রবিবার, ২ অক্টোবর 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
উঠে গেল ভোজ্যতেলের ভ্যাট মওকুফসুবিধা

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
ভোজ্যতেলের ভ্যাট হার আবারও আগের জায়গায় ফিরে গেল। সাড়ে ছয় মাস ধরে ভোজ্যতেল উৎপাদন ও ব্যবসায় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট মওকুফ করা হয়। আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ ছিল। শনিবার থেকে সেই রেয়াতি ভ্যাটসুবিধা আর নেই। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রজ্ঞাপনে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোজ্যতেল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের এই সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। গতকাল শুক্রবার এ সুবিধার মেয়াদ শেষ হয়েছে।

গত মার্চ মাসে স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ২০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। বর্তমানে দাম ১৯২ টাকা।

গত ১৪ মার্চ এনবিআর প্রজ্ঞাপন জারি করে সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট মওকুফ করে। এর দুই দিন পরে ভোজ্যতেলের আমদানি পর্যায়ে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। তখন এর মেয়াদ ঠিক করা হয় ৩০ জুন পর্যন্ত। পরে ৩ জুলাই আরেকটি প্রজ্ঞাপনে ভ্যাট মওকুফসুবিধার মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর করা হয়। গত শুক্রবার সেই মেয়াদ শেষ হলেও মেয়াদ বাড়ানোর জন্য এনবিআর নতুন কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করেনি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বছরে ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা আছে। এর মধ্যে ২ লাখ টন স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়। বাকি ১৮ লাখ টন আমদানি করা হয়।

উঠে গেল ভোজ্যতেলের ভ্যাট মওকুফসুবিধা
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
ভোজ্যতেলের ভ্যাট হার আবারও আগের জায়গায় ফিরে গেল। সাড়ে ছয় মাস ধরে ভোজ্যতেল উৎপাদন ও ব্যবসায় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট মওকুফ করা হয়। আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ ছিল। শনিবার থেকে সেই রেয়াতি ভ্যাটসুবিধা আর নেই। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রজ্ঞাপনে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোজ্যতেল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের এই সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। গতকাল শুক্রবার এ সুবিধার মেয়াদ শেষ হয়েছে।

গত মার্চ মাসে স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ২০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। বর্তমানে দাম ১৯২ টাকা।

গত ১৪ মার্চ এনবিআর প্রজ্ঞাপন জারি করে সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট মওকুফ করে। এর দুই দিন পরে ভোজ্যতেলের আমদানি পর্যায়ে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। তখন এর মেয়াদ ঠিক করা হয় ৩০ জুন পর্যন্ত। পরে ৩ জুলাই আরেকটি প্রজ্ঞাপনে ভ্যাট মওকুফসুবিধার মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর করা হয়। গত শুক্রবার সেই মেয়াদ শেষ হলেও মেয়াদ বাড়ানোর জন্য এনবিআর নতুন কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করেনি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বছরে ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা আছে। এর মধ্যে ২ লাখ টন স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়। বাকি ১৮ লাখ টন আমদানি করা হয়।

উন্নত লজিস্টিকস সেবায় পিছিয়ে দেশ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বিনিয়োগ বাড়ছে বিকশিত হচ্ছে বাণিজ্যও। তবে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে না উন্নত লজিস্টিকস সেবা। এতে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে সময় আর ব্যয় দুটোই বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু লজিস্টিকস সেবা উন্নয়নের মাধ্যমে রপ্তানি-আয় আরও ২০ ভাগ বাড়ানো সম্ভব।

২০২১-২২ অর্থবছরে ৫২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ। এ সময়ে আমদানি হয় প্রায় ৮৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। আর আমদানি-রপ্তানির সিংহভাগই হয়েছে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দিয়ে। অথচ সক্ষমতা দিক দিয়ে এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান পেছনের সাঁড়িতে।  

এদিকে, উন্নত লজিস্টিকস সেবাতেও পিছিয়ে দেশ। লজিস্টিকস সূচকে উদীয়মান ৫০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৩৯তম। এক সমীক্ষা বলছে, এখাতের উন্নয়নের মাধ্যমে রপ্তানি আয় আরও ২০ শতাংশ বাড়াতে পারে বাংলাদেশ। ২০৩০ সালের মধ্যে শুধু তৈরি পোশাক থেকেই ১০০ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। লক্ষ্য অর্জনে উন্নত লজিস্টিকস সেবার বিকল্প নেই, বলছেন ব্যবসায়ী নেতারা।

ডিসিসিআই সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম বলেন, “আমরা চাই যে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা আরও অনেক বাড়ুক। কারণ আমদানী-রপ্তানি দুটোই বাড়বে তাই অবকাঠামোও বাড়াতে হবে।” লজিস্টিকস সেবার মান ও ডিপোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আধুনিক যন্ত্রাপাতির সাথে দক্ষ মানবসম্পদ জরুরি। এসব নিশ্চিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন অর্থনীতিবিরা।

অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব আলী বলেন, “বন্দর আধুনায়ক হলেই যে সবকিছুর সমাধান হবে তা নয়। যে অসাধু চক্রটি আছে তারা কিন্তু বন্দর আধুনায়ক হলেও উল্টাপাল্টা করতে পারে।”

এছাড়া লজিস্টিকস খাতের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি, বলছেন ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি অর্থনীতিবিদরাও।

পোশাক রপ্তানি: যুক্তরাষ্ট্রেই বেড়েছে ৫৪.৪৩ শতাংশ
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
বিগত বছরের চেয়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানি ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারি-জুলাই এই সময়ে বাংলাদেশ থেকে ৫ দশমিক ৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল ডেটা সোর্স ‘অফিস অব টেক্সটাইল এন্ড এ্যাপারেল (ওটিইএক্স)’ পোশাক আমদানির সর্বশেষ পরিসংখ্যা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আলোচ্য সময়ে বিশ্ববাজার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৯ দশমিক ০৬ শতাংশ, চীন থেকে আমদানি বৃদ্ধির হার ৪০ শতাংশ। চলতি বছরের জানুয়ারি-জুলাইয়ে চীন থেকে ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

একই সময়ে ভিয়েতনাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি ৩৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, আমদানি পৌঁছেছে ১০ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলারে। অন্যান্য শীর্ষ দেশ যেমন ইন্দোনেশিয়া, ভারত, কম্বোডিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং পাকিস্তান থেকেও আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, মূলত করোনা মহামারী থেকে ঘুরে দাঁড়ানো এবং ভোক্তাদের কেনাকাটা বৃদ্ধির ফলে স্বাভাবিকের তুলনায় খুচরা বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, মূল্যস্ফীতি, ফেডের হার বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ২০২২ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা কতটা টিকে থাকবে সেটি ভাবনার বিষয়।

অস্বাভাবিক দীর্ঘ গরমের কারণে শীতের পোশাকের চাহিদাও তুলনামূলক কম বলে জানান বিজিএমইএ পরিচালক।

কুষ্টিয়া জনতা ব্যাংক কর্পোরেট শাখার বিতর্কিত এজিএম এখনও বহাল !
                                  

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
জনতা ব্যাংক কুষ্টিয়া কর্পোরেট শাখার বিতর্কিত এজিএম এখনও বহাল তবিয়তে অবস্থান করায় ব্যাংকের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে উদ্ধর্তন কর্মকর্তারা তদন্ত করলেও ওই তদন্ত রির্পোট খুটির জোরে সবই তার পক্ষে নিচ্ছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। এতে করে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে পড়ছে। ব্যাংকের একটি সূত্র জানায়, জনতা ব্যাংক কর্পোরেট শাখার বর্তমান এজিএম নাজমা বেগম যোগদানের পর প্রথমেই ২৯ লক্ষ সরকারী টাকা আত্মসাতের দূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

ওই দূর্নীতি পরবর্তীতে তদন্ত হলে ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার মনোজ কুমার দোষী সাবস্ত হলেও নাজমা বেগম এক অজ্ঞাত কারনেই তদন্ত রির্পোট তার পক্ষে নিতে সক্ষম হন এবং তাকে সর্তক করা হয়। কিন্তু মনোজ কুমার দোষী হলেও এজিএম নাজমা বেগমও সমান দায়ী ছিল বলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তারা জানায়। কিন্তু নাজমা বেগমের খুটির জোড় থাকায় তিনি সুকৌশলে সে যাত্রায় রক্ষা পান।

এর পর আবার জনতা ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দপ্তর থেকে তার বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানীসহ আচারণ খারাপের অভিযোগে তদন্ত আসলে সে যাত্রাতেও খুটির জোড়ে বেঁচে যান। কিসের তার এত খুটির জোড় এ প্রশ্ন এখন কুষ্টিয়া জুড়ে আলোচনা সমালোচনা চলওে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ওই কর্মকর্তা এখনো বহাল থাকায় ব্যাংকের চরম ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে আলোচনা ঝড় বয়ে যাচ্ছে। এর পর আবার অতি সম্প্রতি তারই উপস্থিতে ব্যাংকের মধ্যে গ্রাহক হয়রানীর ঘটনা ঘটলেও তিনি ছিলেন নিরব। ব্যাংকের মত একটি স্বচ্ছ জায়গায় এ ধরনের কর্মকর্তা চাকুরী করেন কিভাবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এ ব্যাপারে এজিএম নাজমা বেগমের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি ক্ষেপে উঠেন এবং বলেন আপনাদের ক্ষমতা যদি থাকে তা হলে আমাকে বদলী করে দেখান। তার এই ভাষা শুনে মনে হচ্ছে তিনি জনতা ব্যাংকের মালিক সেজে বসে আছেন। নাজমা বেগমের হাত থেকে জনতা ব্যাংক কর্পোরেট শাখার সুনাম ধরে রাখতে তাকে অন্যত্র বদলী করা জরুরী প্রয়োজন দেখা দিয়েছে বলে সুশীল সমাজ দাবী করছে। ওই কর্মকর্তা বদলী হলেই ব্যাংকের সুনাম আবার ফিরে আসবে।

চলতি অর্থবছরে ৬.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস এডিবির
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

সংস্থাটির মতে, অভ্যন্তরীণ ভোগ ব্যয় বা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহের দুর্বলতায় গত অর্থবছরের চেয়ে এবার প্রবৃদ্ধি কম হবে। একই সময় মূল্যস্ফীতির হার থাকবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ।।

বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এডিবির ঢাকা কার্যালয়ে প্রকাশিত এশীয়ান ডেভলপমেন্ট আউটলুকে এসব তথ্য জানানো হয়।

এসময় সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং জানান, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় এবং জ্বালানি সংকটের কারণে এ বছর কাঙ্ক্ষিত হারে বিনিয়োগ হবে না। ধীরগতি দেখা দেবে সরকারি বিনিয়োগেও।

এ অবস্থায় রাজস্ব আদায় বাড়াতে সরকারকে তাগিদ দিয়েছে এডিবি।

নতুন করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ৩০ জুন
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে ব্যক্তি পর্যায়ের নতুন করদাতাদের বাড়তি সুযোগ দিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রথমবারের মতো যারা আয়কর রিটার্ন জমা দেবেন, তারা জরিমানা ছাড়াই আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সময় পাবেন। তবে পুরাতন করদাতাদের আগের মতোই ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে হবে।

এনবিআরের আয়কর পরিপত্র সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে এনবিআরের এক কর কমিশনার বলেন, নতুন করদাতাদের জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটে ‘কর দিবস’-এর সংজ্ঞা সংশোধন করেছে এনবিআর। ব্যক্তি পর্যায়ে যিনি আগে কখনো রিটার্ন দাখিল করেননি, তার জন্য আয়বর্ষ শেষ হবে পরবর্তী ৩০ জুন। অর্থাৎ ওই সময়ের মধ্যে যেকোনো দিন রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। আয়কর পরিপত্রে বিষয়টির বিস্তারিত ব্যাখ্যা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিপুল সংখ্যক করদাতাকে করের আওতায় আনতে এটি একটি ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করি। বর্তমানে দেশে ৭৮ লাখের বেশি টিআইএনধারী রয়েছেন। যার মধ্যে প্রায় ২৪ লাখ করদাতা নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন। আয়কর আইনে টিআইএনধারীদের জন্য রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করা হলেও এনবিআর এতোদিন করদাতাদের বাধ্য করেনি।

কিন্তু ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা ও বিভিন্ন সেবা গ্রহণসহ প্রায় ৪০ ধরনের পরিসেবার জন্য আয়কর রিটার্নের জমা স্লিপ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আয়কর রিটার্ন দাখিলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। সাধারণত প্রতি বছর ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা থাকে। নির্দিষ্ট সময়ে দাখিল করতে ব্যর্থ হলে ব্যক্তিগত করদাতাদের প্রতি মাসে দুই শতাংশ হারে জরিমানা দিতে হয়।

অন্যদিকে আয়কর রিটার্ন দাখিল না করেই কোনো নির্দিষ্ট সেবা গ্রহণকারী কোনো ভুয়া করদাতা ধরা পড়লে, সেবা প্রদানকারীকে করদাতা কর্তৃক ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রয়েছে। এ কারণে এনবিআর সাম্প্রতিক সময়ে পরিসেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর জন্য একটি কর-রিটার্ন যাচাইকরণ মডিউল তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আরও কমলো সোনার দাম
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে ৯৩৩ টাকা কমানো হয়েছে। ফ‌লে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভ‌রি সোনার দাম কমে দাঁড়াবে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা। যা এতদিন ছিল ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা।

রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) থেকে সারাদেশে নতুন দর কার্যকর হবে।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, সোমবার থেকে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৫ টাকা কমে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের দাম কমানো হয়েছে ৭০০ টাকা, এখন বিক্রি হবে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ৫৮৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা।

তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ২২৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা অপরিবর্তিত আছে।

এর আগে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাজুস সোনার দাম কমিয়েছিল বাজুস যা ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়। ওই দরে আজকে পর্যন্ত সোনা বেচাকেনা হয়।

রোববার ভালো মানের সোনার দাম ছিল ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ৭৯ হাজার ৪৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হয়েছে ৬৮ হাজার ১১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ৫৬ হাজার ৪৫৪ টাকা।

এক সপ্তাহে ১২ হাজার কেজি ইলিশ গেল ভারতে
                                  

জেলা প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
এক সপ্তাহে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতের ত্রিপুরার কৈলাশহরে প্রায় ১২ হাজার কেজি ইলিশ মাছ রপ্তানি হয়েছে। বাংলাদেশি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (০৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় জারা এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে ভারতের কৈলাশহরের ব্যবসায়ী আব্দুল মুহিত প্রতি কেজি ৮ ডলার মূল্যে বাংলাদেশি ১৫ লাখ ১৫ হাজার ৮০০ টাকায় ২ হাজার কেজি বাংলাদেশি ইলিশ রপ্তানি করেছেন। পরবর্তীতে ১২ সেপ্টেম্বর (সোমবার) একই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভারতীয় ব্যবসায়ী আব্দুল মুহিত আরও ২ হাজার কেজি ইলিশ রপ্তানি করেন।

অন্যদিকে গত ১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি আমদানি-রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান বিডিএস কর্পোরেশন চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতের কৈলাশহরের মনিকা এন্টারপ্রাইজের কাছে ২ হাজার ৯৫০ কেজি ইলিশ রপ্তানি করেছে। শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় আবার বিডিএস কর্পোরেশন ভারতের ত্রিপুরার কৈলাশহরের মনিকা ইন্টারপ্রাইজের কাছে আরও ৪ হাজার ৭২৫ কেজি ইলিশ মাছ রপ্তানি করেছে। সব মিলিয়ে গত এক সপ্তাহে চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে ত্রিপুরার কৈলাশহরে মোট ১১ হাজার ৬৭৫ কেজি ইলিশ মাছ রপ্তানি করা হয়। সব মিলে গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক সপ্তাহে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতে গেল ১১ হাজার ৭২৫ কেজি ইলিশ মাছ গেছে।

জারা এন্টারপ্রাইজের পরিচালক জসিম উদ্দিন বলেন, গত এক সপ্তাহে চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে ত্রিপুরার কৈলাশহরে ১১ হাজার ৬৭৫ কেজি ইলিশ মাছ রপ্তানি করা হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ পথে আরও ইলিশ মাছ রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে।

চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশনের পরিদর্শক বাবলু সিনহা বলেন, এক সপ্তাহে ১১ হাজার কেজির অধিক ইলিশ রপ্তানি রয়েছে। এই স্টেশন দিয়ে ইলিশ রপ্তানির নতুন দ্বার উন্মোচন হয়েছে।

 

সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার ৬ প্রকল্প অনুমোদন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৭৩৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৫ হাজার ৯২৯ কোটি ৩ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ সহায়তা থেকে ২ হাজার ৮১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এনইসি সম্মেলন কক্ষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘কুমিল্লা (ময়নামতি)-ব্রাহ্মণবাড়িয়া (ধরখার) জাতীয় মহাসড়ককে (এন-১০২) চার লেন জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ’ প্রকল্পসহ মোট ৬টি প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চার লেন প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৭ হাজার ১৮৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৪ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা এবং ভারতীয় ঋণ থেকে ২ হাজার ৮১০ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। প্রকল্পটি চলতি বছরের জুলাই থেকে জুন ২০২৬ সালে বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। প্রকল্পটি কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বুড়িচং, দেবিদ্বার, মুরাদনগর, ব্রাহ্মণপাড়া, কসবা ও আখাউড়া উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হচ্ছে-

‘বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়কের (এন-৮০৯) বরিশাল (চরকাউয়া) থেকে ভোলা (ইলিশা ফেনিঘাট) হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত সড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (১ম সংশোধিত)’।

‘চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার থেকে শাহ্-আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’। ‘ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) মিটফোর্ড, কুমিল্লা, ফরিদপুর, বরিশাল ও বগুড়া-এর সক্ষমতা বৃদ্ধি’।

‘মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ’ এবং ‘আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেল সংযোগ নির্মাণ (বাংলাদেশ অংশ)-শীর্ষক প্রকল্পের মেয়াদ ৪র্থ বার বৃদ্ধি’।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মামুন-আল-রশীদ, ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য সত্যজিৎ কর্মকার, তথ্য ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন এবং পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম প্রমুখ।

স্বাধীন বাংলা/এআর

আধা ঘণ্টায় সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা লেনদেন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন চলছে। আজ অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় লেনদেনের প্রথম আধা ঘণ্টায় দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক বেড়েছে ২৭ পয়েন্ট। অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক বেড়েছে ৪৩ পয়েন্ট।

সূচকের পাশাপাশি বাড়ছে লেনদেনও। দিনের প্রথম আধা ঘণ্টায় লেনদেন পার করেছে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা। ডিএসইর তথ্য মতে, সকাল সাড়ে ৯টায় লেনদেন শুরুর প্রথম ৩০ মিনিটে ডিএসইতে ৩৩২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে ১০৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ১২৩টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১০২টির দাম।

এ সময়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৭ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৫৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৫ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮ পয়েন্ট বেড়েছে। এই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৬৬ কোটি ৩৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকার শেয়ার।

একই অবস্থায় লেনদেন হচ্ছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। প্রথম ৩০ মিনিটে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৯ হাজার ৩১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২ কোটি ৯৩ লাখ ৮৪১ টাকা। সিএসইতে ৩০ মিনিটে ৯৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ৩৭টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টির দাম।

৩ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ নেবে সরকার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাজেট ঘাটতি মেটাতে বিদেশি ঋণই এখন ভরসা। তাই এই ঘাটতি মেটাতে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত তিন বছরে বিদেশ থেকে তিন লাখ ৩৩৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ সহায়তা নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিদেশি ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে আগামী দুই অর্থবছরে ব্যয় হবে ৪৩ হাজার কোটি টাকা। ডলারের অঙ্কে প্রতি বছর বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যয় হবে দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি।

অর্থ বিভাগের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদেশি ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ধরা হয়েছে এক লাখ ১২ হাজার ৭০ কোটি টাকা। এর পরের অর্থবছর অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ঋণ নেওয়া হবে এক লাখ ২৬ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে ঋণ নেওয়ার টার্গেট রয়েছে ৯৮ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাজেটে মোট অর্থায়নে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেওয়া ঋণের অংশ মধ্যমেয়াদে ধীরে ধীরে কমবে এবং বৈদেশিক অর্থায়নের হার বাড়বে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থায়ন মোট অর্থায়নের ৪৫ শতাংশে পৌঁছাবে। আগামী তিন বছরে বৈদেশিক উৎস থেকে অনুদানের পরিমাণ সামান্য প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে যাবে। অন্যদিকে একই সময়ে বার্ষিক ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ক্রমেই বাড়তে থাকবে।

চলতি অর্থবছরে ঋণ পরিশোধে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা। আগামী ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যা হবে

যথাক্রমে ২০ হাজার ৪৬ কোটি টাকা এবং ২২ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা। তবে বাজেটে বিদেশি ঋণের প্রক্ষেপণ যা-ই ধরা হোক, সেই হারে কিন্তু কখনো ঋণ পাওয়া সম্ভব হয়নি। যেমন সদ্য সমাপ্ত ২০২১-২২ অর্থবছরে বিদেশি নিট ঋণের লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ৯৭ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা। কিন্তু বছর শেষে তা সংশোধন করে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ধরা হয় ৭৭ হাজার ২০ কোটি টাকা।

অর্থ বিভাগের একটি সূত্র জানায়, বিদেশি ঋণের জন্য এখন বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। এই দুই সংস্থা থেকে উল্লেখযোগ্য ঋণ পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। যেমন আইএমএফের কাছ থেকে ব্যালেন্স অব পেমেন্ট স্থিতিশীল রাখতে আগামী তিন অর্থবছরে ৪৫০ কোটি ডলার পাওয়া যেতে পারে। বিশ্বব্যাংকের কাছেও বাজেট সহায়তায় ঋণ চাওয়া হবে। অনেকটা স্বল্প সুদে এ ঋণ পেলে ঘাটতি বাজেট বাস্তবায়নে সুবিধা হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিরাপদ জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হবে। সেটা নির্ভর করছে এসব ঋণ কতটা দ্রুত সময়ে পাওয়া যায় তার ওপর।

এদিকে এখন স্বল্প সুদে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে একধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ বিভাগ বলছে, বাংলাদেশ বহু বছর ধরে স্বল্প সুদে নমনীয় শর্তে (কনসেশনাল) বৈদেশিক ঋণ পাওয়ার সুবিধা ভোগ করে আসছিল। তবে ২০১৫ সালে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া বাংলাদেশ এখন ব্লেন্ডেড শর্তে বেশির ভাগ ঋণ নিচ্ছে, যার সুদের হার ও অন্যান্য শর্ত নমনীয় ঋণের চেয়ে কিছুটা বেশি হলেও আন্তর্জাতিক ঋণ বাজারের সুদের হারের চেয়ে কম। এতে বৈদেশিক ঋণের ব্যয় কিছুটা বেড়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের গড় অন্তর্নিহিত সুদ হার যেখানে ছিল শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ, সেটি ২০২৪-২৫ অর্থবছর নাগাদ ১ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত হবে বলে প্রক্ষেপণ করা হয়েছে।

গত পাঁচ বছরে অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ। পাঁচ বছরের ব্যবধানে বৈদেশিক ঋণ বেড়ে দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৫ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ৪ হাজার ৫৮১ কোটি ডলার। গত ২০২১-২২ অর্থবছরের মার্চ শেষে এ ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ৩২৩ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। এ সংখ্যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ২১ শতাংশ। বড় ঋণের বেশির ভাগই সরকারের নেওয়া ঋণ, যা শতকরা হিসাবে ৭৩ শতাংশ। আর এ সময়ে বেসরকারি খাত ঋণ নিয়েছে ২৭ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিদেশি উৎস থেকে সরকারি-বেসরকারি খাতে ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৫ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলার বা চার হাজার ৫৮১ কোটি ডলার। এর মধ্যে ৩৬ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ চার হাজার ৬৭৮ কোটি ডলার ছিল দীর্ঘমেয়াদি ঋণ। আর স্বল্পমেয়াদি ঋণ ৯ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার, যা মোট জিডিপির ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ। আর বিদেশি ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ দশমিক ৩ শতাংশ।

২০২০-২১ অর্থবছরে বিদেশি ঋণের প্রবৃদ্ধি উচ্চহারে (১৯ শতাংশ) ছিল। ওই সময়ে মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ৮১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার বা ৮ হাজার ১৫৭ কোটি ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে (৯ মাসে) আরও ১১ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন বা এক হাজার ১৬৬ কোটি ডলার বেড়েছে।

দেশে এখন সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতেও বাড়ছে বিদেশি ঋণ। ২০১৭ সালের শেষে দেশের বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ১২ দশমিক ২৮ বিলিয়ন বা এক হাজার ২২৮ কোটি ডলার।

বেসরকারি খাতে গত পাঁচ বছরে বিদেশি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার। বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণের পরিমাণ সবচেয়ে বেড়েছে করোনাকালীন সময়ে। এ সময়ে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়া হয়েছে, যার ৭০ ভাগই স্বল্পমেয়াদি।

অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে খুলনায় তেল উত্তোলন বন্ধ
                                  

খুলনা প্রতিনিধিঃ
জ্বালানী তেলের কমিশন এবং ট্যাংকলরি ভাড়া কমানোর প্রতিবাদে খুলনায় তেল উত্তোলন বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট পালন করছে জ্বালানী তেল ও ট্যাংকলরি মালিকরা। মঙ্গলবার সকাল ৮ টা থেকে খুলনার পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রেখে এ ধর্মঘট পালন করছেন তারা। বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, জ্বালানী তেলের কমিশন বৃদ্ধি, ট্যাংকলরি ভাড়া বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবি জানিয়ে আসছি। অথচ সোমবার রাতে তেলের দাম কমানোর পাশাপাশি আমাদের কমিশন ও ট্যাংকলরি ভাড়া কমানো হয়েছে। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা জানান, রাতে জ্বালানী তেলের মূল্য ৫ টাকা কমানো হয়েছে। সেই সঙ্গে জ্বালানী তেলের কমিশন লিটারে ১৩ পয়সা এবং ট্যাংকলরি ভাড়া ৩ পয়সা কমানো হয়েছে। যার প্রতিবাদে সকাল ৮টা থেকে হঠাৎ জ্বালানী তেল উত্তোলন বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছে তারা। ফলে খুলনাসহ ১৫ জেলায় ট্যাংকলরিতে তেল পরিবহন ও সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

জ্বালানী তেল পরিবেশক সমিতির খুলনা বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোড়ল আব্দুস সোবাহান বলেন, ব্যবসা করার কোন পরিবেশ নেই। এখনই ৮/৯টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নেওয়া লাগছে। আরও অনেকেই লাইসেন্স নিতে বলছেন। এতো লাইসেন্স কেন প্রয়োজন, কি কাজে লাগবে। এছাড়া তেলের কমিশন বাড়ানো এবং ট্যাংকলরি ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছি আমরা। অথচ তেলের দাম যখন বাড়লো তখন কমিশন সেই পর্যায়ে বাড়ানো হয়নি। অথচ ৫ টাকা দাম কমানোর সাথে কমিশন ও ট্যাংকরি ভাড়া কমানো হয়েছে। সরকারের নীতি নির্ধারক পর্যায় কি করছে, কি ভাবছে আমাদের বোধগম্য নয়।

বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম কাবুল বলেন, তিন দফা দাবি জানিয়ে আমরা কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছিলাম। আমাদের দাবির বিষয়ে সুরহা হবে এমন কথা বলা হয়। অথচ রাতে দেখলাম কমিশন বাড়ানোর স্থানে উল্টো কমানো হয়েছে। সেইসঙ্গে ট্যাংকলরি ভাড়া কমানো হয়েছে। সকালে খুলনার ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছে ব্যবসায়ীরা। অনির্দিষ্টকালে জন্য এই ধর্মঘট চলবে।

রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্যাবের যাত্রা : প্রদ্যুৎ কুমার
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক : কফি খাতকে বৃহৎ পরিসরে সাজানো ও সরকারকে এ ব্যবসা থেকে রাজস্ব বৃদ্ধিতে সহায়তা করার লক্ষ্য নিয়ে কফি এসোসিয়েশন (ক্যাব) যাত্রা শুরু করেছে জানিয়েছেন কফি ব্যবসায়ীদের সংগঠনটির সভাপতি প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার।

গত শনিবার ( ২৭ আগষ্ট) সকালে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার একটি বিলাস বহুল রিসোর্টে আয়োজিত কফি এসোসিয়েশনের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ক্যাব প্রেসিডেন্ট বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই অনেকে কফি ব্যবসা পরিচালনা করে আসলেও এতদিন এ ব্যবসার উন্নয়নে এক জোটে কাজ করার কোন সংগঠন ছিলনা। আমরা চাই কফির গুনগত মান অটুট থাকুক। যেহেতু বাংলাদেশে সকল স্তরের মানুষ এখন কফির সাথে পরিচিত হয়েছে। সকল শ্রেনীর মানুষ কফি খাচ্ছে। তারা এখন কফির স্বাদ বুঝতে সক্ষম সুতরাং এই খাতকে লাভজনক ও সকল কফি ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

প্রদ্যুৎ কুমার আরও বলেন, বাংলাদেশ সম্ভাবনাময়ী দেশ। বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃতে এখনও আমরা সহনশীল অবস্থায় রয়েছি। আশাকরি সংকট কাটিয়ে দ্রুতই ব্যবসায়ীদের সুদিন আসবে। তাছাড়াও সরকারের কাছে আবেদন করবো যে, যেহেতু কফি ব্যবসায়ীদের কফি বিন আমদানি করতে হয়। সেক্ষেত্রে ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় কফি ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি বাড়ছে। সরকার যদি ভ্যাট ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনে তাহলে কফি ব্যবসায়ীদের ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব হবে। অন্যথায় কফির দাম বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষের জন্য কফি কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়াবে। আমাদের ব্যান্ডিং মেশিনের কারনেই আজ দেশে কফি প্রেমী বেড়েছে। আশাকরি সরকার এ বিষয়ে সুদৃষ্টি দেবে।

অনুষ্ঠানে ক্যাবের সভাপতির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি সাইদ মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, আমরা কম্প্রোমাইজ করবো না কোয়ালিটিতে, আমরা কম্প্রোমাইজ করবো না প্রোডাকশনে; আমরা কম্প্রোমাইজ করবো না যেকোন ইস্যুতে। তিনি কফির উন্নয়নে সকলের সমন্বয়ের আহ্বান জানান।

এছাড়া সংগঠন সাধারণ সম্পাদক কাইয়ুম খান, যুগ্ন সম্পাদক আব্দুল আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ, অর্থ সম্পাদক আহমুদুল হক, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক মো. রুবেল মিয়া সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা কফি ব্যবসায় সুন্দর ভবিষৎ গড়ে তোলার লক্ষে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
এর আগে সকালে বিভিন্ন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সকল সদস্যদেরকে পুরস্কার ও ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়েছে।

ডলার পাচার ঠেকাতে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকায় ডলারের বাজারে নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে। হু হু করে বাড়ছিল ডলারের দাম। ধাপে ধাপে টাকার মান কমানোয় খোলাবাজারে ডলারের দাম রেকর্ড ১২০ টাকা ছাড়ায় । পরিস্থিতি সামাল দিতে নানামুখী উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তৎপর হয় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এসব উদ্যোগে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। খোলাবাজারে দাম কিছুটা কমে এসেছে।

জানা গেছে, ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোতে অভিযান পরিচালনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এমনকি আকাশপথেও কেউ যেন বৈদেশিক মুদ্রা পাচার করতে না পারে সেজন্য নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাগেজ তল্লাশি করা হচ্ছে বাড়তি সর্তকতা নিয়ে।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে দেশে ডলার নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে, সেই সুযোগে কেউ যেন পাচার করতে না পারে সে বিষয়ে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি লাগেজ তল্লাশি করা হচ্ছে কঠোরভাবে। বিমানবন্দরের মানি একচেঞ্জ বুথগুলোতেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে, হঠাৎ করে ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ চিহ্নিত করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। পাশাপাশি সামনে এমন পরিস্থিতি এড়াতে বেশকিছু সুপারিশও করা হয়েছে।

সংস্থাটির সুপারিশে বলা হয়েছে- ডলার পাচার রোধে বিমানবন্দরে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। ভিআইপি যাত্রীদের তল্লাশি যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হবে। ব্যাংক এবং মানি এক্সচেঞ্জ থেকে ডলার এনডোর্সের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি শর্ত আরোপ করা এবং নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। ওভার এবং আন্ডার ইনভয়েসিং এর মাধ্যমে যেন ডলার পাচার না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

প্রসঙ্গত, দেশে ডলারের বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই জুন মাস থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বিমানবন্দরে একাধিক যাত্রী অবৈধভাবে বৈদেশিক মুদ্রা পাচারের সময় আটক হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ডলার পাচার রোধে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর ও সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সম্প্রতি ৪২টি মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানকে ‘কারণ দর্শানোর নোটিশ’ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৩টি মানি চেঞ্জারের লাইসেন্স স্থগিত হয়েছে। পাঁচটি দেশি ও একটি বহুজাতিক ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের প্রধানকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ হাউসে ১০৮ থেকে ১০৯ টাকা ৫০ পয়সায় ডলার কেনাবেচা হয়। খুচরা পর্যায়ে ১১০ থেকে ১১১ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে কেনাবেচা হচ্ছে ডলার। দেশের তফলিসি ব্যাংকে বেচাকেনা চলছে ৯৫ থেকে ৯৬ টাকার মধ্যে। অন্যদিকে আন্তঃব্যাংকে ৯৫ টাকায় ডলার বিক্রি হচ্ছে। আন্তঃব্যাংক থেকে এ দামে অন্য ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনে থাকে।

 

লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত তাঁতশিল্প
                                  

সাজেদুল ইসলাম মিলন, সিরাজগঞ্জ:

ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে কারণে সিরাজগঞ্জে উপজেলার তাঁত কারখানাগুলোতে কাপড় উৎপাদনে ধস নেমেছে। তাঁত পল্লী হিসেবে পরিচিত যমুনা পাড়ের জেলা সিরাজগঞ্জ। চাহিদা মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় অধিকাংশ তাঁত কারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে  তাঁত শিল্পে উৎপাদন কমেছে অর্ধেকেরও বেশি।

কারখানার মালিকেরা ডিজেল-চালিত জেনারেটরের সাহায্যে তাঁত কারখানা সচল রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কারখানা সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। লোডশেডিংয়ের ফলে থ্রি-পিচ, লুঙ্গি, শাড়ি ও গামছা তৈরীতে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে।

জানা যায়, জেলার ৯টি উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার তাঁত রয়েছে। এই তাঁত কারখানায় সুতা তৈরি, সুতায় রং দেওয়া, সুতা শুকানো ও কাপড় উৎপাদনের জন্য প্রতি তাঁতে ২-৩ জন শ্রমিকের প্রয়োজন। এতে মালিক ও শ্রমিক মিলে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ এ শিল্পের সাথে জড়িত রয়েছে। এই জেলার উৎপাদিত থ্রি-পিচ, গামছা, লুঙ্গি ও শাড়ি দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি হয়।

সপ্তাহে দুইদিন উল্লাপাড়া, বেলকুচি, শাহজাদপুর, এনায়েতপুর ও পাঁচিল বাজারে কাপড়ের হাট বসে। এই হাটে জেলাসহ ও বিভিন্ন স্থানের পাইকারীরা আসেন। দেশের চাহিদা মিটিয়ে এই কাপড় বিদেশেও রপ্তানি হয়। কিন্তু তাঁত পল্লী হিসেবে পরিচিত জেলায় চাহিদা মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় অধিকাংশ তাঁত কারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। লোডশেডিংয়ের কারণে আগে যেখানে ১০ জন শ্রমিক কাজ করতো বর্তমানে ৩ জন শ্রমিক কাজ করছে। এতে উৎপাদন কম হচ্ছে। আবার যতটুকু উৎপাদিত হচ্ছে, সেগুলো হাট-বাজারে বিক্রি হচ্ছে না। যে কারণে বাধ্য হয়ে অনেকে তাঁত কারখানা বন্ধ রাখছেন।

শাহজাদপুর কৈজুরী এলাকার শাড়ি তৈরীর শ্রমিক মুবারক আলী জানান, দিনে তিন-চারটি শাড়ি তৈরি করা যেতো। লোডশেডিংয়ের কারণে এখন সারা দিনে দুটি শাড়ি তৈরি করা যায় না।

বেলকুচির কামারপাড়া  গ্রামের তাঁত শ্রমিক, সাজু, সুমন ও কলিমুদ্দি বলেন, আগে একজন শ্রমিক সপ্তাহে তিন-চার হাজার টাকার কাজ করতো। এখন ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকার কাজ করা হচ্ছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারনে দিনে ও রাতে বেকার বসে থাকতে হচ্ছে।

চন্দনগাঁতি গ্রামের পাওয়ারলুম শ্রমিক আব্দুস সাত্তার জানান, প্রায় ২০ বছর ধরে তাঁতের শ্রমিক হিসাবে কাজ করে ৭ জনের সংসার চালিয়ে আসছি।  কাজ যতোই কম থাকুক না কেন প্রতি সপ্তাহে কম পক্ষে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা কামাই করি। বর্তমানে কারেন্টে ডিস্টার্ব থাকায় ঠিক মতো কাজ হচ্ছে না। যার কারণে কামাইও কমে গেছে। কারেন্ট যেভাবে আসা-যাওয়া করছে এতে আমার মতো সকলেরই কামাই কমে গেছে। কামাই কমে যাওয়ায় সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছি।

রায়গঞ্জের ব্রক্ষগাছা  গ্রামের  তাঁত শ্রমিক আব্দুস সামাদ  বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে কারেন্ট জ্বালাতন শুরু করেছে। যার কারণে আমাদের কাজ কাম কমে গেছে। এভাবে যদি কারেন্ট জ্বালায় তাহলে আমাদের আয় কমে যাবে। আর যদি কমে যায় তাহলে সংসার চালবো কেমন করে। এ নিয়ে চিন্তা করে ঝিম ধরে বসে রয়েছি।

বেলকুচির রায় প্রডাক্টসের মালিক রিপন সাহা বলেন, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জেনারেটর দিয়ে কারখানা চালু রাখা হতো। কিন্তু হঠাৎ করে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় জেনারেটরও চালানো যাচ্ছে না। ৪ থেকে ৫ ঘন্টা জেনারেটর চালু রাখলে পাঁচ-সাত লিটার তেল প্রয়োজন হচ্ছে। এই কয়েক ঘন্টার জন্য ১ হাজার টাকা খরচ হয়। এতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে অনেক বেশি।

সদর উপজেলার সয়দাবাদ এলাকার বিসমিল্লাহ সুতার দোকানের মালিক বিদ্যুৎ সরকার বলেন, লোডশেডিং, অন্যদিকে সুতার মূল্য বৃদ্ধি। এতে তাঁতিদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। ৫০ কাউন্টের ১ বস্তা সুতা ১ বছর আগেও ছিল ১৪ হাজার ৫০০ টাকা, এখন সেই সুতার বস্তা ২২ হাজার ২০০ টাকা। ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে।

সিরাজগঞ্জ বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক শফিকুল ইসলাম জিন্না বলেন, বিদ্যুৎ বিল ও জেনারেটরও চালাতে হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েছে কয়েকগুন। তাঁত মালিকদের গুনতে হচ্ছে লোকসান। বর্তমানে এই শিল্প টিকিয়ে রাখা এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। জেলার তাঁত শিল্প টিকিয়ে রাখার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ পাওয়ালুম এন্ড হ্যান্ডলুম অনার্স এ্যাসেসুয়েশনের সভাপতি বদিউজ্জামান বলেন, লোডশেডিং ও তেলের দাম বাড়ার কারণে অধিকাংশ সময় কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকছে। শ্রমিকেরাও কাজ করতে পারছেন না। নতুন করে তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সুতার দামও বেড়েছে। আর যতটুকু কাপড় তৈরি করা হচ্ছে, তা বিক্রি করা যাচ্ছে না। এতে লোকসান গুনতে হচ্ছে মালিকদের।
তিনি আর বলেন, জেলায় প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার তাঁতকল রয়েছে। এগুলোর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি যন্ত্র বন্ধ রয়েছে। লোডশেডিংয়ের কারণে শ্রমিকেরাও বেকার হয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। সবকিছু মিলিয়ে কারখানা চালানো যাচ্ছে না। তাঁত মালিকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। আর তাঁতের ব্যবসা টিকে না থাকলে জেলার লক্ষ লক্ষ মানুষ বেকার হয়ে যাবে। তাই সরকার
ব্যবসায়ীদের দিকে লক্ষ্য রাখা উচিত বলে মনে হয়।

বাংলাদেশ ৬৭টি তথ্য চেয়েছিল সুইস ব্যাংকের কাছে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
সুইস ব্যাংকের কাছে ৬৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তথ্য চেয়েছিল বাংলাদেশ। গত ১৭ জুন দেশটির আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা এফআইইউয়ের কাছে এ তথ্য চায় বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ।


রোববার (১৪ আগস্ট) হাইকোর্টে আসা বিএফআইউ-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ এই প্রতিবেদনের ওপর শুনানির কথা রয়েছে।


এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে অর্থ জমা নিয়ে নির্দিষ্ট করে দেশটির সরকারের কাছে বাংলাদেশ সরকার কো‌নো তথ্য কেন চায়‌নি, তা জানতে চান হাইকোর্ট।


আদালত বলেন, আমরা সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পড়েছি। বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেতে প্রকাশিত সংবাদ কপি জমা দিন। এই সময় দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শোনেন আদালত।


রোববার এ বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।


এ বিষয়ে গত ১০ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকার বিষয়ে বাংলাদেশ নির্দিষ্ট কোনো তথ্য চায়নি বলে বক্তব্য দেন ঢাকায় নিযুক্ত সুইস রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড। তিনি বলেন, সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক বা এসএনবির ২০২২ সালের জুন মাসে প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী গত বছরে বাংলাদেশিরা প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা করেছেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশিদের আমানত দাঁড়িয়েছে ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ। প্রতি ফ্রাঁ বাংলাদেশি ৯৫.৭০ টাকা হিসাবে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৩৩৩ কোটি, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।


রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশিরা কত টাকা জমা রেখেছে, ওই তথ্য প্রতি বছর সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক দিয়ে থাকে। ওই অর্থ অবৈধ পথে আয় করা হয়েছে কিনা, এটি আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয়।


বিষয়টি নিয়ে পাল্টা বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সত্য নয়। বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরও বলেন, আমাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং ফিন্যান্স সেক্রেটারি বলেছেন, তারা আগে তথ্য চেয়েছেন। যার বিপরীতে সুইজারল্যান্ড কোনো উত্তর দেয়নি।


আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসীকাজে অর্থায়ন প্রতিরোধ, অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য বিএফআইইউ বিদেশি এফআইইউদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে। তবে বিশ্বব্যাপী এসব তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম হলো এগমন্ড সিকিউর ওয়েব (ইএসডব্লিউ)। ২০১৩ সালের জুলাইতে ইএসডব্লিউ’র সদস্য হয় বাংলাদেশ। এর পরেই চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ৬৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তথ্য চায় বিএফআইইউ।


ইএসডব্লিউ’র মাধ্যমে সুইজারল্যান্ডের এফআইইউকে এ তথ্য দিতে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু একজন ছাড়া অন্যদের বিষয়ে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়ে দেয় সুইজারল্যান্ড। সেই ব্যক্তির তথ্য পাওয়ার পর দুদককে দিয়েছে বিএফআইইউ।


   Page 1 of 53
     অর্থ-বাণিজ্য
উঠে গেল ভোজ্যতেলের ভ্যাট মওকুফসুবিধা
.............................................................................................
উন্নত লজিস্টিকস সেবায় পিছিয়ে দেশ
.............................................................................................
পোশাক রপ্তানি: যুক্তরাষ্ট্রেই বেড়েছে ৫৪.৪৩ শতাংশ
.............................................................................................
কুষ্টিয়া জনতা ব্যাংক কর্পোরেট শাখার বিতর্কিত এজিএম এখনও বহাল !
.............................................................................................
চলতি অর্থবছরে ৬.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস এডিবির
.............................................................................................
নতুন করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ৩০ জুন
.............................................................................................
আরও কমলো সোনার দাম
.............................................................................................
এক সপ্তাহে ১২ হাজার কেজি ইলিশ গেল ভারতে
.............................................................................................
সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার ৬ প্রকল্প অনুমোদন
.............................................................................................
আধা ঘণ্টায় সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা লেনদেন
.............................................................................................
৩ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ নেবে সরকার
.............................................................................................
অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে খুলনায় তেল উত্তোলন বন্ধ
.............................................................................................
রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্যাবের যাত্রা : প্রদ্যুৎ কুমার
.............................................................................................
ডলার পাচার ঠেকাতে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার
.............................................................................................
লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত তাঁতশিল্প
.............................................................................................
বাংলাদেশ ৬৭টি তথ্য চেয়েছিল সুইস ব্যাংকের কাছে
.............................................................................................
বছরে ৭৩ হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে স্বর্ণ চোরাচালানে: বাজুস
.............................................................................................
বিশ্বজুড়ে জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
ব্যাংকের শাখায় শাখায় বেচাকেনা হবে নগদ ডলার
.............................................................................................
ফরিদপুরে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের সমাবেশ অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বেনাপোলে পণ্য পরিবহনে অচলাবস্থা
.............................................................................................
বিইআরসি ঠুঁটো জগন্নাথ
.............................................................................................
ডলার কারসাজি : ৬ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক বাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম
.............................................................................................
ভারতের প্রথম ট্রায়াল জাহাজ মোংলা বন্দরে
.............................................................................................
এবার সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব
.............................................................................................
বাংলাদেশের সড়ক ব্যবহার করে তেল-গ্যাস নেবে ভারত
.............................................................................................
সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে জুলাই মাসে
.............................................................................................
‘বিজনেস লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার
.............................................................................................
লাগাতার আমদানির পরও বাড়ছেই চালের দাম
.............................................................................................
৫২ শ্রমিক করোনা আক্রান্ত, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উত্তোলন বন্ধ
.............................................................................................
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে গম আমদানি, কমছে দাম
.............................................................................................
বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার দ্বারপ্রান্তে যাবে : আইএমএফ
.............................................................................................
ভরিতে ১৩৪১ টাকা বাড়লো স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে প্রথমবারের মতো কানাডায় উড়াল দিল বিমান
.............................................................................................
খোলা তেল বিক্রি বন্ধ হচ্ছে
.............................................................................................
কেন্দ্রীয় ব্যাংককে রিজার্ভের হিসাব পরিবর্তন করতে বললো আইএমএফ, কেন?
.............................................................................................
সরকারি এক সংস্থাই ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে ৪৬৮ কোটি টাকা
.............................................................................................
খাতুনগঞ্জে কমেছে ভোজ্যতেলের দাম
.............................................................................................
বেশি দামে সয়াবিন তেল বিক্রি ঠেকাতে আজ থেকে অভিযান
.............................................................................................
দেশে স্বর্ণের দাম কমলো
.............................................................................................
সোমবার থেকে লিটারে ১৪ টাকা কমে পাওয়া যাবে সয়াবিন তেল
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে সয়াবিনের দাম কমেছে ৩২ শতাংশ, দেশে কমবে কবে?
.............................................................................................
বাংলাদেশের অর্থনীতি দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহৎ
.............................................................................................
ক্ষুদ্র-মাঝারি-মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া নিয়ে দুশ্চিন্তায়
.............................................................................................
ভোজ্যতেলের দাম কমল লিটারে ৩৫ টাকা
.............................................................................................
বেড়েই চলেছে ডলারের সংকট
.............................................................................................
তিনদিনে ৩ হাজার কোটি টাকা পুঁজি হারালেন বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে খাদ্যশস্য পরিবহনে তুরস্কে বৈঠকে বসছে রাশিয়া-ইউক্রেন
.............................................................................................
হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমে ৩০ টাকা কেজি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT