রবিবার, ২ অক্টোবর 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   চিত্র-বিচিত্র -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
অতি বিরল নীল গলদা চিংড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে বিরল প্রজাতির একটি নীল চিংড়ি ধরা পড়ে ব্লেক হ্যাস নামের যুক্তরাষ্ট্রের এক জেলের জালে। আদ্যোপান্ত গাঢ় নীল রঙের এই অত্যন্ত বিরল। আটলান্টিক মহাসাগরে খোঁজ মিলেছে এই চিংড়ির।

যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের মাউন্ট ডেসার্ট আইল্যান্ডের বাসিন্দা ব্লেক হ্যাস। আটলান্টিক মহাসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ২৭ বছরের এই যুবকই নীল চিংড়িটি খুঁজে পেয়েছেন। এই প্রজাতি এতটাই বিরল যে, ২০ লাখ চিংড়ির মধ্যে একটির রং নীল হয়। তা ধরতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান বলে দাবি করেছেন তিনি। টিকটকে চিংড়িটির ছবি পোস্ট করেছেন ব্লেক। ছবিতে দেখা যায়, হাতে গ্লাভস পরে সেটি ক্যামেরার খুব কাছে ধরে আছেন তিনি। সঙ্গে লিখেছেন, নীল চিংড়ি! ২০ লাখে একটার রং এমন হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ব্লেক বলেন, এত উজ্জ্বল নীল রঙের সুন্দর চিংড়ি আমি আগে কখনও দেখিনি। আমরা অনেক চিংড়ি ধরি। কখনও কখনও কিছু চিংড়ির লেজ বা শুঁড়ের দিকে হালকা নীল রঙ দেখা যায়। কিন্তু পুরো দেহ নীল রঙের হয় না। আমি এমন চিংড়ি আগে দেখিনি। আমার সঙ্গে আরও যারা মাছ ধরেন, তারাও কখনও এমন চিংড়ি দেখেননি। আশা করি, আবার কখনও এমন লবস্টার ধরতে পারব।

চিংড়িটি আবারও সমুদ্রে ছেড়ে দিয়ে ব্লেক জানিয়েছেন, এমন বিরল লবস্টার তিনি মারতে চান না। সাধারণত বেশিরভাগ গলদা চিংড়ি বাদামি, ধূসর অথবা লাল রঙের হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নীল গলদা চিংড়ি অত্যন্ত বিরল। এ ধরনের চিংড়ি ২০ লাখের মধ্যে একটি খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

জিনগত অস্বাভাবিকতার কারণে গলদা চিংড়ির রঙ নীল হয়। তাদের দেহে প্রোটিন ক্রাস্টাসায়ানিনের পরিমাণ বেড়ে গেলে এই রং দেখা যায়। তবে রান্না করলে এই নীল লবস্টারও আর পাঁচটা চিংড়ির মতোই সুস্বাদু হবে, দাবি বিশেষজ্ঞদের।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ডের উপকূলে একই ধরনের নীল রঙের একটি চিংড়ি ধরা পড়েছিল।

অতি বিরল নীল গলদা চিংড়ি
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে বিরল প্রজাতির একটি নীল চিংড়ি ধরা পড়ে ব্লেক হ্যাস নামের যুক্তরাষ্ট্রের এক জেলের জালে। আদ্যোপান্ত গাঢ় নীল রঙের এই অত্যন্ত বিরল। আটলান্টিক মহাসাগরে খোঁজ মিলেছে এই চিংড়ির।

যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের মাউন্ট ডেসার্ট আইল্যান্ডের বাসিন্দা ব্লেক হ্যাস। আটলান্টিক মহাসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ২৭ বছরের এই যুবকই নীল চিংড়িটি খুঁজে পেয়েছেন। এই প্রজাতি এতটাই বিরল যে, ২০ লাখ চিংড়ির মধ্যে একটির রং নীল হয়। তা ধরতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান বলে দাবি করেছেন তিনি। টিকটকে চিংড়িটির ছবি পোস্ট করেছেন ব্লেক। ছবিতে দেখা যায়, হাতে গ্লাভস পরে সেটি ক্যামেরার খুব কাছে ধরে আছেন তিনি। সঙ্গে লিখেছেন, নীল চিংড়ি! ২০ লাখে একটার রং এমন হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ব্লেক বলেন, এত উজ্জ্বল নীল রঙের সুন্দর চিংড়ি আমি আগে কখনও দেখিনি। আমরা অনেক চিংড়ি ধরি। কখনও কখনও কিছু চিংড়ির লেজ বা শুঁড়ের দিকে হালকা নীল রঙ দেখা যায়। কিন্তু পুরো দেহ নীল রঙের হয় না। আমি এমন চিংড়ি আগে দেখিনি। আমার সঙ্গে আরও যারা মাছ ধরেন, তারাও কখনও এমন চিংড়ি দেখেননি। আশা করি, আবার কখনও এমন লবস্টার ধরতে পারব।

চিংড়িটি আবারও সমুদ্রে ছেড়ে দিয়ে ব্লেক জানিয়েছেন, এমন বিরল লবস্টার তিনি মারতে চান না। সাধারণত বেশিরভাগ গলদা চিংড়ি বাদামি, ধূসর অথবা লাল রঙের হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নীল গলদা চিংড়ি অত্যন্ত বিরল। এ ধরনের চিংড়ি ২০ লাখের মধ্যে একটি খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

জিনগত অস্বাভাবিকতার কারণে গলদা চিংড়ির রঙ নীল হয়। তাদের দেহে প্রোটিন ক্রাস্টাসায়ানিনের পরিমাণ বেড়ে গেলে এই রং দেখা যায়। তবে রান্না করলে এই নীল লবস্টারও আর পাঁচটা চিংড়ির মতোই সুস্বাদু হবে, দাবি বিশেষজ্ঞদের।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ডের উপকূলে একই ধরনের নীল রঙের একটি চিংড়ি ধরা পড়েছিল।

গুগল থেকে আচমকাই অ্যাকাউন্টে ঢুকল ২ কোটি টাকা!
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
এ যেন বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো! আচমকা দেখলেন গুগল থেকে অ্যাকাউন্টে কয়েক কোটি টাকা ঢুকেছে! যা দেখে স্বাভাবিক ভাবেই চক্ষু চড়কগাছ এক ব্যক্তির। টাকার অংকটা প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার মতো। কিন্তু হঠাৎ গুগল কেন এতো টাকা পাঠাল, তা কিছুতেই আন্দাজ করতে পারছিলেন না আমেরিকার ওই ব্যক্তি।

এক সঙ্গে এতো টাকা পেয়ে খানিকটা ঘাবড়েও গিয়েছিলেন আমেরিকার ওমাহা প্রদেশের স্যাম কারি নামের ওই ব্যক্তি। আচমকা এতোগুলো টাকা পেয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে গত বুধবার টুইট করেছেন তিনি। তবে এতো টাকা পেয়েও উল্লসিত হননি তিনি। বরং চিন্তা বাড়িয়েছে তার। তাই তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এক পয়সা খরচও করেননি স্যাম।

টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘তিন সপ্তাহেরও বেশি হয়ে গেল, গুগল আমায় ২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পাঠিয়েছে। কোনো কি উপায় রয়েছে গুগলের সঙ্গে যোগাযোগ করার?’ সেই সঙ্গে তিনিও এ-ও লেখেন যে, যদি টাকা ফেরত চান, তাতে কোনো সমস্যা নেই।

নিউজউইকের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গেছে, স্যাম ‘বাগ বাউন্টি হান্টার’ হিসেবে কাজ করেন। গুগ্‌‌লের মতো বিভিন্ন সংস্থায় সফটওয়্যারে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ফাঁকফোকর থাকলে তা খুঁজে বার করার কাজ করেন স্যাম। কিন্তু তার এই অপ্রত্যাশিতভাবে অর্থ প্রাপ্তির নেপথ্যে এই কাজের কোনো সংযোগ নেই বলেই জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি। এক সাক্ষাৎকারে স্যাম জানান যে, তিনি ওই অর্থ তার কাছেই গচ্ছিত রাখছেন। কারণ যদি গুগ্‌‌ল ফেরত চায়, তা হলে তিনি ফিরিয়ে দেবেন। তার কথায়, গুগল যদি তার টুইট-বার্তায় সাড়া না দেয়, তা হলে এই অর্থ অন্য একটি অ্যাকাউন্টে রাখবেন, যাতে এ জন্য কর দিতে না হয়।

এই কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পরই নড়েচড়ে বসে গুগল । আদতে ভুলবশত যে ওই ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে তারা টাকা পাঠিয়েছেন, সে কথা জানিয়েছেন গুগল কর্তৃপক্ষ। সংস্থার এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘ভুলবশত আমরা ওই ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠিয়েছি। ওই ব্যক্তিকে সাধুবাদ জানাই যে, তিনি দ্রুত বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। আমরা ভুল শুধরে নেব।’ স্যামের থেকে টাকা যে ফিরিয়ে নেওয়া হবে, সে কথাও জানিয়েছে গুগল।

পঞ্চম বিয়ে ঠেকাতে মণ্ডপে হাজির সাত সন্তান!
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
সাত সন্তানে মিলে ছাদনাতলায় হাজির বাবার বিয়ে ভাঙতে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো থ সকলে। আগের পক্ষের স্ত্রী এসে বিয়ে ভেঙে দিচ্ছে স্বামীর। এমন ঘটনা সিনেমা-সিরিয়ালে আজকাল নতুন কিছু নয়। তবে এবার যে ঘটনার কথা জানাব, তা কিন্তু হার মানাতে পারে অনেক হিন্দি সিনেমাকেও। একেবারে সাত সন্তানে মিলে ছাদনাতলায় হাজির বাবার বিয়ে ভাঙতে। ঘটনাটি ঘটেছে উওরপ্রদেশে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো থ সকলে। পাত্র উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা বছর পঞ্চান্নর শফি আহমেদ। নিয়ম মেনেই এগোচ্ছিল বিয়ের সমস্ত অনুষ্ঠান। হঠাৎই তার মাঝে বিয়ের মণ্ডপে ঢুকে বাধ সাধে পাত্রের সাত সন্তান। সঙ্গে স্ত্রীও! তাঁদের দেখে রীতিমতো হতভম্ব শফি।

এই ঘটনায় চক্ষু চড়ক গাছ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেরই। জানা যায়, যিনি পাত্রকে স্বামী বলে দাবি করছেন, তিনি পাত্রের চতুর্থ স্ত্রী। এর আগেও আরও তিনটি বিয়ে করেছেন শফি। ওই মহিলা আরও বলেন, এতদিন সন্তানদের জন্য মাসে মাসে টাকা পাঠাতেন শফি। কিন্তু অনেকদিন দিন ধরে সেই টাকা পাঠানো বন্ধ করে দেন তিনি। এরপরই স্বামী যে পঞ্চমবার বিয়ের কথা জানতে পারেন তিনি। এবং সন্তানদের নিয়ে বিয়ের মণ্ডপে হাজির হন তিনি।

এদিকে এই ঘটনার পর বিয়ের অনুষ্ঠান ছেড়ে পালিয়ে যান কনে। তাঁর বাড়ির লোকের সঙ্গে বচসা শুরু হয় পাত্রের। সেই বচসাকে কেন্দ্র করে কনের বাড়ির লোকজন বেধড়ক মারধর করা হয় বরকে। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন শফির স্ত্রীরা। তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

দাফনের ৩ বছর পর সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধার আবার মৃত্যু!
                                  

জসিম উদ্দিন খান তুহিন, চুয়াডাঙ্গা থেকে ফিরে
২০১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি জাহানারা খাতুনের (৮৩) স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। দাফন করা হয় নিজ গ্রাম চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জামজামি ইউনিয়নের চরপাড়া কবরস্থানে। এর মধ্যে পার হয়ে যায় তিনটি মৃত্যুবার্ষিকীও।

শনিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পুলিশ সদস্যের ফেসবুক পোস্ট দেখে অস্বস্তিতে পড়েন মৃত জাহানারার পরিবারের সদস্যরা। এতে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা।
জানা যায়, শনিবার (৬ আগস্ট) দুপুর ২টা ২৬ মিনিটে Amader Alamdanga (আমাদের আলমডাঙ্গা) গ্রুপে
পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সজিব তার ‘SI Sajib’ নামে ফেসবুক আইডি থেকে এক বৃদ্ধার ছবিসহ তার ভোটার আইডি কার্ড, ছবিসহ পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন :

‘একটি মানবিক আবেদন
নিহত এই নারীর নাম মোসাম্মৎ জাহানারা খাতুন, পিতার নাম আহম্মদ হোসেন মিয়া, স্বামীর নাম আবুল হোসেন মিয়া, মাতার নাম খোদেজা খাতুন। গ্রাম- আলমডাঙ্গা পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড। তিনি গত ০৬/০৭/২০২২ খ্রিস্টাব্দে রাত্র ০৩.০০ ঘটিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। তার লাশ বর্তমানে রাজবাড়ী জেনারেল হাসপাতালে আছে। যদি কেউ উক্ত মৃত নারীর ঠিকানা জানেন বা তাকে চিনেন, তাহলে দয়া করে ০১৩২০১৮৪২৮২ ওসি আহলাদীপুর হাইওয়ে থানায় যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এই পোস্ট করার কিছুক্ষণ পরে ‘অন্তরা শোয়াইব’ নামে একজন লেখেন, ‘আপনি যার ছবি দিয়েছেন, তিনি সম্পর্কে আমার নানি ছিলেন। তিনি তিন বছর আগে মারা গেছেন। তিন বছর আগে যিনি মারা গেছেন, গত রাত ৩টার সময় তিনি আবার কীভাবে মরতে পারে ভাই! আপনার উচিত ছিল ফেসবুকে ছবি আপলোড দেওয়ার আগে মৃত ব্যক্তির সঠিক পরিচয় জানা। আর যার ছবি দিয়েছেন, তার সম্পর্কে জানা। আপনি একজন পুলিশ হয়ে এই ভুল করলেন। না জানি সাধারণ পাবলিক হলে কী করতেন!’

এ ছাড়া আবু সুইট নামে এক যুবক তার নানি দাবি করে বৃদ্ধা নারীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে লেখেন, আমার নানি মারা গেছেন ২০১৯ সালের ২৬ জানুয়ারি।

শনিবার (৬ আগস্ট) রাতের কোনো এক সময় রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ চেয়ারম্যানের অফিসের সামনে দ্রুতগামী কোনো যানবহনের ধাক্কায় অজ্ঞাত এক বৃদ্ধা নিহত হন। সকালে ফরিদপুর থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ আঙুলের ছাপ নিয়ে পরিচয় শানাক্ত করে।

সেই শনাক্ত করা ঠিকানায় পরিচয় আসে, তার নাম মোছা. জাহানারা খাতুন। জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড কলেজপাড়ার আহাম্মদ আলী মিয়ার মেয়ে তিনি। তার মায়ের নাম খোদেজা খাতুন এবং স্বামীর নাম আবুল হোসেন মিয়া।

এ নিয়ে রাজবাড়ী জেলার আহলাদীপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম স্বাধীন বাংলাকে বলেন, দুপুরে চুয়াডাঙ্গা থেকে নাঈম নামে এক ব্যক্তি আমাকে জানান, এই নারী তিন বছর আগেই মারা গেছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরাও হতভম্ব হয়েছি। তাহলে অজ্ঞাতনামা মৃত নারীটি কে? আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি বলে জানান তিনি।

এদিকে মৃত জাহানারা খাতুনের নাতি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আবু সাঈদ প্রিন্স স্বাধীন বাংলাকে বলেন, ফেসবুকে পোস্ট দেখেছি। ঠিকানা ও ছবির সঙ্গে আমার নানির সবকিছু মিলে গেছে। আমার নানি মারা গেছেন ২০১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি। বিষয়টি নিয়ে আমি ও আমাদের স্বজনরা বিব্রত হচ্ছি। স্বজনরা ও পরিচিতরা ফোন করে বিষয়টি জানতে চাইছেন। হয়তো ভোটার কার্ড করার সময় ভুলবশত আমার নানির পরিবর্তে অন্য কেউ আঙুলের ছাপ দিতে পারে। এ জন্য এমনটি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পোস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়া নারীর ছবিও দেখেছি। ওই ছবিটির আমার নানির ছবির সঙ্গে কোনো মিল নেই। ২০১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি আমার নানি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। চরপাড়া গ্রামের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এ বিষয়ে ফরিদপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) উপপরিদর্শক (এসআই) আবেদিন স্বাধীন বাংলাকে বলেন, খবর পেয়ে সকালে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিহত বৃদ্ধার আঙুলের ছাপের মাধ্যমে জাহানারা খাতুন বলে নিশ্চিত হই আমরা। এটা আমাদের নিজস্ব কোনো সফটওয়্যার না। নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে শনাক্ত করা হয়েছে। সেই কপি ও ছবি আমরা আলমডাঙ্গা থানায় জমা দিয়েছি।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম স্বাধীন বাংলাকে, বিষয়টি আমি জেনেছি। শনিবার মধ্যরাতে রাজবাড়ী জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীর নিহত হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের পর আলমডাঙ্গায় তিন বছর আগে মারা যাওয়া এক নারীর নাম উঠে আসে। আমরা ধারণা করছি, ভোটার আইডি কার্ড করার সময় ফিঙ্গারপ্রিন্টের কোনো ঝামেলা থাকতে পারে।

প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ১৫ মিনিটে ছয়জনের পকেট ফাঁকা
                                  

জসিমউদ্দিন খান তুহিন, কপিলমুনি থেকে ফিরে
মন্ত্রীর অনুষ্ঠানে এবার সিরিজ পকেটমারির ঘটনায় স্বর্বশান্ত হয়েছে রাজনীতিক সাংবাদিকসহ খুলনায় ১৫ মিনিটের ব্যবধানে ছয়জনের পকেট থেকে মানিব্যাগ-টাকা-মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকালে পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে কপিলমুনি বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী খালিদ হোসেন। এ সময় সেখানে সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান বাবু, কপিলমুনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়ার্দারসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রতিমন্ত্রী স্থান ত্যাগ করার পর অনেকে তাদের পকেটে হাত দিয়ে অবাক হন। কিছু সময়ের মধ্যে কপিলমুনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি যুগল কিশোর দের পকেট থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, সাংবাদিক তপন পালের ৫ হাজার, কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়ার্দারের ৯ হাজার টাকা খোয়া গেছে। এ সময় কপিলমুনি প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি আবদুর রাজ্জাক রাজু ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমীরণ সাধুর মোবাইল ফোন খোয়া যায়।

তবে সাংবাদিকদের ধারণ করা একাধিক ছবিতে দেখা যায়, মন্ত্রীর সামনে দাঁড়িয়ে থাকা খর্বাকৃতি প্রকৃতির মধ্য বয়স্ক মাস্ক পরা ব্যক্তি কপিলমুনি আওয়ামী লীগের সভাপতি যুগল কিশোর দের পাঞ্জাবির পকেটে কৌশলে হাত ঢুকিয়ে দিয়েছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও পকেটমার সুকৌশলে তার কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা তাদের প্রতিক্রিয়ায় ঘটনাটিকে ‘ম্যারাথন পকেটমার’ বলে অভিহিত করেছেন।

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাক রাজু বলেন, প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন তার মোবাইলটি ভিড়ের মাঝে হারিয়ে গেছে। তবে পরবর্তীতে অন্যান্যদের ঘটনা ও ছবি দেখে নিশ্চিত হয়েছেন, তার মোবাইলটিও পকেটমারের খপ্পরে পড়েছে। পাইকগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সর্বোচ্চ ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে। এত ভিড়ে ঘটনা ঘটায় কেউ বুঝতে পারেনি।

তিনি আরও জানান, মুখে মাস্ক থাকায় তাৎক্ষণিক ওই ব্যক্তিকে চেনা সম্ভব হয়নি। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, অতি পেশাদার পকেটমার। তার বাড়ি ডুমুরিয়ায়। তাকে আটক করতে অভিযান শুরু হয়েছে।

নিলামে হিটলারের ঘড়ি, বিক্রি হলো ১১ লাখ ডলারে
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
জার্মানির কুখ্যাত নাৎসী বাহিনীর প্রধান ও দেশটির সাবেক চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলারের ব্যবহৃত একটি হাতঘড়ি ১১ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে ঘড়িটি নিলামে তোলা হলে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি এই দামে ঘড়িটি কিনে নেন। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে আলেকজান্ডার হিস্টোরিক্যাল অকশনস নামের একটি নিলাম প্রতিষ্ঠান এই নিলামের আয়োজন করেছিল।

এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, নিলামে বিক্রি হওয়া ঘড়িটি ইউরোপভিত্তিক কোম্পানি হুবারের তৈরি। মূলত ঘড়ি ও অলঙ্কার প্রস্তুতকারী কোম্পানি হুবারের প্রধান অফিস বা হেডকোয়ার্টার লিচেনস্টাইনে। ঘড়িটির ওপর একটি সোনালি রঙের ঢাকনা রয়েছে। ঢাকনাটিতে নাৎসী বাহিনীর প্রতীক স্বস্তিকা চিহ্ন ও অ্যাডলফ হিটলারের নামের আদ্যাক্ষর এএইচ খোদাই করা আছে।

হুবার কোম্পানির ক্যাটালগ বলছে, ঘড়িটি তৈরি করা হয়েছিল ১৯৩৩ সালে এবং ওই বছর হিটলারের জন্মদিনে তার কোনো এক শুভাকাঙ্ক্ষী এটি তাকে উপহার দিয়েছিলেন। কাকতালীয়ভাবে ১৯৩৩ সালেই জার্মানির সরকারপ্রধান বা চ্যান্সেলর হন হিটলার এবং এই পদে থাকেন ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত। ১৯৩৯ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য মূলত তাকেই দায়ী করা হয়। যুদ্ধে হিটলারের নেতৃত্বাধীন নাৎসী বাহিনীর হাতে বিশ্বজুড়ে নিহত হয়েছেন প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ। তাদের মধ্যে অন্তত ৬০ লাখ ছিলেন ইহুদি ধর্মাবলম্বী।

১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল জার্মানির বেরঘোফের একটি বাঙ্কারে আত্মহত্যা করেন হিটলার। তার আত্মহত্যার মধ্য দিয়েই যবনিকা পতন ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের। আলেকজান্ডার হিস্টোরিক্যাল অকশনসের কর্মকর্তারা জানান, হিটলারের আত্মহত্যার কিছু সময় পর প্রায় ৩০ জন ফরাসি সৈন্যের একটি দল প্রবেশ করেছিল সেই বাঙ্কারে। সেখানে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়ার পর সেনারা হিটলার ও বাঙ্কারে থাকা বিভিন্ন জিনিসপত্র স্যুভনির হিসেবে হস্তগত করেন। সেই সেনাদেরই কেউ একজন এই ঘড়িটি নিয়েছিলেন মৃত হিটলারের হাত থেকে। তবে শুক্রবারের নিলামে ওঠার আগ পর্যন্ত এই ঘড়িটি বেশ কয়েক বার হাত বদল হয়েছে বলে জানিয়েছেন আলেকজান্ডার অকশনসের কর্মকর্তারা।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে হিটলারের ঘড়ি কেনা-বেচার নিন্দা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইহুদি সংঘ। সংঘের চেয়ারম্যান রাব্বি (ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের পুরোহিত) মিনাশিম মার্গোলিন নিলাম প্রতিষ্ঠানটিকে দেওয়া এক খোলা চিঠিতে ভবিষ্যতে এ ধরনের জিনিসপত্র কেনা-বেচা করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। চিঠিতে রাব্বি মার্গোলিন বলেন, ‘এটা সত্য যে আমাদের ইতিহাস জানতে হবে; এবং সেজন্য জাদুঘর ও বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন নাৎসীদের বৈধ নির্দশনও রয়েছে। আপনার যেসব জিনিসপত্র বিক্রি করেন, সেসব বৈধ নাৎসী নিদর্শনের মধ্যে পড়ে না।’

চিঠির জবাবে আলেকজান্ডার হিস্টোরিক্যাল অকশনসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্য ইতিহাস সংরক্ষণ করা। প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট মিনডি গ্রিনস্টেইন বিবিসিকে এ সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা যদি সঠিক ইতিহাস জানতে চাই, তাহলে প্রথমে আমাদের ঐতিহাসিক বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষন করতে হবে। আলেকজান্ডার হিস্টোরিক্যাল অকশনস সেই কাজটিই করছে।’

‘আমরা বিশ্বাস করি, ইতিহাস ভালো হোক কিংবা খারাপ— অবশ্যই তা সংরক্ষণ করতে হবে।’

প্রেমের টানে মালয়েশিয়ান তরুণী রাজশাহীতে
                                  

রাজশাহী প্রতিনিধি
প্রেমের টানে এবার রাজশাহী এসেছেন মালয়েশিয়ান তরুণী সান্ডি। বিয়ে করেছেন প্রেমিক জুলফিকারকে। জুলফিকার রাজশাহী মহানগরীর বিনোদপুর এলাকার মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে। তার বাড়িতেই এখন বিদেশি বধু। ২০ বছর বয়সী স্যান্ডি বিয়ের আগে ধর্মান্তরিত হয়েছেন। এখন তিনি আলিশা অ্যানি। তিনি মালয়েশিয়ার পাসপোর্ট দপ্তরে কর্মরত।

জুলফিকার বলেন, প্রায় ৮ বছর আগে পড়ালেখার জন্য তিনি মালয়েশিয়ায় যান। ওই সময় পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন চাকরি করতেন তিনি। সেখানেই স্যান্ডির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এক সময় তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। জুলফিকার আরও বলেন, মালয়েশিয়া থেকে উড়ে আসেন স্যান্ডি। ঈদের তিন দিন পর গত ১৪ জুলাই ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এই বিয়ে নিয়ে আমার ভাই-বোন ও মা আত্মীয়-স্বজন সবাই খুব খুশি।

সত্যিকারের ভালোবাসা কোনো বাধা, ধর্ম ও ভাষা মানে না বলে উল্লেখ করেন জুলফিকার। তিনি বলেন, স্যান্ডি খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী ছিলেন। প্রেমের জন্য ধর্মান্তরিত হয়ে পরিবার ছেড়েছেন। ধর্মান্তরিত হওয়ার পর তার নাম রাখা হয়েছে আলিশা অ্যানি। তার ভালোবাসা অবশ্যই আমার কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি। আলিশা অ্যানি জানান, বাংলাদেশ এবং রাজশাহী তার ভীষণ ভালো লেগেছে।

তার শাশুড়ি মা তাকে পছন্দ করায় এবং পুত্রবধূ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় তিনি অনেক খুশি এবং আনন্দিত। শাশুড়ির সঙ্গে সংসারে কাজ করতে চান। কিন্তু তার শাশুড়ি ভালোবেসে কিছুই করতে দেন না বলেও জানান মালয়েশিয়ান নববধূ। আগামী সপ্তাহেই স্বামী জুলফিকারকে নিয়ে তিনি নিজ দেশ মালয়েশিয়ায় ফিরতে চান। সেখানে দুইজনই নতুনভাবে নিজ ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চান তিনি।

মেয়েরা যে কথাগুলো সবার কাছে গোপন রাখে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
মেয়েরা নাকি কথা লুকিয়ে রাখতে পারে না! তাদের কাছে কোনো কথা গোপন রাখতে দিলে সেটি নাকি আর গোপন থাকে না, এক কান দুই কান করে সবার জানা হয়ে যায়! আসলেই কি তাই? এরকম যে একেবারেই ঘটে না, তা নয়। তবে এটি পুরোপুরি সত্যিও নয়। কারণ মেয়েরা অনেক কথাই গোপন রাখে যার নাগাল কেউ পায় না।

একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন, মেয়েরা এমন কিছু বিষয় গোপন রাখে যেখানে কারও প্রবেশাধিকার থাকে না। আপনি যদি মনে করেন নারীর মনের সব খবর আপনি জেনে গেছেন, তবে তা ভুল। কিছু কথা মেয়েরা নিজের ভেতরে লুকিয়ে রাখে। সেসবের খোঁজ পাওয়া মুশকিল। জেনে নিন মেয়েরা সাধারণত কোন বিষয়গুলো গোপন রাখতে চায়-

অফিস সম্পর্কিত কিছু কথা
এখনকার বেশিরভাগ মানুষই চাকরিজীবী। অধিকাংশ বাড়িতেই নারী-পুরুষ চাকরি করেন। চাকরিজীবী মানুষগুলো অফিসে একটি আলাদা জীবন রয়েছে। সব সহকর্মীর সঙ্গে মিশতে গিয়ে নিজের অনেক পরিবর্তন আনতে হয়। তবে মেয়েরা অফিসের সব কথা সবার সঙ্গে শেয়ার করতে চান না। তারা ব্যক্তিগত জীবন আর কর্মজীবন আলাদা রাখতে পছন্দ করেন।

​বান্ধবীর কথা
ছেলেরা বন্ধুদের সব কথা যেভাবে বলে দিতে পারে, মেয়েরা তা করে না। বেশিরভাগ মেয়েই এ বিষয়ে চুপ থাকতে পছন্দ করে। এমন নয় যে তাদের ভেতরে গোপন কিছু রয়েছে, কিন্তু তারা নিজেদের ভেতরের সাধারণ কথাও বাইরে বলতে চায় না। তাদের জীবনযাত্রার ধরনই এমন। এভাবে ছোট থেকে তারা বড় হয়। তাই বান্ধবীদের কথা কথা নিজেদের ভেতরে রাখতেই পছন্দ করে।

ছোটখাটো সমস্যা
সবার জীবনেই কোনো না কোনো সমস্যা আসে। আবার সমাধানও হয়ে যায়। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, সমস্যার প্রথম দিকে মেয়েরা সেটি লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে। এখান থেকেই বাঁধে বড় সমস্যা। সাধারণ সমস্যা থেকে শুরু করে মারাত্মক কোনো শারীরিক জটিলতাও তারা লুকিয়ে রাখতে চায়।

​জমানো টাকার কথা
বেশিরভাগ মেয়েই টাকা জমিয়ে রাখতে পছন্দ করে। তাদের একদম ছোট বেলা থেকেই এই অভ্যাস থাকে। আপনি তার পাশাপাশি থাকলেও তার জমানো টাকার বিষয়ে আঁচ করতে পারবেন না। আপনাকে আড়াল করেই সে টাকা জমিয়ে যাবে। শুধু নিজের জন্য নয় বরং সবার জন্য ভেবেই সে এমনটা করে থাকে। তাই তাকে স্বার্থপর ভাবার কোনো কারণ নেই!

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা
মেয়েরা বেশিরভাগ সময় পরিকল্পনা সাজাতেই ব্যস্ত থাকে। কিন্তু আগামী নিয়ে তার পরিকল্পনা কী তা আপনি চাইলেই চট করে ধরতে পারবেন না। সে নিজের জীবন নিয়ে অনেক কিছুই ভেবে থাকতে পারে। মুখে না বললেও ভবিষ্যতে তা বাস্তবায়িত করবে। যেহেতু চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া, তাই এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কারণ নেই।

এক অটোতে ২৭ যাত্রী, গুনতে গিয়ে অবাক পুলিশ!
                                  

অনলাইন ডেস্ক
তিন চাকার ৬ আসনের একটি অটোতে ২৭ জনকে বসিয়ে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এক অটোচালক। ভারতের উত্তরপ্রদেশে এই ঘটনা ঘটেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি উত্তরপ্রদেশের বিন্দি কোতওয়ালি থানা এলাকায়।

প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যরা অটোটি আটকে যাত্রীদের নামাচ্ছেন। কিন্তু একে একে ২৭ জন যাত্রী দেখে পুলিশ সদস্যরা অবাক হন।
যাত্রীদের মধ্যে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও ছিল। এক পথচারী ঘটনাটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়লে তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়।

খবরে জানা যায়, পুলিশ কর্মকর্তারা স্পিড গান নিয়ে দায়িত্ব পালনের সময় ফতেহপুরের বিন্দকি কোতওয়ালি এলাকায় অটোরিকশাটি থামায়। অতিরিক্ত গতিতে চলতে থাকা অটোরিকশাটি ধাওয়া দিয়ে থামানো হয়। পরে চার গুণ বেশি যাত্রী দেখে তারা হতবাক হয়ে যায়।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে আটক করা হয়েছে।

২ সন্তানের জননী চাচীকে বিয়ে করলেন ভাতিজা
                                  

সখীপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি :
দীর্ঘদিনের পরকীয়ার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চাচার দুই সন্তানসহ প্রাথমিক স্কুল শিক্ষিকা চাচী রহিমা আক্তার রুমাকে (৩৫) বিয়ে করলেন বহুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম।

উপজেলার কালিদাস পানাউল্লাহপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিজের স্ত্রী সন্তান থাকতেও চাচার কাছ থেকে চাচীকে ভাগিয়ে নিয়ে দুই সন্তানসহ বিয়ে করায় বিষয়টি রাজনৈতিক মহল, এলাকাবাসী ও চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন জায়গায় আলোচনার ঝড় বইছে।

জানা যায়, ১৯৯৮ সালে উপজেলার কালিদাস পানাউল্লাহপাড়া গ্রামের রাইজ উদ্দিনের ছেলে ইমান আলীর সাথে নলুয়া মোল্লাপাড়া গ্রামের আমির মোল্লার মেয়ে রহিমা আক্তার রুমার বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক বছর পরই ভাসুর হাজী আবদুল ছবুর মুন্সীর ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুল ইসলামের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন রহিমা। এর ফলে দিনদিন রহিমা তার স্বামী ইমান আলীর সাথে দূরত্ব সৃষ্টি করতে থাকে। এক পর্যায়ে বিষয়টি সারা গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে শরিফকে এ পথ থেকে ফেরাতে তার পরিবার ২০১৭ সালে বাসাইলের ময়থা গ্রামে বিয়ে করান। এতেও শরীফ আর রহিমা সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা যায়নি। অবশেষে ২০১৯ সালে চাচীকে দিয়ে চাচাকে ডিভোর্স করান শরীফুল।

সবশেষে দুই পরিবারের সমঝোতায় গেল সপ্তাহে বিয়ের মাধ্যমে ভাতিজা শরীফুল ইসলাম ও চাচী রহিমা আক্তার রুমির দেড় যুগের পরকীয়ার অবসান ঘটলো।

রহিমা ও তার ভাই আনোয়ার মোল্লার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা উভয়ই বিয়ে হওয়ার সত্যতা স্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জানান, শরিফুল ও রহিমার পরিবারের সমঝোতার মাধ্যমে এ বিয়েটি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তা শরিফের বর্তমান স্ত্রীও মেনে নিয়েছে।

বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া সেলিম বলেন, নিজের স্ত্রী সন্তান থাকার পরও সমাজে নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি হয়ে শরিফুল ইসলামের এরকম একটি কাজ করা ঠিক হয়নি।

রহিমার স্বামী ইমান আলী জানান, শরিফ আমার ভাতিজা হয়ে আমার সুখের সংসার জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খার করে দিয়েছে। আমার সন্তান দুটোকে সে এতিম করেছে। আমি ওই লম্পট ভাতিজার বিচার চাই।

গরুর গোস্তে আল্লাহর নাম!
                                  

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :
কখনো পাথরে, কখনো গাছের পাতায়, কখনো মাছের গায়ে আরবি বর্ণে ‘আল্লাহ’ শব্দটি রয়েছে এমন কথা শোনা গিয়েছে। এবার পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে গরুর গোস্তের একটি টুকরাতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের নাম ‘আল্লাহু’ লেখা ভেসে ওঠেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সোমবার (১৬ই আগস্ট) পটুয়াখলী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার ২নং মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের মানসুরাবাদ গ্রামের মৃধা বাড়িতে রান্না করা গরুর গোস্তের টুকরায় ‘আল্লাহু’ লেখা চমকপ্রদ এ ঘটনা ঘটেছে।

জানতে চাইলে মো: মিজানুর রহমান এর স্ত্রী মরিয়ম বেগম বলেন, কোরবানীর গোস্ত  ফ্রিজে রাখা ছিল। সকালে ফ্রিজ থেকে বের করে গোস্ত রান্না করার সময় পাতিলে এক টুকরা গোস্ত ভেসে উঠে দেখেন। পরে আরো নাড়লে আল্লাহ লেখা গোস্তের খন্ডটি পাতিলে না ডুবে বার বার ভেসে উঠে দেখে তা তুলে নেয়, এবং লেখা দেখেন আল্লাহর নাম। তিনি দেখে আশ্চর্য হয়ে বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিক তার বড়ভাই মো: কবিরকে জানান। এতে পুরো এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। জানা যায়, গোস্তে আল্লাহু লেখা একনজর দেখতে উৎসুক নারী-পুরুষ ওই বাড়িতে ভিড় করতে থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দা মানসুরাবাদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মো: নুরুল আলম গোস্তের টুকরাটি দেখে এতে ‘আল্লাহু’ লেখা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বরিশালে জন্ম নেয়া দুই মাথা ও তিন পা যুক্ত শিশুর মৃত্যু
                                  

বরিশাল ব্যুরো :
নগরীর ইসলামিয়া হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করা দুই মাথা ও তিন পা যুক্ত শিশুটি কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মারা গেছে। নগরের মুসলিম গোরস্থানে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তার দাফন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিশুটির বাবা আব্দুল জলিল।

এরআগে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরে নগরীর ইসলামিয়া হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে শিশুটি ভূমিষ্ট হয়। পরে শারিরীক সমস্যার কারনে শিশুটিকে রাতে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তির পর ওয়ার্ডে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে শিশুটি মারা যায়।

শিশুর স্বজনরা জানান, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বকশির ঘটিচর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জলিলের স্ত্রী শারমিন বেগম (৩৫) গর্ভধারণ কালের বয়স পাঁচ মাস হওয়ার পর স্থানীয় চিকিৎসকের দ্বারস্ত হন। এসময় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে দুটি মাথা থাকার কথা স্বজনরা জানতে পারেন। পরবর্তীতে পিরোজপুরে চিকিৎসকের দ্বারস্ত হলে হলে তারা দুটি বাচ্চার কথা বলেন।

এরপর মঙ্গলবার (৬ জুলাই) বরিশালের গাইনী চিকিৎসক ডাঃ তানিয়া আফরোজের কাছে যান শারমিন। এসময় তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জোড়া লাগানো দু’মাথা ওয়ালা বাচ্চার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে সিজারের মাধ্যমে বাচ্চা প্রসব করান। ইসলামিয়া হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই নারী পুর্ণাঙ্গ সময়েই বাচ্চা প্রসব করেছেন। সিজারের পর কিছুটা রক্তের সংকট দেখা দিলেও বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছেন।

মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো পাত্রভর্তি পুরনো ধাতব মুদ্রা
                                  

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রাজাগাঁও ইউনিয়নের রাজারামপুর গ্রামে মাটি খোঁড়ার সময় একটি ধাতবপাত্র পাওয়া গেছে– যার মুখ খুলে ভেতরে পাওয়া গেছে অনেক পুরনো ধাতব মুদ্রা। মুদ্রাভর্তি ধাতব পাত্র পেয়ে গোপন করার চেষ্টা করেন জমির মালিক। মঙ্গলবার বিকালে ধাতব মুদ্রা উদ্ধারের ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়।

মুদ্রাগুলোর গায়ে ১৮৮২, ১৮৮৭, ১৮৯০, ১৯০৭ ইত্যাদি সাল উল্লেখ করা আছে। রাজারামপুর গ্রামের কেশব চন্দ্র বর্মণের বাড়ির মাটি খোঁড়ার সময় গত শনিবার ধাতব মুদ্রাভর্তি পাত্রটির সন্ধান মেলে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেশব চন্দ্র বর্মণ শৌচাগারের রিং স্থাপনের জন্য মাটি খোঁড়ার কাজ করছিলেন।

গত শনিবার মাটি খোঁড়ার কাজটির জন্য মহেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ নামে এক শ্রমিককে নিয়োগ করেন। মাটি খোঁড়ার একপর্যায়ে মহেন্দ্র একটি পাত্রের অস্তিত্ব টের পান। আগ্রহ থেকে আরও বেশ কিছুটা খোঁড়ার পর পাওয়া যায় একটি ধাতব পাত্র। পাত্রটি খুলে তিনি ভেতরে মুদ্রা দেখতে পান।

পরে মুদ্রা ভরা পাত্রটি তিনি কেশবের হাতে তুলে দেন। কেশব বিষয়টি গোপন রাখতে মহেন্দ্রকে অনুরোধ করেন। গত সোমবার মহেন্দ্র খোশগল্প করার সময় পাত্রভর্তি ধাতব মুদ্রা পাওয়ার ঘটনাটি বলে দেন। এর পর তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে কেশবের বাড়ি থেকে পাত্রভর্তি মুদ্রাগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মঙ্গলবার বিকালে ধাতব মুদ্রা উদ্ধারের ঘটনা এলাকায় জানাজানি হয়।

থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। রুহিয়া থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি তদন্ত করছেন। তিনি জানান, পাত্রে ১৪৩টি ধাতব মুদ্রা পাওয়া গেছে। কোনো কোনো মুদ্রার গায়ে ১৮৮২, ১৮৮৭, ১৮৯০, ১৯০৭ ইত্যাদি সাল উল্লেখ করা আছে। মুদ্রাগুলো প্রত্নতাত্ত্বিক ও সরকারি সম্পদ হওয়ায় সেগুলো রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

রাজশাহীতে ৯৫০ টাকায় বিক্রি হলো একটি আম
                                  

রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ওয়াজ মাহফিলে দান করা একটি আম ৯৫০ টাকায় নিলামে বিক্রি হয়েছে।  দেখতে সুন্দর রঙিন অসময়ে গাছে ধরা আমটির ওজন প্রায় ৩০০ গ্রাম। মোহনপুর উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই নিলাম হয়। ওই আমটি ৯৫০ টাকায় কেনেন একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক নামে এক যুবক।

আমটি অধিক দামে বিক্রির খবর এলাকার ছড়িয়ে পড়লে পরদিন বুধবার সকালে ওই যুবকের বাড়িতে ভিড় জমান আশপাশের উৎসুক জনতা। আমটির সঙ্গে সেলফিও তোলেন অনেকে। ওয়াজ মাহফিলের সভাপতি মো. দেরাজ উদ্দীন জানান, উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের একটি ওয়াক্তিয়া মসজিদের উন্নতিকল্পে ইসলামি জলসার আয়োজন করে মসজিদ কমিটি।

মসজিদের উন্নয়নকল্পে সবাই সেখানে দান করেন।  মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওয়াজ চলার সময় স্থানীয় এক নারী আমটি দান করেন। অসময়ের আম দেখে সবার মধ্যে কৌতুহল সৃষ্টি হয়। সাধারণত বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে দান করা জিনিসগুলো ডাকের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।  বিক্রির সেই টাকা দানের মধ্যে গণ্য হয়।  তবে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য; ওই রঙিন আমটি ৯৫০ টাকায় নিলামে বিক্রি হয়েছে।

সব জিনিস বিক্রি হওয়ার পর আমটি নিলামে তোলা হয়। আমটি কিনতে দাম হাকাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। আমটির দাম ২০ টাকা থেকে শুরু হয়; এরপর দাম গিয়ে ঠেকে ৯৫০ টাকায়। আমটি কেনেন আব্দুর রাজ্জাক। মসজিদ কমিটির সদস্য সাদেকুল আলম বলেন, মসজিদের উন্নয়নে অনেকেই অনেকে মুরগি, ডিম, সোনার নাকফুল, ফলমূলসহ বিভিন্ন জিনিস দান করেন। কিন্তু সবার নজর ছিল ওই রঙিন পাকা আমটির দিকেই।

অসময়ের এই আম নিলামে বেশি টাকায় বেচা হবে এমনটি ধারণা করেছিলাম। শেষ পর্যন্ত সেটিই হয়েছে। যেখানে সোনার নাকফুলের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা উঠেছে সেখানে একটি আমের মূল্যই উঠেছে ৯৫০ টাকা!

আমটির ক্রেতা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মসজিদের উন্নয়ন ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে আমটি এত দামে কিনেছি। মসজিদের জিনিস বেশি দামে কিনলে আমার ওই টাকাগুলো কাজে দেবে। অসময়ের আম কিংবা উৎসাহের বসে এমনটা করিনি।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ

বিড়ালছানাকে বাঁচাতে আগুনে ঝাপ দিল কুকুর
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : হিংসা, বিদ্বেষ, লোভ আর আত্মকেন্দ্রিকতা যখন মানুষকে ঘিরে ধরেছে তখন বিরল কিছু ঘটনা সবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় আমরা কতটা বদলে গেছি। মানবতা থেকে দূরে আছি কতটা। এমন সময়ে সেসব বিরল ঘটনা নতুন করে আমাদের জীবনের কথা শেখায়।  

তেমনই একটি ঘটনা ঘটেছে ইউক্রেনে। খেলার সঙ্গী বিড়ালছানাকে বাঁচাতে অগ্নিকুণ্ডে লাফ দিয়েছিল একটি কুকুর।

ব্রেথফুল ডটকমের এক খবর জানানো হয়েছে, সম্প্রতি ইউক্রেনের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি কোম্পানিতে আগুন লেগেছিল। মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ আগুন গ্রাস করে নেয় পুরো এলাকা। সেখানে যারা ছিলেন, সবাই নিজের প্রাণ বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় ছোটাছুটি শুরু করেন। আর সবার মতো কোম্পানির এক কর্মীও পালাতে থাকেন ঘটনাস্থল থেকে। এসময় তার সঙ্গে ছিল পোষা কুকুর।

আচমকা ওই কর্মী খেয়াল করেন পোষা কুকুরটি তার বিপরীত দিকে দৌড়ে যাচ্ছে। প্রথমে তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেননি। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন কুকুরটির দিকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার শখের কুকুরটি দৃষ্টিসীমা থেকে হারিয়ে যায়। এর কিছু সময় পর তিনি দেখতে পান, আগুনের বিরুদ্ধে লড়াই করে ফিরে আসছে তার পোষা কুকুর। কিন্তু মুখে কিছু একটা কামড়ে ধরে আছে। কাছে আসার পর দেখতে পান তার মুখে ছোট্ট বিড়াল ছানাটি, যে ছিল তার খেলার সঙ্গী। তখন ওই কর্মী বুঝতে পারেন জীবনের মায়া ছেড়ে দিয়ে কেন আগুনে ঝাঁপ দিয়েছিল কুকুরটি।

স্বাধীন বাংলা/ন উ আহমাদ

১০৫ সন্তান নেয়ার লক্ষ্যে এগার শিশুর মা ক্রিস্টিনা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : শিশুদেরকে ভালো লাগা এবং তাদের প্রতি অনেক ভালোবাসা তেইশ বছর বয়সী ক্রিস্টিনার। এতোমধ্যে তিনি ১১ সন্তানের মা হয়েছেন। ১১ সন্তানের মধ্যে ১০ জনেরই জন্ম হয়েছে অন্য নারীর গর্ভ ভাড়া নিয়ে। তাদের মধ্যে শুধু একটি সন্তান ক্রিস্টিনার গর্ভে বেড়ে উঠেছে। ক্রিস্টিনা উজটার্কের আশা ১০৫ সন্তানের মা হবেন তিনি।

ক্রিস্টিনার স্বামী গালিপ উজটার্ক জর্জিয়ায় বড় একটি হোটেলের মালিক। কোটিপতি এই দম্পতির অথের্র কোনো অভাব নেই। ক্রিস্টিনার স্বামীও বাচ্চা খুব ভালোবাসেন। দুজনেই চান, বহু সন্তান তাদের সংসারে আসুক। আর জর্জিয়ায় সন্তান জন্মের জন্য গর্ভ ভাড়া বেআইনি নয়।

ছয় বছর আগে একজন কন্যাসন্তানের জন্ম দেন ক্রিস্টিনা উজটার্ক। সেই সন্তানের নাম ভিকা। ভিকার পর তাদের সব সন্তান অন্য নারীর গর্ভে বেড়ে উঠেছে। সেখানে গর্ভ ভাড়া নেওয়াটা যথেষ্ট খরচের ব্যাপার। তার পরেও ২৩ বছরের কোটিপতি ক্রিস্টিনা এবং তার স্বামীর শিশুপ্রেমের কাছে তা নেহাতই ছোট বিষয়।

ক্রিস্টিনা জানান, ১০ সন্তানের জন্য মোট ৮০ হাজার ইউরো খরচ হয়েছে। ১০ সন্তানের মধ্যে কনিষ্ঠ অলিভিয়া। গত মাসের শেষে জন্ম হয়েছে তার।

স্বাধীন বাংলা/জ উ আহমাদ


   Page 1 of 7
     চিত্র-বিচিত্র
অতি বিরল নীল গলদা চিংড়ি
.............................................................................................
গুগল থেকে আচমকাই অ্যাকাউন্টে ঢুকল ২ কোটি টাকা!
.............................................................................................
পঞ্চম বিয়ে ঠেকাতে মণ্ডপে হাজির সাত সন্তান!
.............................................................................................
দাফনের ৩ বছর পর সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধার আবার মৃত্যু!
.............................................................................................
প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ১৫ মিনিটে ছয়জনের পকেট ফাঁকা
.............................................................................................
নিলামে হিটলারের ঘড়ি, বিক্রি হলো ১১ লাখ ডলারে
.............................................................................................
প্রেমের টানে মালয়েশিয়ান তরুণী রাজশাহীতে
.............................................................................................
মেয়েরা যে কথাগুলো সবার কাছে গোপন রাখে
.............................................................................................
এক অটোতে ২৭ যাত্রী, গুনতে গিয়ে অবাক পুলিশ!
.............................................................................................
২ সন্তানের জননী চাচীকে বিয়ে করলেন ভাতিজা
.............................................................................................
গরুর গোস্তে আল্লাহর নাম!
.............................................................................................
বরিশালে জন্ম নেয়া দুই মাথা ও তিন পা যুক্ত শিশুর মৃত্যু
.............................................................................................
মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো পাত্রভর্তি পুরনো ধাতব মুদ্রা
.............................................................................................
রাজশাহীতে ৯৫০ টাকায় বিক্রি হলো একটি আম
.............................................................................................
বিড়ালছানাকে বাঁচাতে আগুনে ঝাপ দিল কুকুর
.............................................................................................
১০৫ সন্তান নেয়ার লক্ষ্যে এগার শিশুর মা ক্রিস্টিনা
.............................................................................................
৪৬ হাজার টাকার এক কাতল মাছ ধরা পড়ল পদ্মায়
.............................................................................................
লন্ডন জাদুঘরে রাখা হলো ‘শিশু ট্রাম্পকে’
.............................................................................................
ডিএসপি মেয়েকে ইন্সপেক্টর বাবার স্যালুট
.............................................................................................
পদ্মা নদীতে ধরা পড়ল ২৪ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ
.............................................................................................
কঠিন পাথুরে ভূমিতে ১২ ফুটের ধাতব স্তম্ভ, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য
.............................................................................................
ছয় গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে স্বামী বিয়ের আসরে
.............................................................................................
নিঃসঙ্গতা কাটাতে ১০৫ বছর বয়সে বিয়ে
.............................................................................................
পরীক্ষার মাঝেই ছেলের জন্ম দিলেন শিক্ষার্থী
.............................................................................................
সবার উপরে বান্দর
.............................................................................................
কুমারি নারীতে রাজার আসক্তি
.............................................................................................
গাছ স্বামীর সঙ্গে বিবাহবার্ষিকী পালন
.............................................................................................
মানুষের বিচার ব্যর্থ, অতঃপর ছাগলের বিচারে মুগ্ধ সবাই
.............................................................................................
মঙ্গলগ্রহে জমি কিনলেন বাঙালি যুবক, রেজিস্ট্রিও সম্পন্ন
.............................................................................................
যমজে যমজে বিয়ে, একই সঙ্গে অন্তঃস্বত্তা
.............................................................................................
তিন লাখ ডলারে একটি ফোন নম্বর বিক্রি
.............................................................................................
রাতে মাস্ক পরা যেখানে বাধ্যতামূলক
.............................................................................................
খাটো মানুষ বেশি মেজাজী হয়!
.............................................................................................
১৮ হাজার ইয়াবাসহ একজন আটক
.............................................................................................
১৩ কোটি টাকায় একটি মাস্ক
.............................................................................................
যে কারণে সূর্যের রং লাল হয়
.............................................................................................
করোনায় রূপ নিল পকোড়া
.............................................................................................
ব্যাংকঋণ না পেয়ে কিডনি বিক্রির বিজ্ঞাপন!
.............................................................................................
গরু-মহিষের আবাসিক হোটেল!
.............................................................................................
যুবতী থেকে এক রাতেই যুবকে পরিণত, একনজর দেখতে লোকজনের ভিড়!
.............................................................................................
প্রেমিকের পুরুষাঙ্গ ‘হেয়ার স্ট্রেটনার’ দিয়ে পোড়ালেন তরুণী
.............................................................................................
যেখানে চলে প্রকাশ্যে নারী কেনাবেচা!
.............................................................................................
বিয়ে ছাড়াই সন্তানের মা!
.............................................................................................
২০টি ডিম পেড়েছে এ কিশোর
.............................................................................................
বিশ্বের প্রথম ভাসমান দেশ!
.............................................................................................
মঙ্গল গ্রহের বাসিন্দা ছিলেন এই যুবক!
.............................................................................................
ছাগলের পেট থেকে মানবাকৃতির বাচ্চার জন্ম!
.............................................................................................
৩০ জনকে খুন করে মাংস খাওয়া দম্পতি
.............................................................................................
এদিনের মধ্যে ৫৭ জন নারীর সঙ্গে যৌনসঙ্গম করে বিশ্ব রেকর্ড!
.............................................................................................
সেলফিপ্রেমীদের শীর্ষ ১০ শহর!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT