বৃহস্পতিবার, ২৬ মে 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টাকারী মুফতি আব্দুল হাই গ্রেপ্তার

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মুফতি আব্দুল হাইকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আজ বুধবার রাতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজ (বুধবার) রাতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-১১। মুফতি আব্দুল হাই নিষিদ্ধ ঘোষিত হারকাত-উল-জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশের (হুজি-বি) প্রতিষ্ঠাতা আমির। রমনার বটমূলে বোমা হামলার মামলায়ও তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এ ছাড়া একাধিক মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।

২০০০ সালের ২০ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখা হয়। শেখ লুৎফর রহমান মহাবিদ্যালয়ের উত্তর পাশের একটি চায়ের দোকানের পেছনে এ বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে আসে।

এ ঘটনায় তৎকালীন কোটালীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন মামলা করেন। এ ছাড়া ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল ভোরে রমনার বটমূলে সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানস্থলে দুটি বোমা পুঁতে রাখা হয়। পরে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে বিস্ফোরণ ঘটানো হয় সেগুলোর। ওইদিন বর্ষবরণের অনুষ্ঠান চলাকালে সকাল ৮টা ৫ মিনিটে একটি ও ১০টা ১৫ মিনিটের পর অন্য বোমাটি বিস্ফোরিত হয়।

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) ওই বোমা হামলায় প্রাণ হারান ১০ জন। আহত হন আরও অনেকেই। এ ঘটনায় ওইদিনই রমনা থানার পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলায় হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ ১৪ জনকে আসামি করে।

 

 

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টাকারী মুফতি আব্দুল হাই গ্রেপ্তার
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মুফতি আব্দুল হাইকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আজ বুধবার রাতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজ (বুধবার) রাতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-১১। মুফতি আব্দুল হাই নিষিদ্ধ ঘোষিত হারকাত-উল-জিহাদ আল-ইসলামী বাংলাদেশের (হুজি-বি) প্রতিষ্ঠাতা আমির। রমনার বটমূলে বোমা হামলার মামলায়ও তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এ ছাড়া একাধিক মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।

২০০০ সালের ২০ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখা হয়। শেখ লুৎফর রহমান মহাবিদ্যালয়ের উত্তর পাশের একটি চায়ের দোকানের পেছনে এ বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে আসে।

এ ঘটনায় তৎকালীন কোটালীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন মামলা করেন। এ ছাড়া ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল ভোরে রমনার বটমূলে সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানস্থলে দুটি বোমা পুঁতে রাখা হয়। পরে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে বিস্ফোরণ ঘটানো হয় সেগুলোর। ওইদিন বর্ষবরণের অনুষ্ঠান চলাকালে সকাল ৮টা ৫ মিনিটে একটি ও ১০টা ১৫ মিনিটের পর অন্য বোমাটি বিস্ফোরিত হয়।

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) ওই বোমা হামলায় প্রাণ হারান ১০ জন। আহত হন আরও অনেকেই। এ ঘটনায় ওইদিনই রমনা থানার পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলায় হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ ১৪ জনকে আসামি করে।

 

 

ফায়ার সার্ভিসের নতুন ডিজি হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাইন উদ্দিন
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক-এর দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন, বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি, জি, এমফিল। তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাদ হোসাইনের স্থলাভিষিক্ত হলেন। ২৫ মে বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মহাপরিচালককে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন। মহাপরিচালক হিসেবে নির্ধারিত সময়কাল দায়িত্ব পালন শেষে তিনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স থেকে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন করলেন।

২৫ মে বুধবার বেলা পৌনে ২টায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে এ উপলক্ষ্যে ‘বিদায় সংবর্ধনা ও বরণ অনুষ্ঠান’-এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান বিদায়ী ও নবনিযুক্ত মহাপরিচালকদ্বয়সহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। সকল বিভাগের বিভাগীয় উপপরিচালকগণ, ট্রেনিং কমপ্লেক্সের অধ্যক্ষ এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

বিদায় সংবর্ধনা ও বরণ অনুষ্ঠানে বিদায়ী ও নবনিযুক্ত মহাপরিচালকদ্বয় ছাড়াও সদর দপ্তরের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফয়সালুর রহমান, সহকারী পরিচালক মোঃ আব্দুল হালিম, উপপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ওহিদুল ইসলাম, কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি লে. কর্ণেল (অব.) এসএম জুলিফিকার রহমান এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্ণেল মোঃ রেজাউল করিম, পিএসসি বক্তব্য দেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বিদায়ী মহাপরিচালকের সফল কর্মকালের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে তাঁর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তাঁরা বিদায়ী মহাপরিচালকের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। একই সাথে তাঁরা নবনিযুক্ত মহাপরিচালক মহোদয়কে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিস আরো উন্নত, সমৃদ্ধ ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিদায়ী মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন তাঁর বক্তব্যে বিগত ৩ বছরের অধিক সময়ের কর্মজীবনের স্মৃতিচারণা করেন। তিনি বলেন, উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। তিনি তাঁর সাধ্যমতো ফায়ার সার্ভিসকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছেন। নবনিযুক্ত মহাপরিচালক সেই ধারা অব্যাহত রেখে উন্নয়ন প্রক্রিয়া আরো বেগবান করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। জনাব সাজ্জাদ হোসাইন দায়িত্ব পালনের সময় তাঁকে সহযোগিতা করায় সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন তাঁর বক্তব্যের শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মাহুতি দেয়া বীর শহিদদের, ১৫ আগস্ট জাতির পিতার পরিবারের শহিদ সদস্যদের এবং বিভিন্য দুর্ঘটনায় অপারেশনাল কাজে আত্মাহুতি দেয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মতো একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানে তাঁকে মহাপরিচালক হিসেবে নিযুক্ত করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বিদায়ী মহাপরিচালকের সকল কাজের প্রশংসা করেন এবং তার দেখানো পথ ধরে ফায়ার সার্ভিসকে আরো এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি তাঁর কর্মকালে মন্ত্রণালয়সহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপসহকারী পরিচালক মোঃ শাহজাহান শিকদারের সঞ্চালনায় বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠানটি পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্ণেল মোঃ রেজাউল করিম, পিএসসির ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। এরপর বিদায়ী মহাপরিচালক নবনিযুক্ত মহাপরিচালককে তাঁর অফিস কক্ষে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে মহাপরিচালকের অফিসিয়াল চেয়ারে বসিয়ে দেন। দায়িত্ব গ্রহণ ও হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিদায়ী মহাপরিচালক সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন।

 

ভূমি সেবায় কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ভূমিসেবা পুরস্কার’
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:
এবার হতে প্রতি বছর ভূমি সেবা সপ্তাহে ভূমি সেবা গ্রাহকদের স্বচ্ছ, দক্ষ, জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক ভূমিসেবা প্রদান ও বাস্তবায়নে বিশেষ কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মাঠ পর্যায়ে ভূমি অফিসে কর্মরত গণকর্মচারীদের ‘ভূমিসেবা পুরস্কার’ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ভূমি সেবা সপ্তাহ শুরুর পূর্বে মন্ত্রণালয়ের এক প্রস্তুতিমূলক সভায় ভূমিসেবা পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, ভূমি মন্ত্রণালয় ভূমি কর্মকর্তাদের পারফরমেন্স মনিটরিং শুরু করার কারণে ভূমি মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থায় অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। যারা জনস্বার্থে ভালো কাজ করতে পারছেন না তাদের বিষয়ে যেমন দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে, তেমনি যারা ভালো কাজ করছেন তাদেরও স্বীকৃতি প্রদান গুরুত্বপূর্ণ।

এবার ভূমি সেবা সপ্তাহে ব্যবস্থাপনা বিভাগে জেলা পর্যায়ে ভূমিসেবা পুরস্কার পেয়েছেন যথাক্রমে: ৬৩ জন সহকারী কমিশনার (ভূমি), ৪৪ জন কানুনগো, ৫৩ জন সার্ভেয়ার, ৫৮ জন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, ৫৮ জন ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা। ব্যবস্থাপনা বিভাগে বিভাগীয় পর্যায়ে ভূমিসেবা পুরস্কার ২০২২ পেয়েছেন ৮ জন সহকারী কমিশনার (ভূমি)। উল্লেখ্য, জেলায় সেরা সহকারী কমিশনার (ভূমি)দের মধ্যে থেকে পুনরায় বিভাগীয় পর্যায়ে সেরা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাচিত করা হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছাড়া অন্যান্য পদে বিভাগীয় পর্যায়ে পুরস্কার দেওয়া হয়নি।

সেটেলমেন্ট/জরিপ বিভাগে জেলা পর্যায়ে ভূমিসেবা পুরস্কার ২০২২ পেয়েছেন যথাক্রমে: ১৬ সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, ১৭ জন উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার এবং ১৭ জন সেটেলমেন্ট সার্ভেয়ার। ভূমি সেটেলমেন্ট/জরিপ বিভাগে জাতীয় পর্যায়ে ভূমিসেবা পুরস্কার ২০২২ পেয়েছেন যথাক্রমে: ১ জন জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার এবং যুগ্মভাবে ২ জন চার্জ অফিসার। উল্লেখ্য, জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার এবং চার্জ অফিসার ছাড়া অন্যান্য পদে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার দেওয়া হয়নি।

ভূমি সচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ’র প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ভূমিসেবা পুরস্কারের জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে এবার। পুরস্কারের যোগ্য প্রার্থী যাচাইয়ে নীতিমালায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট গণকর্মচারীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মূল্যায়নের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ ডিজিটালি ভূমি প্রশাসন ব্যবস্থাপনা সিস্টেমের মাধ্যমে চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা হয়। মূল্যায়নে অস্বাভাবিক বিচ্যুতি যাচাই করার জন্য বিশেষ অ্যালগরিদম অনুসরণ করা হয়।

অনুপ্রেরণা, উৎসাহ ও উদ্দীপনা যোগানো এবং ভালো কাজের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে যে ৮ জন জেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে নিজ পদবীর ক্যাটাগরিতে বিভাগীয় পর্যায়েও সেরা ‘সহকারী কমিশনার (ভূমি)’ হিসেবে ভূমিসেবা পুরস্কার ২০২২ প্রদান করা হয় তারা হলেন (ব্র্যাকেটে জেলা ও উপজেলা কর্মক্ষেত্র): ঢাকা থেকে লাভলী ইয়াসমিন (ফরিদপুর সদর উপজেলা), চট্টগ্রাম থেকে কে এম আবু নওশাদ (কুমিল্লার তিতাস উপজেলা), রাজশাহী থেকে মোঃ কাওছার হাবীব (পাবনার সদর উপজেলা), খুলনা থেকে মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিকী (খুলনার বাটিয়াঘাটা উপজেলা), বরিশাল থেকে আবদুল কাইয়ূম (পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা), সিলেট থেকে উত্তম কুমার দাশ (হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা), ময়মনসিংহ থেকে কাউছার আহাম্মেদ (শেরপুরের নকলা উপজেলা) এবং রংপুর থেকে মো: উজ্জ্বল হোসেন (কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা)।

সেনাবাহিনীর চাকরি মেলার আয়োজন
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের দিকে নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় দেশের স্বনামধন্য ৬০টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার (২৪ মে) ঢাকা সেনানিবাসে দুই দিনব্যাপী এ মেলা শুরু হয়। মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অবসরপ্রাপ্ত ও অবসরগামী সেনাসদস্যরা ও চাকরিরত সেনাসদস্যদের পরিবারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইএসপিআরের পক্ষ থেকে বলা হয়, সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে মেলায় অংশগ্রহণকারীদের ও অংশগ্রহণ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা মূল্যায়নের জন্য তিনি অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তরিকতাকে সাধুবাদ জানান।

সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা তুলনামুলকভাবে কম বয়সে অবসর যান। অনেকেরই কর্মদক্ষতা রয়ে যায়। এ সুদক্ষ জনশক্তিকে সুশীল সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াসে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে বলেও সেনাপ্রধান জানান।

সুদক্ষ, সুশৃংখল ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষিত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্রগামী ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এবারের মেলা থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে বিবেচনায় নেওয়া হবে বলেও জানান সেনাপ্রধান।

আইএসপিআর আরও জানায়, সেনাপ্রধান মেলায় আগতদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন এবং বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। এছাড়া মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা প্রথমবারের মতো এ মেলা আয়োজনের জন্য সেনাবাহিনী প্রধানকে কৃতজ্ঞতা জানায়।

আয়োজিত চাকরি মেলায় নিয়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এবং বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা যায়। যা আয়োজকদেরও অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানায় আইএসপিআর।

আইএসপিআরের পক্ষ থেকে বলা হয়, সেনাসদস্যরা পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাকরিকালীন সময়ে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ যুদ্ধকেন্দ্রিক হলেও সেগুলো শান্তিকালীন সময়ে দেশ ও জাতি গঠনে উপযোগী। সেনাবাহিনী ব্যতীত অন্যান্য ব্যবসায়িক, সামাজিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ক্ষেত্রের জন্য প্রযোজ্য। অনেক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিয়োজিত থেকে সুনামের সঙ্গে চাকরি করছেন। সেনাসদস্যদের যোগ্যতাকে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দক্ষ জনবল নিয়োগে সহায়তা করা ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাই এ চাকরি মেলার মূল উদ্দেশ্য।

পরিবার হলো মানুষের সংঘবদ্ধ জীবনের বিশ্বজনীন রূপ
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
পরিবার এমন একটি স্থান, যেখানে প্রতিটি সদস্য তার চারিত্রিক গুণাবলি বিকশিত করার পর্যাপ্ত সুযোগ পায়। সন্তানের মূল্যবোধ, চরিত্র, চেতনা ও বিশ্বাস জন্ম নেয় পরিবার থেকেই। আর নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিষয়টি পরিবার থেকে শিক্ষা দিতে হবে বলে উল্লেখ করেছেন আলোচকরা।

মঙ্গলবার (২৩ মে) ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্টের কার্যালয়ে ‘যেখানে পরিবার, সেখানে ভালোবাসা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, পরিবার হলো মানুষের সংঘবদ্ধ জীবন যাপনের এক বিশ্বজনীন রূপ। যার কারণে মানুষ সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে সামাজিকতা মানবিকতা আর মনুষ্যত্ব, মূল্যবোধ, বিবেক নিয়ে সমাজে বসবাস করে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা মানুষের ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি, জীবনযাপন সব আলাদা হলেও সমগ্র মানবজাতি একটি বৃহৎ পরিবার।

আলোচনা সভায় বক্তারা আরও বলেন, পর্যাপ্ত খেলাধুলার সুযোগ না পাওয়ায় শিশুদের মধ্যে কম্পিউটার-মোবাইলসহ বিভিন্ন ডিভাইসের প্রতি আসক্তি আসক্তি বেড়ে গেছে। এলাকাভিত্তিক খেলাধুলার মাধ্যম শিশুদের তৈরি হলে এ সমস্যা অনেকটাই সমাধান করা যাবে। পারিবারিক সম্পর্কের বন্ধন দৃঢ় করার পাশাপাশি এর যত্ন নেওয়াও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

এসময় বক্তারা এলাকাভিত্তিক পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত স্থানে ছোট সামাজিকীকরণের স্থান বা পকেট পার্ক গড়ে তোলা, ছাদবাগান, ছাদ কৃষি, নগর কৃষি ও সবুজায়নকে উৎসাহ প্রদান করাসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।

ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারীর আলোচনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন। ট্রাস্টের বিভাগীয় প্রধান সৈয়দা অনন্যা রহমানের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন এইড ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক সাগুফতা সুলতানা, ইন্সাইট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষিকা নাহিদ আক্তার, সমাজকর্মী আফরোজা বেগম ডেইজী, সমাজকর্মী সৈয়দা রত্না, বসবাসযোগ্য নগরীর কমিউনিকেশন অফিসার সানজিদা আক্তার, প্রকল্প কর্মকর্তা ডা. মিঠুন, প্রকল্প কর্মকর্তা প্রমা সাহা, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিং বাংলাদেশের পলিসি অফিসার আ ন ম মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।

এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম ঋণ বাংলাদেশের : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
এশীয় দেশগুলোর মধ্যে ঋণের দিক দিয়ে বাংলাদেশ সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মঙ্গলবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সাথে বৈঠক শেষ সাংবাদিকদের একথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম ঋণ আমাদের। আমরা কখনো ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হইনি। সেজন্য বিশ্বব্যাংক আমাদের দেশকে আরো বেশি ঋণ দিতে চায়। আমরা অর্থায়ন সেই খাতে নেবো যেখানে বিনিয়োগের ফলে অর্থনীতির গ্রোউথ হবে। আমরা ঋণ বুঝে শুনেই নিবো। শেখ হাসিনার সরকার অত্যন্ত বিচার বিশ্লেষণ করে বিদেশী বিনিয়োগগুলো গ্রহণ করছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক তো আসলে অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের সামগ্রিক অবস্থা অত্যন্ত স্থিতিশীল এ উর্ধ্বমুখী। এ বিষয়ে তারা আজ উল্লেখ করেছে যে বাংলাদেশ এখন তলাবিহীন ঝুড়ি না। বাংলাদেশ এখন উদীয়মান শক্তিশালী দেশ হিসাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বর্তমানে অনেক ভালো।

বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দলের সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের ঢাকাসহ সকল শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ উন্নয়নের ব্যাপারে পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সেনিটেশন, ওয়াটার সাপ্লাই, গ্রামীণ কমিউনিকেশন ডেভলপমেন্ট, ব্রিজ, রাস্তাঘাট নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তারা সম্ভব্যভাবে সবক্ষেত্র অর্থায়নের কথা বলেছে। আজকের মিটিংয়ের প্রেক্ষাপটে তারা তাদের হেডকোয়ার্টারে কিছু প্রোপজাল পাঠাবে।

বর্তমানে তাদের ২.৮৭ বিলিয়ন ডলারের মতো অর্থায়নের প্রকল্প কাজ চলমান আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে একটি ৩০০ মিলিয়ন ডলারের এবং আরেকটি ৫০০ মিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট ইতোমধ্যেই অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তারা প্রায় একশো বিলিয়ন ডলার বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাদের অর্থায়নে চলমান প্রকল্পের বিষয়ে তারা অনেক ইতিবাচক বক্তব্য রেখেছে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘যে বিনিয়োগগুলো আমাদের মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থার সার্বিক উন্নয়ন হবে সেসমস্ত বিনিয়োগগুলোকে উৎসাহিত করা এবং নেওয়ার বিষয়ে অত্যন্ত আমরা সতর্ক আছি। বিশ্বব্যাংক সারাবিশ্বে বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে কাজ করায় আমাদের তুলনায় তাদের অভিজ্ঞতা বেশি আছে। সেজন্য আমরা যৌথভাবে কাজ করছি।

পদ্মা সেতু নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের এখন অপেক্ষায়। বিশ্বব্যাংক নিজেই এখন স্বীকার করে পদ্মাসেতু নির্মাণের ফলে বাংলাদেশ তাদের সক্ষমতা সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে।

এসময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
যানবাহন চলাচলের জন্য পদ্মা সেতুর দ্বার উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে আগামী ২৫ জুন । ওইদিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা বহুমুখী সেতুর উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (২৪ মে) পদ্মা সেতু উদ্বোধন এবং নামকরণের সারসংক্ষেপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার পর গণভবন গেটে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

পদ্মা সেতুর নামকরণ সম্পর্কে সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামী ২৫ জুন (শনিবার) সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।

তিনি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদ্মা সেতুর দুটো সামারি (সার সংক্ষেপ) দিয়েছিলাম। একটা পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সামারি, যেখানে তিনি ২৫ জুন তারিখ লিখে সই করেছেন। আরেকটি ছিল পদ্মা সেতুর নাম ‘শেখ হাসিনা সেতু’ করার। সেটিতে তিনি সই করেননি। তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতুর নাম পদ্মা নদীর নামে হবে। এখানে কারও নাম থাকার দরকার নেই।

এরই মধ্যে পদ্মা সেতু পারাপারে টোল নির্ধারণ করেছে সরকার। গত ১৭ মে সেতু বিভাগের উপসচিব আবুল হাসান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মোটরসাইেকলের জন্য টোলের হার ১০০ টাকা; কার, জিপ ৭৫০ টাকা; পিকআপ ভ্যান ১ হাজার ২০০ টাকা; মাইক্রোবাস ১ হাজার ৩০০ টাকা; ছোট বাস (৩১ আসন বা তার কম) ১ হাজার ৪০০ টাকা; মাঝারি বাস (৩২ আসন বা তার বেশি) ২ হাজার টাকা; বড় বাস (৩ এক্সেল) ২ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ছোট ট্রাকের জন্য (৫ টন পর্যন্ত) ১ হাজার ৬০০ টাকা; মাঝারি ট্রাক (৫ থেকে ৮ টন পর্যন্ত) ২ হাজার ১০০ টাকা; মাঝারি ট্রাক (৮ থেকে ১১ টন পর্যন্ত) ২ হাজার ৮০০ টাকা; বড় ট্রাক (৩ এক্সেল পর্যন্ত) ৫ হাজার ৫০০ টাকা; ট্রেইলার (৪ এক্সেল পর্যন্ত) ৬ হাজার টাকা এবং ট্রেইলার (৪ এক্সেলের অধিক) ৬ হাজার টাকার সঙ্গে প্রতি এক্সেলের জন্য ১ হাজার ৫০০ টাকা যুক্ত হবে।

বাংলাদেশের বন্যায় ১৫ লাখের বেশি শিশু ঝুঁকিতে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পাঁচটি জেলায় ভয়াবহ বন্যার প্রভাবে ১৫ লাখের বেশি শিশুর নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং শিক্ষা ঝুঁকিতে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।
যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে শিশুরা সবচেয়ে অসহায়। ক্ষতিগ্রস্ত শিশু ও পরিবারগুলোর জরুরি নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং নিরাপদ পানির প্রয়োজনে সাড়া দিতে ইউনিসেফ সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারদের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে সংস্থাটি। সোমবার (২৩ মে) জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শিশু তহবিল ইউনিসেফ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের পাঁচ জেলা-সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও মৌলভীবাজারের ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সিলেট ও সুনামগঞ্জ এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে, কারণ সেখানে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং কৃষিজমি, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও স্কুলসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বন্যায় তলিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে এরই মধ্যে ডায়রিয়া, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ ও চর্মরোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অন্তত তিনজন শিশু বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছে। জেলাগুলোতে বন্যার প্রভাবে শতাধিক স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে শিশুদের পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গত দুই বছরে ১৮ মাস মহামারিতে স্কুল বন্ধ থাকার পর আবারও এ ধরনের পরিস্থিতি শিশুদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করছে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য আমরা সমবেদনা প্রকাশ করছি। অন্য যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির মতই এক্ষেত্রেও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এ শিশুদের সুরক্ষা ও তাদের তাৎক্ষণিক চাহিদাগুলো নিশ্চিত করতে ইউনিসেফ সরকার এবং অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউনিসেফ বিশুদ্ধ পানি, হাইজিন উপকরণ, থেরাপিউটিক দুধ ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কমিউনিটিগুলোর মাঝে পানিতে ডুবে যাওয়া ও জরুরি প্রস্তুতির বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সহায়তা দিচ্ছে। শিশুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজকর্মীরা যাতে প্রস্তুত থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য ইউনিসেফ সমাজসেবা অধিদপ্তরের (ডিএসএস) সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

রেলপথে যুক্ত হচ্ছে ৩ পার্বত্য জেলা
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম-বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় তিন পার্বত্য জেলায় রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে থেকে একটি মহাপরিকল্পনা (মাস্টার প্ল্যান) গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার (২৩ মে) কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মো. দবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে একথা জানানো হয়।

সভায় জানানো হয়, গৃহীত মহাপরিকল্পনার আওতায় তিন পার্বত্য জেলায় রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। কমিটির সদস্য পার্বত্য চট্টগ্রাম-বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উ শৈ সিং, এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এবং বাসন্তী চাকমা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় কাপ্তাই লেককে মাছ চাষের জন্য অধিক উপযোগী করে গড়ে তোলা, জনগণের যাতাযাত সুবিধা এবং পর্যটন শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে তিন পার্বত্য জেলায় রেল লাইন স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এছাড়া, পার্বত্য জেলার যে কোন উপযুক্ত স্থানে ছোট পরিসরে একটি বিমান বন্দর নির্মাণ, তিন পার্বত্য জেলায় হাউজিং প্রকল্প গ্রহণসহ জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কমিটি বিস্তারিত আলোচনা করে। সভায় ১ম বৈঠক হতে ৩য় বৈঠক পর্যন্ত গৃহীত সিদ্ধান্ত সমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় তিন পার্বত্য জেলার যে সমস্ত জমি ব্যক্তি পর্যায়ে বনায়ন করার জন্য লিজ দেওয়া হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত বনায়ন করা হয়নি, সেই লিজকৃত জমির বর্তমান অবস্থা কমিটিকে অবহিত করার জন্য আগামী বৈঠকে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদেরকে উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।

কমিটি তিন পার্বত্য জেলায় সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারিদের জন্য বাসভবন/কোয়ার্টার নির্মাণ এবং পরিকল্পিত হাউজিং এর প্রকল্প গ্রহণসহ পার্বত্য জেলায় বিদ্যুতায়নের ওপর গুরুত্বরোপ করে। পার্বত্য জেলাসমূহকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর সুপারিশ করে।

সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন সংস্থা প্রধানসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা আমিরাতে
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সংযুক্ত আরব আমিরাতে পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে এ বছর ঈদুল আজহা হতে পারে ৯ জুলাই।

এ উপলক্ষে চার দিনের লম্বা ছুটি পেতে যাচ্ছেন আমিরাতের বাসিন্দারা। পবিত্র এই উৎসবটি সাধারণত চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। তবে জ্যোতির্বিদ্যার সাহায্যে আগেভাগেই ধারণা করা যায়, কবে হতে পারে এবারের কোরবানির ঈদ।

ইসলামী ক্যালেন্ডার অনুসারে, জ্বিলহজ মাসের ১০ তারিখে অনুষ্ঠিত হয় ঈদুল আজহা। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান এ তথ্য জানিয়েছেন।

সোমবার (২৩ মে) দুবাইয়ের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আমিরাতের সরকারি ক্যালেন্ডার অনুসারে আরাফাতের দিন, অর্থাৎ ঈদুল আজহার আগের দিনও ছুটি থাকে। সেই হিসাবে, এ বছর আমিরাতবাসী জ্বিলহজ মাসের ৯ তারিখ থেকে ১২ তারিখ টানা চারদিন ঈদের ছুটি উপভোগ করতে পারেন।

ইংরেজি ক্যালেন্ডারে জুলাই মাসের ৮ তারিখ (শুক্রবার) থেকে ১২ তারিখ (সোমবার) পর্যন্ত থাকতে পারে ঈদের ছুটি। অর্থাৎ, আরাফাতের দিন ও ঈদুল আজহার তিন দিনের ছুটির সঙ্গে কোনো সাপ্তাহিক ছুটি যোগ হচ্ছে না আমিরাতের সরকারি-বেসরকারি কর্মীদের।

বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছে
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
পাকস্থলীর সমস্যা নিয়ে আট দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে তাকে নিয়ে ঢাকা ছাড়েন তার পরিবারের সদস্যরা।

মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের ব্যক্তিগত সহকারী নাসির হোসেন বলেন, আজ সকাল সাড়ে ৮টার একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকা ত্যাগ করেন। আব্বাস ভাইয়ের সঙ্গে গেছেন তার স্ত্রী আর দুই ছেলে।

শনিবার (২১ মে) আফরোজা আব্বাস বলেন, পেটের সমস্যা নিয়ে তিন দিন ধরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন মির্জা আব্বাস। তার অবস্থা ভালো নয়। এখন পর্যন্ত শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকরা চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। অবস্থার উন্নতি না হলে তার অপারেশন করা লাগতে পারে। সেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মির্জা আব্বাস গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার কারণে পেট ব্যথা, পেট ফুলে যাওয়াসহ নানা সমস্যায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করেন আফরোজা আব্বাস। তিনি বলেন, চিকিৎসা তো চলছে। এখন দেখার বিষয় অবস্থার কতটুকু উন্নতি হয়।

গত ১৭ মে ভোরে পাকস্থলীর অসুস্থতা নিয়ে রাজধানীর শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মির্জা আব্বাস। তাকে হাসপাতালে দেখতে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের নেতাকর্মীরা।

১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে হাজী সেলিমের আপিল, জামিন আবেদন
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্টে বহাল থাকা ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেছেন সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিম। আপিলে ১০ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৪ মে) সকালে হাজী সেলিমের আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আপিল আবেদনে হাজী সেলিমের জামিন চাওয়া হয়েছে।

গত ২২ মে আদালতে নির্দেশে আত্মসমর্পণ করেন আওয়ামী লীগের এ সংসদ সদস্য। সেদিন জামিন আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসসহ শারীরিক নানা জটিলতা থাকায় সোমবার (২৩ মে) হাজী সেলিমকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিচারিক আদালতের দেওয়া ১০ বছর কারাদণ্ড বহালের রায়ের নথি হাইকোর্ট থেকে গত ২৫ এপ্রিল নিম্ন আদালতে পাঠানো হয়। নিয়মানুযায়ী ২৫ এপ্রিল থেকে ৩০ দিনের মধ্যে হাজী সেলিমকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। সে অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই (২২ মে) আত্মসমর্পণ করেন হাজী সেলিম।

২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। এ মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল তাকে দুই ধারায় ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন হাজী সেলিম। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক রায়ে তার সাজা বাতিল করেন।

পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক। ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের আগের রায় বাতিল করে পুনরায় হাইকোর্টেই শুনানির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।

২০২১ সালের ৯ মার্চ বিচারিক আদালতের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখে রায় দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দিয়েছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রায় প্রকাশ করা হয়।

ড. ইউনূস ৪`শ কোটি টাকা দিলেন শ্রমিকদের, মামলা প্রত্যাহার
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুত ১৭৬ জন শ্রমিককে পাওনা বাবদ ৪০০ কোটি টাকা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (২৩ মে) বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক কোম্পানি বেঞ্চে এ তথ্য জানান শ্রমিকদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী।

একইসঙ্গে ৪০০ কোটি টাকা পাওয়ায় গ্রামীণ টেলিকমের অবসায়ন চেয়ে করা মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন শ্রমিকরা। এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ টেলিকমের অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষে এ আবেদন দায়ের করা হয়।
আবেদনকারী সংগঠনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ টেলিকমে শ্রমিক ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে শ্রমিক অসন্তোষ চলে আসছে। শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (বি-২১৯৪) সিবিএর সঙ্গে আলোচনা না করেই এক নোটিশে ৯৯ কর্মীকে ছাঁটাই করে গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃপক্ষ। গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে এ ছাঁটাই করা হয়েছে। এরপর সেই নোটিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন ২৮ জন কর্মী। এই ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে ড. ইউনূসকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। ২০২১ সালের ০৪ এপ্রিল দিয়েছিলেন শ্রমিকদের পুনর্বহালের নির্দেশ। বিভিন্ন সময় মোট ১৭৬ জন শ্রমিক এ রিটে পক্ষভুক্ত হন।

এছাড়া গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে ঢাকার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর। ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে এ মামলা করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান। বিবাদীদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন আদালত।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুর জাহান বেগম ও শাহজাহান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তারা শ্রম আইনের কিছু লঙ্ঘন দেখতে পান। এর মধ্যে ১০১ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা থাকলেও তাদের স্থায়ী করা হয়নি। শ্রমিকদের অংশগ্রহণের তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। এ ছাড়া কোম্পানির লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের দেওয়ার কথা থাকলেও তা তাদের দেওয়া হয়নি। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ফৌজদারি আইনে এ মামলা করা হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ।

জলরাশিকে কাজে লাগাতে হবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে : প্রধানমন্ত্রী
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পরিবেশ রক্ষায় যত্রতত্র অবকাঠামো করা যাবে না। সমুদ্রের বিশাল জলরাশিকে কাজে লাগাতে হবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে। দেশ নিয়ে কাজ করতে হলে সংশ্লিষ্টদের ভালোভাবে আগে দেশটাকে চিনতে হবে। রবিবার (২২ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলের প্রথম সভায় কাউন্সিলের সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


সরকারপ্রধান বলেন, ২০২১ থেকে ২০৪১ পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পানার পাশাপাশি ২১০০ সাল পর্যন্ত ডেল্টা প্ল্যানও নিয়েছি। জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের কোনো দায় না থাকলেও উন্নত দেশের সৃষ্ট এ সংকটে ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় বেশ ভালোভাবেই আছে। তিনি বলেন, সমুদ্রের বিশাল জলরাশিকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। যত্রতত্র যেন অবকাঠামো গড়ে না ওঠে। পানি গতিপথ কোনো অবস্থাতেই বন্ধ করা যাবে না।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে যারা ক্ষমতা দখল করেছে তারা মানুষের জন্য কোনো কাজই করেনি। জাতির পিতা মানুষের জীবন রক্ষায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবীও তৈরি করে গেছেন। পরিকল্পতিভাবে পদক্ষেপ নিতে পারলে যে কোনো কঠিন কাজও সমাধান করা যায়।

এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি নীতিমালা তৈরি কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেল্টা প্ল্যানটা যদি আমরা ভালোভাবে একটা গাইডলাইন তৈরি করে প্ল্যান ভালোভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, আর যেহেতু এটা ২১০০ সাল পর্যন্ত, তাই সময়ের সাথে এটা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন করতে হবে। সেইভাবেই কিন্তু আমাদের সমস্ত প্ল্যান হাতে নিতে হবে, নিয়ে আমরা কাজ করতে পারব।


শেখ হাসিনা বলেন, আমি মনে করি যে, ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলের সভা থেকে একটা ভালো... যেসব এজেন্ডাগুলো আছে তার বিষয়ে ভালো একটা সুপারিশমালা যাবে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নটা কীভাবে আমরা করতে পারি সেটা ত্বরান্বিত হবে এবং বাস্তবমুখী পদক্ষেপ কীভাবে নেব সেটাও আমাদের চিন্তা করতে হবে। সেইভাবে আমাদের এগোতে হবে। শতবছরের পরিকল্পনা বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারপারসন করে এ কাউন্সিল গঠন করে সরকার।

১২ সদস্যের এ কাউন্সিল গঠন করে গত বছরের ১ জুলাই গেজেট প্রকাশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন পরিকল্পনামন্ত্রী।
বন্যা, নদীভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে বহু আলোচিত ‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)।

 

‘ডেল্টা প্ল্যান’ নামে বেশি পরিচিত এ মহাপরিকল্পনার অধীনে আপাতত ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প নেবে সরকার, যাতে ব্যয় হবে প্রায় ২৯৭৮ বিলিয়ন টাকা।
ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলে কৃষিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রীকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া এই কাউন্সিলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী, নৌপরিবহন মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী, পানি সম্পদ মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীকেও সদস্য করা হয়েছে।

দুই দশকে ভয়াবহ বন্যায় বাংলাদেশ
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
বাংলাদেশের প্রায় সব নদ-নদীর তীর উপচে পড়ছে। যে কারণে গত প্রায় দুই দশকের মধ্যে এবারই দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে শনিবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ভারতের বরাক নদীতে নির্মিত একটি বড় বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় দেশটির উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসা বন্যার পানিতে সিলেটের জকিগঞ্জের অন্তত ১০০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

‘এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ লাখ মানুষ বন্যায় আটকা পড়েছেন’, বলে জানিয়েছেন তিনি। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে কমিশনার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, বন্যায় চলতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১০ জন মারা গেছেন।

বাংলাদেশের অনেক এলাকা বন্যাপ্রবণ এবং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলোর সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলছে। বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রত্যেকটি অতিরিক্ত মাত্রা বায়ুমন্ডলে পানির পরিমাণ প্রায় সাত শতাংশ বৃদ্ধি করে; যার অনিবার্য প্রভাব বৃষ্টিপাতের ওপর পড়ে।

জকিগঞ্জের ৫০ বছর বয়সী বাসচালক শামীম আহমেদ এএফপিকে বলেছেন, ‘আমার বাড়ি কোমর সমান গভীর পানিতে তলিয়েছে। পানের মতো পানি নেই, আমরা বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করছি।’

‘বৃষ্টি এখন একই সাথে আমাদের জন্য আশীর্বাদ এবং অভিশাপ।’

পানিতে তলিয়ে যাওয়া রাস্তায় লোকজনকে মাছ ধরতে দেখা গেছে এবং কিছু কিছু বাসিন্দা গবাদি পশুকে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে গেছেন। বিধবা লায়লা বেগমের বাড়ির সব আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তারপরও বন্যার পানি দুই এক দিনের মধ্যে কমে যাবে এমন আশায় দুই মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন তিনি।

লায়লা বেগম বলেছেন, ‘আমার দুই মেয়ে এবং আমি একটি বিছানার ওপর অন্য বিছানা রেখেছি এবং এর ওপর বাস করছি। আমাদের খাবারের সংকট। আমরা দিনে একজনের খাবার তিনজন ভাগাভাগি করছি এবং মাত্র একবেলা খাচ্ছি।’

বন্যার পানি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বৃহত্তর সিলেট শহরের অনেক জায়গায় প্রবেশ করেছে। সেখানকার অন্য একজন কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছেন, প্রায় ৫০ হাজার পরিবার গত কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় আছে।

কমিশনার মোশাররফ হোসেন বলেন, ভারতের আসাম রাজ্যের বৃষ্টি এবং সীমান্তের ওপার থেকে আসা পানির প্রবাহ— এই দুই কারণেই বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। কর্মকর্তারা বলেছেন, পানির স্তর নেমে গেলেই কেবল জকিগঞ্জ সীমান্তের ভাঙা বাঁধটি মেরামত করা যেতে পারে।

সার্টিফিকেট অর্জন না করে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
শুধু পুঁথিগত শিক্ষা বা সার্টিফিকেট অর্জন না করে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (২০মে ) পিরোজপুরের নেছারাবাদে শহীদ স্মৃতি কলেজ মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় তিনি বলেন, শুধু পুঁথিগত শিক্ষা বা সার্টিফিকেট অর্জনই প্রকৃত শিক্ষা নয়। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সবচেয়ে বেশি ধারণ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা যতো আদর্শ ও নৈতিক চরিত্রের অধিকারী হবে তাদের জীবন ততো বিকশিত হবে। তারা যতো বেশি মূল্যবোধ ধারণ করবে তাদের ভবিষ্যৎ ততো উজ্জ্বল হবে।

তিনি আরো বলেন, সমাজের অনেক বিএ, এমএ পাশ করা শিক্ষিত ব্যক্তি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে, চরিত্রহীনতার কর্মকাণ্ড করছে। তারা সমাজের জন্য সম্পদ নয়, বোঝা। এ জন্য শিক্ষার্থীদের আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে তারা দেশের নেতৃত্ব দিতে পারে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আদর্শ চরিত্রের ও আদর্শ মানসিকতাসম্পন্ন মানুষ হওয়ার এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হওয়ার শিক্ষা প্রদানের জন্য শিক্ষকদের প্রতি এ সময় আহ্বান জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, মেয়েরা যত শিক্ষিত হবে দেশ ততো এগিয়ে যাবে, দেশ ততো উন্নত হবে। এদের মধ্য থেকে অনেক প্রতিভার বিকাশ হতে পারে। বর্তমানে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা একজন নারী, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী একজন নারী। দেশের শিক্ষা মন্ত্রী নারী, বিরোধী দলীয় নেতা নারী। শেখ হাসিনা নারীবান্ধব সরকার প্রধান। তিনি নারীর ক্ষমতায়নে অব্যাহতভাবে কাজ করছেন।

শহীদ স্মৃতি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেন, নেছারাবাদ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রিয়াজ হোসেন, পিরোজপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি আখতারুজ্জামান ফুলু, নেছারাবাদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক এস এম ফুয়াদ, শহীদ স্মৃতি কলেজের শিক্ষকবৃন্দ ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে উপকরণ সহায়তা হিসেবে গবাদিপশু বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন মন্ত্রী ।


   Page 1 of 438
     জাতীয়
শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টাকারী মুফতি আব্দুল হাই গ্রেপ্তার
.............................................................................................
ফায়ার সার্ভিসের নতুন ডিজি হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাইন উদ্দিন
.............................................................................................
ভূমি সেবায় কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ভূমিসেবা পুরস্কার’
.............................................................................................
সেনাবাহিনীর চাকরি মেলার আয়োজন
.............................................................................................
পরিবার হলো মানুষের সংঘবদ্ধ জীবনের বিশ্বজনীন রূপ
.............................................................................................
এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম ঋণ বাংলাদেশের : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
.............................................................................................
২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
.............................................................................................
বাংলাদেশের বন্যায় ১৫ লাখের বেশি শিশু ঝুঁকিতে
.............................................................................................
রেলপথে যুক্ত হচ্ছে ৩ পার্বত্য জেলা
.............................................................................................
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা আমিরাতে
.............................................................................................
বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছে
.............................................................................................
১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে হাজী সেলিমের আপিল, জামিন আবেদন
.............................................................................................
ড. ইউনূস ৪`শ কোটি টাকা দিলেন শ্রমিকদের, মামলা প্রত্যাহার
.............................................................................................
জলরাশিকে কাজে লাগাতে হবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
দুই দশকে ভয়াবহ বন্যায় বাংলাদেশ
.............................................................................................
সার্টিফিকেট অর্জন না করে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
.............................................................................................
যেখানেই হাত দিচ্ছি সেখানেই অনিয়ম : ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
.............................................................................................
জমিদারি শেষ, ৬০ বিঘার বেশি ব্যক্তিগত জমি রাখার সুযোগ নেই
.............................................................................................
চা-শ্রমিক জনগোষ্ঠীর ইতিহাসে একটি রক্তস্নাত দিন আজ
.............................................................................................
সুনামগঞ্জের অবহেলিত আড়তপট্টি: ১৫ বছরেও লাগেনি উন্নয়নের ছুঁয়া
.............................................................................................
প্রখ্যাত সাংবাদিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে পরিবেশমন্ত্রীর শোক
.............................................................................................
ধামরাইয়ে কলেজ ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু
.............................................................................................
গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে পরিকল্পনামন্ত্রীর শোক
.............................................................................................
চলে গেলেন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
.............................................................................................
মালয়েশিয়াগামী ট্রলার থেকে ৩৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার
.............................................................................................
নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
.............................................................................................
র‌্যাব-পুলিশের মারামারির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
.............................................................................................
বাংলাদেশ জলবায়ুগত মারাত্মক পরিণতির সম্মুখীন হতে পারে
.............................................................................................
বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে তাদের ভালো লাগে না : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
কক্সবাজারে সরকার বহুমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে
.............................................................................................
এবার বিদ্যুতের দাম ৫৮ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ
.............................................................................................
বন্যায় বিপর্যস্ত সিলেট
.............................................................................................
টিসিবির পণ্য আর ট্রাকে বিক্রি নয়
.............................................................................................
ড. এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীর বিরুদ্ধে মামলা
.............................................................................................
পদ্মা সেতুর দুইপ্রান্তে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ম্যুরালের কাজ চলছে
.............................................................................................
পি কে হালদার কোন কোন দেশে টাকা রেখেছে, হাইকোর্ট জানতে চায়
.............................................................................................
এতো অধৈর্য হবেন না, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ দেবেন শেখ হাসিনা
.............................................................................................
৫০ কিলোমিটার বেগে ৮ বিভাগে ঝড়ের আভাস
.............................................................................................
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের ইতিহাসে মাইলফলক: রাষ্ট্রপতি
.............................................................................................
জেলেদের জন্য ১৬হাজার ৭`শ ৫২টন ভিজিএফ বরাদ্দ
.............................................................................................
সাগরে ইলিশের আকাল, হতাশ জেলেরা
.............................................................................................
১৫ বছরেও নির্মাণ হয়নি ভেঙ্গে পড়া সেতু
.............................................................................................
কর্মসৃজন প্রকল্প: কাজ না করেই টাকা ভাগভাগি!
.............................................................................................
জুন থেকে ফ্যামিলি কার্ডে টিসিবির পণ্য বিতরণ
.............................................................................................
সরকারের সমালোচনা করার আগে সারাদেশ ঘুরে দেখার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর
.............................................................................................
শেখ হাসিনাকে স্পেনের প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা বার্তা
.............................................................................................
পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাক্ষাৎ করলেন আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে
.............................................................................................
এরিকো আদালত অবমাননার আবেদন করলেন ইমরানের বিরুদ্ধে
.............................................................................................
চুক্তির আওতায় পি কে হালদারকে ফেরানো হবে
.............................................................................................
২ বছরে অবৈধভাবে দুই শতাধিক জ্যামার বিক্রি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT