিযান চালিয়েছিলাম। এবার এই অভিযান হবে ৯৬ ঘণ্টার। অর্থাৎ সোমবার থেকে এই সপ্তাহের পুরোটাই চলবে। এরপর আমরা অভিযানের সামারি নিয়ে শনিবার বা রবিবার বসব।” অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে আছেন। তিনি আমাদের আগের চেয়ে জোরদার করে অভিযান চালাতে বলেছেন।”

এর আগে গত ২৬ মে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের সব অনিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দিয়ে আরেকটি অভিযান চালায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ওই অভিযানে রাজধানীসহ সারা দেশে বন্ধ হয়েছিল ১ হাজার ৬৪১টি অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাডব্যাংক এবং অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠান চালানোর অপরাধে জরিমানা থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয় ২৫ কোটি ১৮ লাখ ৫২ হাজার ৮৬৭ টাকা।

নতুন অভিযানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত অভিযানের পর গত তিন মাসে যেসব ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাডব্যাংক নিবন্ধন পায়নি এমন প্রতিষ্ঠানও কার্যক্রম চালাতে পারবে না।

লাইসেন্স নেই- এমন বেসরকারি ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার-ব্লাডব্যাংকে কর্মরত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ডা. আহমেদুল কবীর। তিনি বলেন, “অনিবন্ধিত বা বৈধতা নেই এমন প্রতিষ্ঠানে কাজ করা চিকিৎসক বৈধ হলেও কর্মকাণ্ড অবৈধ বলে বিবেচনা করা হবে।”

এক্ষেত্রে এসব চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

শুরু হয়েছে শিশুদের করোনা টিকাদান
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের (প্রাথমিকের শিক্ষার্থী) করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখতে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে শিশুদের টিকা দান শুরু হয়, চলবে একটানা বিকেল ৩টা পর্যন্ত। ঢাকার ২১ কেন্দ্রসহ সারাদেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের ৫৫টি জোন ও ৪৬৫টি ওয়ার্ডে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের আগামী ১৪ দিন দেওয়া হবে টিকা। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জায়গায় শুরু হবে শিশুদের টিকা দেওয়ার এ কার্যক্রম।

করোনা প্রতিরোধে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ফাইজারের বিশেষ টিকা দেওয়া হবে। ৩০ জুলাই শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ফাইজারের ১৫ লাখ ২ হাজার ৪০০ ডোজ টিকা দেশে এসেছে। ইতোমধ্যে টিকা দেওয়ার যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে। বুধবার (২৪ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কর্তৃক শিশুদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম কর্মপরিকল্পনায় এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।

এতে বলা হয়, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের ন্যায় বাংলাদেশ সরকার দেশের কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি বিবেচনা করে ২৫ আগস্ট থেকে ৫-১১ বছর বয়সী শিশুদের কোভিড-১৯ টিকাদানের আওতায় আনতে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায়ে এ শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। পরে জেলা, উপজেলা ও পৌরসভাসমূহের স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায়ে এ টিকা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে শিশুদের জন্য প্রথম পর্যায়ে ৩০ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে।

টিকাদান লক্ষ্যমাত্রা
১. সারাদেশের প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ ৫-১১ বছর বয়সী শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২. ২৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী ১৪ দিনব্যাপী ১২টি সিটি কর্পোরেশনে ৫৫টি জোন ও ৪৬৫টি ওয়ার্ড এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
৩. প্রতিদিন ১ হাজার ৮৬০টি টিকাদান টিম কাজ করবে।
৪. ২৫ আগস্ট ১২টি সিটি করপোরেশনের ১৮৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
টিকার ধরন
১. শিশুদের উপযোগী ফাইজারের টিকা।
২. ডোজের সংখ্যা- ২
৩. ডোজের পরিমাণ ০.২ এমএল
৪. প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের ব্যবধান- ৮ সপ্তাহ বা ৫৬ দিন
টিকাদানের জন্য রেজিস্ট্রেশন
১. সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল বা অ্যাপের মাধ্যমে ৫-১১ বছর বয়সসীমার শিশুদের রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ১৭ ডিজিটের ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করতে হবে।
২. যে শিশুদের জন্ম সনদপত্র নেই, তাদের অভিভাবকরা জন্ম সনদপত্র সংগ্রহ করে রেজিস্ট্রেশন করবেন।
৩. বিদেশি পাসপোর্টধারী শিশুদের সুরক্ষা ওয়েবপোর্টাল বা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধিত হওয়ার পূর্বে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নির্ধারিত ‘এক্সেল ছকে’ তথ্য দিতে করতে হবে।

কীভাবে টিকা পাবেন
কোভিড-১৯ টিকা রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে নিজ নিজ স্কুলে ও পরবর্তীতে কমিউনিটি পর্যায়ে (স্কুল বহির্ভূত শিশু) নিকটস্থ কেন্দ্র থেকে টিকা নিতে পারবে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কেন্দ্রসমূহ, আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তরা গার্লস হাই স্কুল, পল্লবী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সেনপাড়া পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমতলী স্টাফ ওয়েলফেয়ার বিদ্যালয়, মহাখালী আব্দুল হামিদ দর্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাজী ইউসুফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিশলয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বটমলি হোম বালিকা বিদ্যালয়, কুর্মিটোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণখান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফায়দাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডুমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাতারকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কেন্দ্রসমূহ, নীলক্ষেত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঙ্গভবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খিলগাঁওঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আজিমপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুরিটোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, করাতিটোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

এর আগে, ১১ আগস্ট দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পরীক্ষামূলকভাবে শিশুদের টিকা পরীক্ষামূলক টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ৩৫ হাজার হাজারের অধিক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

বিশ্বজুড়ে মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এখন পর্যন্ত বিশ্বর ৯২টি দেশ ও অঞ্চলে এ রোগে ৩৫ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ রোগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১২ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস বুধবার জেনেভায় বলেছেন, গত সপ্তাহে মাঙ্কিপক্সে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে যা আগের সপ্তাহের থেকে ২০ শতাংশ বেশি। আক্রান্তের সংখ্যা অধিকাংশই ইউরোপ এবং আমেরিকাতে।

টেড্রোস বলেন, কার্যকর জনস্বাস্থ্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে মাঙ্কিপক্স সংক্রমণ বন্ধে সব দেশকেই প্রাথমিক ফোকাস নিশ্চিত করতে হবে। যার মধ্যে রয়েছে উন্নত রোগ নজরদারি, সতর্ক যোগাযোগের সন্ধান, উপযুক্ত ঝুঁকি যোগাযোগ এবং সম্প্রদায়ের ব্যস্ততা এবং ঝুঁকি হ্রাসের ব্যবস্থা।

বর্তমানে মাঙ্কিপক্স ভ্যাকসিনের বিশ্বব্যাপী সরবরাহ সীমিত রয়েছে।

টেড্রস বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী এবং ভ্যাকসিনের ডোজ ভাগ করতে ইচ্ছুক দেশ ও সংস্থার সাথে যোগাযোগ করছে।

সূত্র : ইউএনবি

যদি পাইলস হয়েই থাকে
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
পাইলস বা হেমোরয়েড প্রচলিত বাংলায় অর্শ্ব বা গেজ রোগও বলা হয়ে থাকে। রোগটির নামকরণ নিয়ে নানা ধরনের জটিলতা রয়েছে। তবে নাম যাই হোক না কেন, পাইলস হচ্ছে মলদ্বারের ভেতরের আবরণি, তার রক্তনালি ও অন্যান্য মাংসপেশির সমন্বয়ে গঠিত একটি কুশন বা গদির ন্যায় নরম অংশ। এটি মলদ্বারের ভেতরেই থাকে। কিন্তু যখন রোগ হিসেবে প্রকাশ পায় তখন ঝুলে বাইরে বের হয়ে আসে বা আসতে পারে। পাইলস কেন হয়? বিভিন্ন কারণে পাইলস হয় বা এর লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।

যেমন: দীর্ঘ সময় টয়লেটে বসে থাকা এবং চাপ প্রয়োগ করে টয়লেট করা, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠকাঠিন্য ব্যক্তিদের এ রোগ বেশি হয়। যারা প্যান-এ টয়লেট করেন, বংশানুক্রমিক কারণ, ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হলে বা হওয়া, রক্তনালির মধ্যে কপাটিকা (ভাল্ব) না থাকা, গর্ভকালীন অবস্থা সহ আরও কিছু কারণ। লক্ষণ বা উপসর্গসমূহ: যাদের টয়লেট করার সময় তাজা রক্ত যায়, মলত্যাগের সময় নরম আবরণি ঝুলে বাইরে চলে আসা, ব্যথা- সাধারণত বাইরে এসে আটকে গেলে অথবা ভেতরে রক্তক্ষরণ হলে, চুলকানি হওয়া বা দেখা দেয়া, আম (মিউকাস) জাতীয় নিঃসরণ। প্রাথমিকভাবে করণীয়: এসব রোগ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।


পাইলস এর চিকিৎসা হাতুড়ে চিকিৎসার মাধ্যমে হলে মলদ্বারের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে, এমনকি মলদ্বার বন্ধও হয়ে যেতে পারে। তাই পাইলস-এর লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর চিকিৎসা নেয়া উচিত। শুরুতেই এর চিকিৎসা নিলে জটিলতা কম হয় এবং ভালো হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এ জন্য প্রথমেই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কর্তৃক রোগ নির্ণয় করানো উচিত। সঠিক রোগ নির্ণয় সঠিক চিকিৎসার পূর্বশর্ত।


চিকিৎসা:

পাইলস-এর পর্যায়ের ওপর এর চিকিৎসা নির্ভর করে। ১ম পর্যায়ে সাধারণত ওষুধ অথবা খাদ্যাভাস পরিবর্তনের মাধ্যমেই ভালো থাকা যায়, ২য় পর্যায়ে চিকিৎসকরা রিং লাইগেশন, ইনজেকশন, সার্জারি করে থাকেন। এই রোগটির ৩য় ও ৪র্থ পর্যায়ে মূলত সার্জারি হয়ে থাকে।


কখন অপারেশন করতে হয়:

পাইলস (অর্শ্ব) হলেই অস্ত্রোপচার করতে হবে এমনটি মনে করে অনেকে চিকিৎসকের কাছে যেতে ভয় পান। অনেক রোগী বলে থাকেন, অপারেশন ছাড়া ঠিক করা যাবে কিনা বা সার্জারির পরে সেটি আবার হবে কিনা। সাধারণত প্রথম স্টেজে পাইলস যখন থাকে, তখন সাধারণত সার্জারির জন্য পরামর্শ দেয়া হয় না। তখন ওষুধ দিয়ে রোগীকে সুস্থ করে তোলা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এসব রোগীর চিকিৎসার দু’টি ধাপ রয়েছে।


প্রথমত:

রোগীর জীবনযাপন পরিবর্তন করা ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা। এ জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা, শাক-সবজি খাওয়া ও প্রয়োজনে ইসবগুলের ভুসি বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে। এরপর যখন সেকেন্ড স্টেজে আসে, তখন সে ক্ষেত্রেও আমরা ওষুধপত্র ও কিছু করণীয় দেয়া হয়। এসবে রোগীর অবস্থার উন্নতি না হলে তখন কাটাছেঁড়া ছাড়াও এই রোগের চিকিৎসা করা যায়। পাইলস-এর চিকিৎসায় আমরা একটা প্রসিডিউর করি, যেটাকে বলা হয় ব্যান্ডিং। একটি রাবার ব্যান্ডের মতো জিনিস, যেটা রক্তনালির টিউমারের মুখে পরিয়ে দেয়া হয়। তখন পাইলস অটোমেটিক্যালি শুকিয়ে ঝরে যায়। আগের চেয়েও যদি বেড়ে যায়, থার্ড বা ফোর ডিগ্রির দিকে চলে আসে, তখন সার্জারি করা হয়। তবে এখন মলদ্বারের কাছে খুব বেশি কাটাছেঁড়ার প্রয়োজন হয় না। আগে কাটাছেঁড়া করা হতো, তখন খুব ব্যথা হতো, রস ঝরতো, বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা হতো; এখন মেশিনের সাহায্যে অপারেশনের ফলে এই অসুবিধাগুলো হয় না। আজকাল কোনো ধরনের দৃশ্যমান কাটাছেঁড়া ছাড়াই মেশিনের মাধ্যমে পাইলস সার্জারি সম্ভব। একে ‘লংগো’ অপারেশন বলা হয়। এর রেজাল্টও ভালো। আগে পাইলস সার্জারির পর দেড় থেকে দুই মাস লাগতো ঘা শুকাতে, এখন এসবের কোনো ঝামেলাই নাই। অপারেশনের পর রোগী দ্রুত সেরে ওঠে, অস্ত্রোপচারের এক থেকে দু’দিনের মধ্যে রোগীরা বাসায় যেতে পারেন। কাজে যোগ দিতে পারেন।


লেখক: সহযোগী অধ্যাপক (কলোরেক্টাল সার্জারি বিভাগ) কলোরেক্টাল, লেপারোস্কপিক ও জেনারেল সার্জন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। চেম্বার: ১৯ গ্রীন রোড, একে কমপ্লেক্স, লিফট-৪, ঢাকা। ফোন-০১৭১২-৯৬৫০০৯

ওষুধেরও বাড়তি দাম, দিশেহারা মানুষ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক
লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধিতে দিশেহারা মানুষ। রান্নার গ্যাস, ভোজ্যতেল, নিত্যপণ্য তো ছিলই, এরপর সার, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর এবার ওষুধ নিয়েও উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ। আশঙ্কা, আকাশ ছুঁতে চলেছে ওষুধের দাম। দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিসের মূল্যবৃদ্ধিতে স্বস্তি তো ছিলই না, এখন ওষুধের বাড়তি দামে বাড়ছে অস্বস্তি। গত একমাসে ১৫ থেকে ৭৫ শতাংশ হারে বেড়েছে ওষুধের দাম। যার ফলে পকেটে টান পড়ছে সাধারণ মানুষের। কার্যত এত দাম দিয়ে ওষুধ কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে তাদের। ওষুধের বাড়তি দাম ওষুধ ব্যবসায়ীদের কপালেও চিন্তার ভাজ ফেলেছে।

তারা জানাচ্ছেন বর্ধিত দামে ক্রেতারা সন্তুষ্ট হতে পারছেন না। ফলে তাদের ব্যবসাতেও একটা বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে। এই মূল্যবৃদ্ধি অস্বস্তিতে ফেলেছে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কেই। গাইবান্ধার ডিবি রোডের ট্রাফিক মোড় এলাকার রেজিয়া মেডিকেল স্টোরের ওষুধ বিক্রেতা মিজানুর রহমান মির্জা জানান, গত এক মাসের বেশি সময় ধরে বেশকিছু ওষুধের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে প্যারাসিটামল ছাড়াও লোসারটান পটাসিয়াম, এমলোডিপিন এটেনোললসহ ওমিপ্রাজল গ্রুপের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ওষুধের ১৫ থেকে ৭৫ শতাংশ দাম বেড়েছে। এছাড়াও কোম্পানিগুলো বাজারে সরবরাহ সীমিত করে প্রায় সকল ওষুধেরই দাম বাড়ানোর ফন্দি আঁটছে। একই এলাকার মন্ডল মেডিকেল স্টোরের শরিফুল কবির রনি জানান, দাম বাড়বে বলে গত মাসে বাজারে প্যারাসিটামল গ্রুপের কিছু ওষুধ পাওয়া যাচ্ছিল না।

খুবই অত্যাবশ্যকীয় এ ওষুধের জন্য রোগীদের বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এর কিছুদিন পর বর্ধিত দামে পুনরায় ওষুধগুলো বাজারে ছেড়েছে কোম্পানিগুলো। এর বাইরে আরও কিছু ওষুধের দামও বেড়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকার ফার্মেসির ওষুধ বিক্রেতারা জানিয়েছেন, দাম বাড়ানোর আগে ওষুধ কোম্পানিগুলো প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। পরে দাম বাড়লে এসব ওষুধ বাজারে ছাড়ে। এরকম কিছু ওষুধের সংকট এখনো আছে। ৮ টাকার এক পাতা নাপা এখন ১২ টাকা করেছে। ৫০ শতাংশ দাম বেড়েছে। নাপা সিরাপ ২০ টাকা, সেটা বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। এটাও ৭৫ শতাংশ দাম বেড়েছে।

বেনজোডায়াজেপিন জেনেরিক নামের ঘুমের ওষুধ ডায়াজেপাম ইনজেকশন আগে ছিল ১১০ টাকা, এখন ৩৬ শতাংশ দাম বেড়ে হয়েছে ১৫০ টাকা। অ্যাসপিরিন জেনেরিক নামের ইকোস্পিরিন ট্যাবলেটের দাম বাড়বে বলেও জানিয়েছেন দোকানিরা। চর্মরোগের মলম ৩৪ টাকার গ্যাকোজিমার ১৩ শতাংশ দাম বেড়ে হয়েছে ৪০ টাকা। এপিনেফ্রিন জেনেরিকের এ্যাড্রিন ইনজেকশনের দাম ছিল ১৬০ টাকা। ৩১ শতাংশ দাম বেড়ে সেটা বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়। অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, খাদ্য-শস্য, সব্জিসহ নিত্যপণ্যের দাম রীতিমতো নাভিশ্বাস তুলেছে তাদের। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে ওষুধ। বাজারে প্রচলিত বহু ওষুধের দামই গত দুই বছরে বেশ কয়েকবার বেড়েছে।

অত্যন্ত ধীরে ধীরে এই দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় টনক হয়তো নড়েনি, কিন্তু মধ্যবিত্তের যাপিতজীবনে ঠিকই এর প্রভাব পড়েছে। তারা বলছেন, উদ্বেগের বিষয় হলো, ওষুধের দাম বৃদ্ধির এই প্রবণতা কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। করোনাকালে ওষুধ এবং চিকিৎসার খরচ হু হু করে বেড়েছে। মাঝেমধ্যেই প্রয়োজনীয়, এমনকি জীবনদায়ী ওষুধও বাজার থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে। কিনতে হয়েছে দ্বিগুণ-তিনগুণ দামে। সেই দাম কেউ আর কমায়নি। বরং দিনে দিনে ওষুধের দাম আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির (বিসিডিএস) কেন্দ্রীয় পরিষদের পরিচালক ও গাইবান্ধা জেলার সিনিয়র সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, গত কয়েক মাসে উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, গ্যাস্ট্রিকসহ বেশকিছু ওষুধের দাম বেড়ে গিয়েছে। তিনি জানান, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সুপারিশের ভিত্তিতে সম্প্রতি স্বাস্থ্যসেবায় বহুল ব্যবহৃত ২০টি জেনেরিকের ৫৩টি ব্র্যান্ডের ওষুধের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। মূলত বাজারে ওষুধের পুনঃনির্ধারিত দামের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

অপারেশন ছাড়াই রক্ষা মিলবে অঙ্গহানি থেকে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
দেশে এখন আর রক্তনালীর ব্লকের কারণে রোগীদের হাত, পা এবং আঙ্গুল কেটে ফেলতে হবে না। এমনকি অপারেশন ছাড়াই চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীদের এই অঙ্গহানি রোধ করা সম্ভব হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) রক্তনালী রোগের যুগান্তকারী চিকিৎসা বিষয়ক সর্বশেষ তথ্য নিয়ে ‘আপডেট অব ভাসকুলার সার্জারি’ বিষয়ক এক সেমিনারে চিকিৎসকরা এ সব তথ্য জানান।
সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুরে বিএসএমএমইউয়ের এ ব্লক অডিটোরিয়ামে এই সেমিনারের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাসকুলার বিভাগ।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইফ উল্লাহ খান।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রাকিবুল হাসান। এছাড়াও স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের রেসিডেন্ট শিক্ষার্থী ডা. সমরেশ চন্দ্র সাহা।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান প্রশাসন এই বিশ্ববিদ্যালয়টিকে এমনভাবে গড়ে তুলছে যাতে সব ধরনের আধুনিক চিকিৎসা এখানেই দেওয়া সম্ভব হয় এবং রোগীদের চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে না হয়। যেসব বিষয়ে এর আগে খুব একটা উন্নতি হয়নি, সেসব বিষয়ের উন্নয়নে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে প্ল্যাস্টিক সার্জারি, ভাসকুলার সার্জারি, থোরাসিক সার্জারি, ইনফার্টিলিটি ইত্যাদি।

তিনি বলেন, চিকিৎসা সেবার সম্প্রসারণে স্থান বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান প্রশাসনের আমলে গবেষণাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গবেষণার জন্য সরকারের যে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে সেখান থেকে চার ভাগের এক ভাগ (২৫ কোটি টাকা) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা পাবেন। এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটা বিরাট অর্জন।

সেমিনারে জানানো হয়, রক্তনালীসমূহের রোগের কারণে মানুষের অঙ্গহানি এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। যে রোগীদের অপারেশন সম্ভব নয় বর্তমানে চিকিৎসার মাধ্যমে অপারেশন ছাড়াই তাদের অঙ্গ রক্ষা করা সম্ভব।

বক্তারা বলেন, রক্তনালীর ব্লকের কারণে পায়ের গ্যাংরিন হয়। স্টেমসেল থেরাপি ও প্রোস্টাগ্লান্ডিন থেরাপির মাধ্যমে নতুন রক্তনালী তৈরি করে বিনা অপারেশনে চিকিৎসা করে রোগীদের পঙ্গুত্ব বরণ করা থেকে মুক্ত রাখা সম্ভব হচ্ছে। ভ্যারিকোস ভেইন বা আঁকাবাঁকা শিরার চিকিৎসায় লেজার থেকে শুরু করে সব ধরনের আধুনিক চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে এই বিভাগে। তাছাড়া আঁকাবাঁকা শিরা না কেটে আরএফএর মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা প্রদান শিগগিরই চালু হবে। এছাড়া রক্তনালী ব্লক, এনিউরিজম, ডিভিটি, টিউমার, ম্যালফরমেশন ইত্যাদি চিকিৎসাসেবা চালু আছে।

আরও বলা হয়, বিএসএমএমইউয়ে কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিসের জন্য ফিস্টুলা নিয়মিতভাবে করা হচ্ছে। ভেনাসজনিত পায়ের আলসার ফোর লেয়ার ব্যান্ডেজ মাধ্যমে এই ক্ষত দূর করা সম্ভব হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের আধুনিক ডুপ্লেক্স স্ক্যান ল্যাবে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ১০ জন রোগীর পরীক্ষা করা হচ্ছে। এছাড়াও বহির্বিভাগে ৫০-৬০ জন রোগী নিয়মিত চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। ছাত্রদের নিয়মিত শিক্ষাদান ছাড়াও গত ২ বছরে ৬ জন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ভাসকুলার সার্জন তৈরি এই বিভাগটির সাফল্যের মধ্যে অন্যতম।

আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ গভর্নিং বডির সভা অনুষ্ঠিত
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ এর গভর্নিং বডির ৩৪ তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় মেডিকেল কলেজের কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এমবিবিএস ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে অসচ্ছল ও মেধা কোটায় ছাত্রী ভর্তির বিষয়ে আলোচনা হয়।

মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা যায়, আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ এর গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ডা. শেখ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে গভর্নিং বডির সভা শুরু হয়। সভায় এমবিবিএস ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে অসচ্ছল ও মেধা কোটায় আবেদনকারী ছাত্রীদের সাক্ষাৎকার গ্রহন করা হয়। এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. আশরাফ-উর-জামান, স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিনিধি অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবীব, সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শাহরিয়ার নবী, শিক্ষানুরাগী প্রতিনিধি আব্দুল মালেক, মন্ত্রনালয় প্রতিনিধি নেওয়াজ হোসেন চৌধুরী, দাতা প্রতিনিধি অধ্যাপক ড. জামালুন্নেসা, অভিভাবক প্রতিনিধি ডা. কে এম জোবায়ের গালীব, পৃষ্ঠপোষক প্রতিনিধি অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর, প্রতিষ্ঠাতা প্রতিনিধি অধ্যাপক ডা. আফিকুর রহমান, শিক্ষক প্রতিনিধি অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন এবং উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষক প্রতিনিধি অধ্যাপক ডা. মাহমুদা হাসান।

গভর্নিং বডির সভা শেষে আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে অসচ্ছল ও মেধা কোটায় নির্বাচিত ও অপেক্ষমান ছাত্রীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। মেধা তালিকায় ৫ জনকে নির্বাচিত এবং ২ জনকে অপেক্ষমান রাখা হয়েছে। নির্বাচিত ছাত্রীরা হলেন, ইয়াসমিন ফেরদৌস, ফরিদা ইয়াসমিন, রেজওয়ানা ফেরদৌস (সাদিয়া), ফাতিমা সরকার তন্বী এবং মোছাঃ সানজিদা আফরোজ দীপা। হুমায়রা নেহরীর শাম্মী এবং জান্নাতুল ফেরদৌস সানজানা অপেক্ষমান তালিকায় রয়েছে। আগামী ৮ আগস্ট ২০২২ এর মধ্যে নির্বাচিতদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

পরে সকাল ১১ টায় বসুন্ধরা আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ এর গভর্নিং বডির ১৮ তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বসুন্ধরা আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে অসচ্ছল ও মেধা কোটায় নির্বাচিত ও অপেক্ষমান ছাত্রীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। মেধা তালিকায় ৩ জনকে নির্বাচিত এবং ২ জনকে অপেক্ষমান রাখা হয়েছে।

 


   Page 1 of 29
     স্বাস্থ্য
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিষেক ও শপথ গ্রহণ
.............................................................................................
বেড়ে গেছে চোখ ওঠার সমস্যা
.............................................................................................
বিশ্ব হার্ট দিবস: প্রতিবছর হৃদরোগে ২ লাখ ৭৭ হাজার মৃত্যু দেশে
.............................................................................................
অক্টোবরের পর টিকা নাও পেতে পারেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন
.............................................................................................
বিএসএমএমইউ`র ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনে লিভার রোগ সংক্রান্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
যশোরে ওমিক্রনের নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত
.............................................................................................
ভবিষ্যত মহামারি মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
.............................................................................................
এই ৭ খাবার `বিষ` ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য
.............................................................................................
অবৈধ ক্লিনিক বন্ধে অভিযান
.............................................................................................
শুরু হয়েছে শিশুদের করোনা টিকাদান
.............................................................................................
মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ৩৫ হাজার হাজারের অধিক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
.............................................................................................
যদি পাইলস হয়েই থাকে
.............................................................................................
ওষুধেরও বাড়তি দাম, দিশেহারা মানুষ
.............................................................................................
অপারেশন ছাড়াই রক্ষা মিলবে অঙ্গহানি থেকে
.............................................................................................
আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ গভর্নিং বডির সভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
কলেরার দ্বিতীয় ডোজ আজ থেকে শুরু
.............................................................................................
নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারনায় মুখরিত আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ
.............................................................................................
শিশুদের জন্য ১৫ লাখ ডোজ টিকা পৌঁছেছে ঢাকায়
.............................................................................................
মাঙ্কিপক্স রুখতে পুরুষদের যৌন সঙ্গী কমানোর পরামর্শ ডব্লিউএইচও’র
.............................................................................................
কাঁকরোল খাওয়ার কি কি স্বাস্থ্যকর উপকারিতা আছে, জানুন
.............................................................................................
করোনা: বাংলাদেশ ভ্রমণে ফের সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের
.............................................................................................
ওষুধের বাজারে অস্থিরতা
.............................................................................................
৫৬ লাখের বেশি মানুষ পেলেন টিকার বুস্টার ডোজ
.............................................................................................
স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিনিধি দলের আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল পরিদর্শন
.............................................................................................
কোভিড: ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে বাড়ল মৃত্যু
.............................................................................................
বঙ্গভ্যাক্স অনুমতি পেলো
.............................................................................................
ভারতে প্রথম মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত রোগীর সন্ধান
.............................................................................................
সারাদেশে বুস্টার ডোজ ক্যাম্পেইনের তারিখ ঘোষণা
.............................................................................................
যে কারণে যৌন শক্তি বাড়ানোর ঔষধের দিকে ঝুঁকছে আরব তরুণরা
.............................................................................................
ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দি
.............................................................................................
পেটে ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করেন ডাক্তার, ৭ মাস পর অপসারণ
.............................................................................................
মূত্রত্যাগের পরেও প্রস্রাবের প্রবল বেগ? এই লক্ষণে সাবধান
.............................................................................................
ফের করোনার সামাজিক সংক্রমণ শুরুর ইঙ্গিত
.............................................................................................
অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকের অধিকাংশেরই মালিক ডাক্তার ও রাজনীতিক
.............................................................................................
অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ
.............................................................................................
সকল স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বিএসএমএমইউ উপাচার্য
.............................................................................................
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেলি ফুলের উপকারিতা
.............................................................................................
বেলজিয়ামে ২১ দিনের মাঙ্কিপক্স কোয়ারেন্টাইন
.............................................................................................
বাংলাদেশে মাঙ্কিপক্স নিয়ে সতর্কতা জারি
.............................................................................................
এই ছয়টি রোগই নীরব ঘাতক`! অবশ্যই সতর্ক থাকুন
.............................................................................................
মৃত্যু নেই, শনাক্ত নেমেছে ৪ জনে
.............................................................................................
টিকা নিয়ে টিআইবি’র প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
.............................................................................................
দেশে প্রথম প্রতিস্থাপিত হার্ট ভাল্বে নতুন করে ভাল্ব প্রতিস্থাপন
.............................................................................................
ঢাকায় ২৩ লাখ মানুষ কলেরার টিকা পাবেন
.............................................................................................
২২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু নেই
.............................................................................................
দেশে বুস্টার ডোজ পেলেন ১ কোটি ৫ লাখ মানুষ
.............................................................................................
রাজধানীতে ডায়রিয়া বৃদ্ধি, ঘণ্টায় ৬০ রোগী ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে
.............................................................................................
পাইলস কখন হয়, প্রতিরোধের উপায়
.............................................................................................
বছরে তামাকজনিত রোগে মারা যায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT