রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ব্র্যাক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের হাজারতম আউটলেট চালু

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

দেশব্যাপী চলমান সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এক হাজারটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট চালুর মাইলফলক অতিক্রম করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।

ব্যাংকের হেড অব অল্টারনেট ব্যাংকিং চ্যানেলস নাজমুর রহিম ঢাকার মিরপুরে এক হাজারতম আউটলেটটি উদ্বোধন করেন। এসময় হেড অব এজেন্ট  ব্যাংকিং মো: নাজমুল হাসান ও এজেন্ট  ব্যাংকিং ডিভিশনের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানত গ্রামীণ ও উপশহর এলাকার ২.৫০ লাখ গ্রাহককে সেবার আওতায় নিয়ে এসেছে। গ্রামীণ এলাকায় ৭৭% আউটলেট নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গ্রামীণ এলাকায় উপস্থিতি ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে বেশি। এখন এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে প্রতি মাসে ৩৫০,০০০টি লেনদেন সম্পন্ন হয়, যার মোট পরিমাণ ২,০০০ কোটি টাকা।
   
এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটগুলি ২০২২ সালে এক লাখেরও বেশি বৈদেশিক রেমিট্যান্স বিতরণ করেছে। ২০২২ সালে ৭৫,০০০টি লেনদেনের মাধ্যমে ৪,৭০০ কোটি টাকার বেশি এসএমই ঋণ বিতরণ করেছে। চ্যানেলটি ৯৫০ কোটি টাকার কর্পোরেট বিল সংগ্রহ করেছে। এজেন্ট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে মোট লেনদেনের ৪০%-এর বেশি লেনদেন প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সময়ের বাইরে, সপ্তাহান্তে ও ছুটির দিনে সম্পন্ন হয়েছে।

অ্যাকাউন্ট খোলা, নগদ জমা ও উত্তোলন, ঋণ গ্রহণ, ঋণ পরিশোধ, বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা গ্রহণ, ইউটিলিটি বিল প্রদান সহ সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যাচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে। এছাড়া ডিপিএস, এফডিআর, দৈনন্দিন লেনদেন, ফান্ড ট্রান্সফার, কর্পোরেট বিল কালেকশন, ক্রেডিট কার্ড বিল, বীমা প্রিমিয়াম, এসএমই লোন বিতরণ ও গ্রহণ, রিটেইল লোনের লিড জেনারেশন সহ যাবতীয় সব সেবা পাওয়া যায়।
 
২০১৮ সালে এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করার পর থেকে এ নেটওয়ার্ক দ্রুত সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে ব্র্যাক ব্যাংক। ইতিমধ্যেই দেশের ৬৪টি জেলার ৪১৯টি উপজেলায় পৌঁছে গেছে।
 
‘এজেন্ট অ্যাপ’ এর মাধ্যমে এজেন্ট পার্টনাররা/স্টাফরা আউটলেটের বাইরেও গ্রাহকের ঘরে ঘরে গিয়ে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করতে পারছেন, যা এ ইন্ডাস্ট্রিতে ব্র্যাক ব্যাংক-কে অন্যদের থেকে এগিয়ে রেখেছে। এজেন্ট পয়েন্টে টাকা জমা দেয়া মাত্র তা অ্যাকাউন্টে জমা হয় এবং তা ৩৩০টি এটিএম, ১৮৭টি শাখা ও অনলাইন ব্যাংকিং ‘আস্থা অ্যাপ’এর সাহায্যে তোলা যায়। শাখায় যেসব গ্রাহক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন তারা বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন্স সম্পন্ন করে এজেন্ট আউটলেটেও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
    
এ মাইলফলক অর্জন সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর. এফ. হোসেন বলেন: “ব্যাংকিং সুাবধার বাইরে থাকা মানুষদেরকে ব্র্যাক ব্যাংক আনুষ্ঠানিক আর্থিক বলয়ের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা একটি বিশাল জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিংয়ের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে ভূমিকা পালন করছে এজেন্ট ব্যাংকিং। এজেন্ট ব্যাংকিং উত্তরোত্তর নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে এবং অর্থনীতি বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। আগামী বছরগুলোতে দেশের প্রতিটি প্রান্তে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে দিতে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।”

ব্র্যাক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের হাজারতম আউটলেট চালু
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

দেশব্যাপী চলমান সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এক হাজারটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট চালুর মাইলফলক অতিক্রম করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।

ব্যাংকের হেড অব অল্টারনেট ব্যাংকিং চ্যানেলস নাজমুর রহিম ঢাকার মিরপুরে এক হাজারতম আউটলেটটি উদ্বোধন করেন। এসময় হেড অব এজেন্ট  ব্যাংকিং মো: নাজমুল হাসান ও এজেন্ট  ব্যাংকিং ডিভিশনের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানত গ্রামীণ ও উপশহর এলাকার ২.৫০ লাখ গ্রাহককে সেবার আওতায় নিয়ে এসেছে। গ্রামীণ এলাকায় ৭৭% আউটলেট নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গ্রামীণ এলাকায় উপস্থিতি ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে বেশি। এখন এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে প্রতি মাসে ৩৫০,০০০টি লেনদেন সম্পন্ন হয়, যার মোট পরিমাণ ২,০০০ কোটি টাকা।
   
এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটগুলি ২০২২ সালে এক লাখেরও বেশি বৈদেশিক রেমিট্যান্স বিতরণ করেছে। ২০২২ সালে ৭৫,০০০টি লেনদেনের মাধ্যমে ৪,৭০০ কোটি টাকার বেশি এসএমই ঋণ বিতরণ করেছে। চ্যানেলটি ৯৫০ কোটি টাকার কর্পোরেট বিল সংগ্রহ করেছে। এজেন্ট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে মোট লেনদেনের ৪০%-এর বেশি লেনদেন প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সময়ের বাইরে, সপ্তাহান্তে ও ছুটির দিনে সম্পন্ন হয়েছে।

অ্যাকাউন্ট খোলা, নগদ জমা ও উত্তোলন, ঋণ গ্রহণ, ঋণ পরিশোধ, বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা গ্রহণ, ইউটিলিটি বিল প্রদান সহ সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যাচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে। এছাড়া ডিপিএস, এফডিআর, দৈনন্দিন লেনদেন, ফান্ড ট্রান্সফার, কর্পোরেট বিল কালেকশন, ক্রেডিট কার্ড বিল, বীমা প্রিমিয়াম, এসএমই লোন বিতরণ ও গ্রহণ, রিটেইল লোনের লিড জেনারেশন সহ যাবতীয় সব সেবা পাওয়া যায়।
 
২০১৮ সালে এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করার পর থেকে এ নেটওয়ার্ক দ্রুত সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে ব্র্যাক ব্যাংক। ইতিমধ্যেই দেশের ৬৪টি জেলার ৪১৯টি উপজেলায় পৌঁছে গেছে।
 
‘এজেন্ট অ্যাপ’ এর মাধ্যমে এজেন্ট পার্টনাররা/স্টাফরা আউটলেটের বাইরেও গ্রাহকের ঘরে ঘরে গিয়ে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করতে পারছেন, যা এ ইন্ডাস্ট্রিতে ব্র্যাক ব্যাংক-কে অন্যদের থেকে এগিয়ে রেখেছে। এজেন্ট পয়েন্টে টাকা জমা দেয়া মাত্র তা অ্যাকাউন্টে জমা হয় এবং তা ৩৩০টি এটিএম, ১৮৭টি শাখা ও অনলাইন ব্যাংকিং ‘আস্থা অ্যাপ’এর সাহায্যে তোলা যায়। শাখায় যেসব গ্রাহক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন তারা বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন্স সম্পন্ন করে এজেন্ট আউটলেটেও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
    
এ মাইলফলক অর্জন সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর. এফ. হোসেন বলেন: “ব্যাংকিং সুাবধার বাইরে থাকা মানুষদেরকে ব্র্যাক ব্যাংক আনুষ্ঠানিক আর্থিক বলয়ের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা একটি বিশাল জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিংয়ের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে ভূমিকা পালন করছে এজেন্ট ব্যাংকিং। এজেন্ট ব্যাংকিং উত্তরোত্তর নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে এবং অর্থনীতি বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। আগামী বছরগুলোতে দেশের প্রতিটি প্রান্তে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে দিতে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।”

ডিম-মুরগি-সবজির দাম বেড়েছে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এক সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগি, ডিম ও সবজিসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। প্রতি ডজন মুরগির ডিমে বেড়েছে ৫ থেকে ৭ টাকা। আর মুরগির মাংশে বেড়েছে কমপক্ষে ২০ টাকা।

শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ফার্মের মুরগির ডিমের দাম বাড়ছেই। ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩২ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে যা বিক্রি হয়েছিল ১২৫ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ১৮০-১৯০ টাকা।  

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৬৮০-৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০-১০০০ টাকায়। তবে দাম বেড়েছে মুরগির মাংশের। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। গত সপ্তাহে যার দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩১০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০-২৬০ টাকায়।  

এছাড়া শীতের মৌসুমেও সবজির দাম বেড়েই চলেছে। বাজারে করলার কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ধুন্দল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, লম্বা ও গোল বেগুন ৫০ থেকে ৭০ টাকা, টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ ধেকে ৬৫ টাকা, পটল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে চালকুমড়া প্রতিটি ৫০ থেকে ৬৫ টাকা, লাউ আকারভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় এবং বাঁধাকপি ও ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাঁচা কলার হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা এবং লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়।

সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দামও কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত। আজ কাঁচামরিচ ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা।  

নতুন পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। এসব বাজারে রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৫০ টাকায়। দেশি আদা ১২০-১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। চায়না আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি ১১৫ থেকে ১২০ টাকা।  

বাজারে আটার খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। প্যাকেট আটার কেজি ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগে কেজি ছিল ৭০ টাকা। ২ কেজির প্যাকেট আটা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। আগে কেজির প্যাকেট ছিল ১৪০-১৪৫ টাকা।

এসব বাজারে দেশি মসুরের ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। ইন্ডিয়ান মসুরের ডালের কেজি ১২০-১২৫ টাকা।  

বাজারে সয়াবিন তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৮৭ টাকা।  এসব বাজারে লবনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকা। 

রমজানে পাঁচ নিত্যপণ্যের কোনো সংকট হবে না
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক :

আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত এলসি (ঋণপত্র) খোলা হয়েছে, যার পরিমাণ গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় অনেক বেশি। চিনি, ছোলা, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ ও খেজুর- এই পাঁচ পণ্যের চাহিদা রমজান মাসে বাড়ে। সেটিকে মাথায় রেখে পর্যাপ্ত এলসি খোলা হয়েছে।

এলসি খোলা নিয়ে ব্যবসায়ীদের অভিযোগকে “ভিত্তিহীন”দাবি করে এসব তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক।

বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, “পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে রমজানে কোনো পণ্যের ঘাটতি হবে না। এছাড়া রপ্তানি বৃদ্ধিতেও আমরা বিশেষ নজর রেখেছি। গত নভেম্বর মাস থেকে প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ৩২ বিলিয়ন ডলার যা আগের বছরের একই সময় ছিল ২৯ বিলিয়ন ডলার।

তিনি জানান, রমজান মাসে ৫টি পণ্যের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। আর বাজার স্বাভাবিক রাখতে এসব পণ্য আমদানিতে সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তিনি জানান, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে ৫.৬৬ লাখ মেট্রিক টন চিনির এলসি খোলা হয়েছে। এক বছর আগের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৫.১১ লাখ মেট্রিক টন। সুতরাং এ বছরের জানুয়ারিতে প্রায় ৫৫ হাজার মেট্রিক টন বেশি চিনির এলসি খোলা হয়েছে।

মেজবাউল হক বলেন, আগের বছরের জানুয়ারির তুলনায় গত মাসে ছোলা বাদে বাকি পণ্যগুলোর জন্য এলসি খোলা বেড়েছে। এর মধ্যে ভোজ্যতেল ৩৯ হাজার টন, পেয়াজ ৬.৩৩ হাজার টন ও খেজুরের এলসি খোলা বেড়েছে ১৩ হাজার টন। গতবছরের জানুয়ারির তুলনায় ছোলার এলসি কম খোলা হয়েছে ৪১ হাজার টন।

তবে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২১ সালের এই তিন মাসে ভোজ্যতেল আমদানির জন্য ৪.৯২ লাখ মেট্রিক টনের এলসি খোলা হয়েছিল। ২০২২ সালের একই সময়ে ৩.৫১ টনের এলসি খোলা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রায় দেড় লাখ টনের এলসি খোলা কমেছে। ভোজ্যতেলের চাহিদার একটা অংশ মেটানো হয় আমদানি করা বীজ থেকে তেল উৎপাদন করে। ২০২২ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বরে মাত্র ৭৮ হাজার টন সয়াবিন বীজের এলসি খোলা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে প্রায় ৫ গুণ এলসি খোলা হয়েছিল।

একইভাবে ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের তুলনায় গতবছরের একই সময়ে, চিনির এলসি খোলা কমেছে ১.৪৮ লাখ টন, ছোলার কমেছে ৬৮ হাজার টন এবং খেজুরের কমেছে ১০ হাজার টন। অবশ্য এই সময়ে পেঁয়াজের এলসি খোলা ৫ হাজার টন বেড়েছে।

চিনির দাম বাড়ল কেজিতে ৫ টাকা, খোলা ১০৭ প্যাকেট ১১২ টাকা
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:  

চিনির দাম প্রতি কেজিতে পাঁচ টাকা বাড়ানো হয়েছে। খোলা চিনি ১০৭ টাকা, প্যাকেটজাত ১১২ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

চিনির বাজারের চলমান অস্থিরতার মধ্যেই বৃহস্পতিবার নিত্যপণ্যটির দাম বাড়ানো এই ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরএ)।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিএসআরএ বলেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত চিনির ঊর্ধ্বমূখী দাম, ডলারের বাড়তি বিনিময় হার এবং স্থানীয় পরিশোধকারী মিলগুলোর উৎপাদন ব্যয় বিবেচনা করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন দামে চিনি বিক্রি হবে।

উল্লেখ্য, দেশের চিনির বাজারে সংকট চলমান। বাজারে প্যাকেটজাত চিনি উধাও বললেই চলে। আবার কোথাও পাওয়া গেলেও ভোক্তাদের তা কিনতে হচ্ছে নির্ধারিত দামের চেয়েও চড়া মূল্যে।

বিশ্বব্যাংকের এমডির কাছে সহায়তার অনুরোধ অর্থমন্ত্রীর
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:  

বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অপারেশনস) অ্যাক্সেল ভ্যান ট্রসেনবার্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ সাক্ষাতে বাংলাদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, দুর্যোগসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।

শনিবার (২১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে প্রথমে স্বাগত জানান। অর্থমন্ত্রী বিশ্বব্যাংককে বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে অভিহিত করে বাংলাদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, দুর্যোগ মোকাবেলা খাতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে, বিশেষতঃ করোনাকালীন সময়ে বাজেট সহায়তা, কোভিড মোকাবেলা এবং কোভিড ভ্যাকসিন ক্রয়ে অর্থায়নের জন্য ধন্যবাদ জানান।

অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগে বিশ্বব্যাংকের আরও জোরদার ও ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের উপর গুরুত্বারোপ করেন। ঢাকাকে আরও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে বিশ্বব্যাংক এবং ৫০ বছরের অংশীদারিত্বকে মনে রাখতে মেগা প্রকল্পে অর্থায়নে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানান। এছাড়াও, এলডিসি উত্তরণে বিশ্বব্যাংক বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারে বলেও তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

অর্থমন্ত্রীর সাথে দ্বিপক্ষীয় সভায় বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ট্রসেনবার্গ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের  প্রশংসা করেন। তিনি দরিদ্রতা দূরীকরণে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের প্রশংসা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন সময়োচিত পদক্ষেপেরও প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের অভীষ্টে পৌঁছাতে বিশ্বব্যাংকের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসাথে তিনি বিশ্বব্যাংকের খসড়া কান্ট্রি পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক (সিএফপি) নিয়েও আলোচনা করেন।

এই দ্বিপক্ষীয় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান, অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে মার্টিন রেইজার, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট, আব্দুলায়ে সেক, কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যানডান চেনসহ অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ।

ডলার সংকটে ভোগ্যপণ্য আমদানিকারকরা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ঠিক রাখতে যে কেউ চাইলেই ডলার দিচ্ছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রমজানে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আটটি পণ্যের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এলসি খুলতে নির্দেশনা দেওয়া হলেও ডলার সংকটে তা পারছে না বেশিরভাগ ব্যাংক। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে কিনতে চেয়েও মিলছে না পর্যাপ্ত ডলার। এতে ভোগ্যপণ্য আমদানিকারকরা পরেছেন বেকায়দায়। প্রয়োজনীয় এলসির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ধরনা দিচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, শুধু সার, জ্বালানি ও সরকারি খাদ্য আমদানিতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করা হচ্ছে। গত ১৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিক্রি করা হয়েছে ১০ কোটি ডলার। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৫৩ কোটি ডলার। এভাবে ডলার বিক্রির ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ হিসাবে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। গত বছর একই দিন যা ছিল ৪৫ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। বর্তমান রিজার্ভ থেকে রপ্তানি উন্নয়নসহ বিভিন্ন তহবিলে জোগান দেওয়া ৮ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার বাদ দিলে থাকে ২৪ দশমিক ০৮ বিলিয়ন। ব্যবহারযোগ্য এ রিজার্ভ দিয়ে প্রায় সাড়ে তিন মাসের আমদানি দায় মেটানো সম্ভব।

সংশ্নিষ্টরা জানান, বিশ্ববাজারে সব পণ্যের দাম বাড়লেও এলসি ব্যাপকভাবে কমেছে। অবশ্য আগের আমদানি দায় পরিশোধ বেড়েছে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে এলসি খোলা ২২ দশমিক ৫২ শতাংশ কমে ৩ হাজার ৪১০ কোটি ডলারে নেমেছে। আর নিষ্পত্তি ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ১৩৭ কোটি ডলার।

এ সময়ে একমাত্র পেট্রোলিয়াম ছাড়া সব ধরনের পণ্যের এলসি কমেছে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত পেট্রোলিয়ামের এলসি ৩৫ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে ৪৮৮ কোটি ডলারে ঠেকেছে। আর নিষ্পত্তি ৪৬ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৫৩৬ কোটি ডলার। তবে ভোগ্যপণ্যের এলসি ১৪ দশমিক ৪১ শতাংশ কমে ৪০২ কোটি ডলারে নেমেছে। শিল্পের কাঁচামালের এলসি ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ২০৩ কোটি ডলারে নেমেছে। মধ্যবর্তী পণ্যের এলসি ৩৩ দশমিক ১৮ শতাংশ কমে ২৫৯ কোটি ডলার হয়েছে। মূলধনি যন্ত্রপাতির এলসি ৬৫ দশমিক ৩২ শতাংশ কমে হয়েছে ১২৭ কোটি ডলার। অন্যান্য পণ্যের এলসি ২০ শতাংশ কমে নেমেছে ১ হাজার ১৪৩ কোটি ডলারে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, রমজানে প্রয়োজনীয় পণ্যের এলসি খোলা ও নিষ্পত্তিতে ডলার সরবরাহের অনুরোধ জানিয়ে আমদানিকারকরা বারবার সরকারি দপ্তরে ধরনা দিচ্ছেন। গত ১৮ জানুয়ারিতেও কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় আমদানিকারক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার সহায়তার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুরোধ করার আহ্বান জানানো হয়।

সংশ্নিষ্টরা জানান, দেশে আসার পর মাশুল পরিশোধ করতে না পারায় অনেক ধরনের পণ্য খালাস আটকে রয়েছে বন্দরে। বড় উদ্বেগের বিষয় হলো বিলাসবহুল পণ্যের পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এলসি কমছে। সাধারণভাবে বিনিয়োগ বাড়ছে কিনা তা বোঝার বড় উপায় মূলধনি যন্ত্রপাতির আমদানি। আর আগামীতে রপ্তানি কেমন হবে তা বোঝার অন্যতম মাধ্যম শিল্পের কাঁচামাল আমদানি কেমন হচ্ছে, তা দেখা। এ ধরনের পণ্যের এলসি কমলে কর্মসংস্থানের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ে। উচ্চ মূল্যস্ম্ফীতির এ সময়ে কর্মসংস্থান কমলে মানুষের ওপর চাপ আরও বাড়বে।

গত ১৫ জানুয়ারি গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে ভোগ্যপণ্যের এলসি খুলতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এলসি খোলা কমার অন্যতম কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর তদারকি। ফলে ওভার ইনভয়েসিং তথা পণ্যের দর বেশি দেখিয়ে আমদানি বন্ধ হয়েছে।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘আগে দুইবার চিঠি দেওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু পদক্ষেপ নিলেও এখনও ভোগ্যপণ্য আমদানির এলসিতে সংকট রয়েই গেছে। এ অবস্থায় ভোগ্যপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহের অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

শনিবার মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নতুন এলসি খোলা কমলেও আগের দায় নিষ্পত্তির কারণে চাপ কমছে না। তবে আমরা ছোট এলসি খুলছি। আবার বিনিয়োগ ও চাহিদা বিবেচনায় আমদানি বেশিদিন কমিয়ে রাখা যাবে না। পরিস্থিতি উত্তরণে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স বাড়ানোর ওপর জোর দিতে হবে।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিউটি ফ্রি তুলা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক:  

বাণিজ্যমন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি বলেছেন, বাংলাদেশ পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরী পোশাক রপ্তানি কারক দেশ। বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮২ ভাগ আসে তৈরী পোশাক রপ্তানি করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বৃহৎ তুলা উৎপাদনকারী দেশ। তৈরী পোশাক কারখানায় ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ প্রতিবছর বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল পরিমান তুলা আমদানি করে থাকে। রপ্তানি বেশি হলে বেশি পরিমান তুলা আমদানি করতে হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরী পোশাকের বৃহৎ রপ্তানি বাজার। পোশাক কারখানায় ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে তুলা আমদানিতে ডিউটি ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করলে আমাদের এ শিল্পের জন্য সুবিধা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে চলমান তৈরী পোশাক রপ্তানি করতে বাংলাদেশের ৯ মিলিয়ন বেল্ট তুলার প্রয়োজন হয়, এর মাত্র এক লাখ ৫০ হাজার বেল্ট তুলা দেশে উৎপাদন হয়, যা মোট চাহিদার প্রায় ১.৬ ভাগ। বাকি বিপুল পরিমান তুলা বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বাংলাদেশ দেশে তুলা উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে আরও প্রচেষ্টা চালানো হবে। এ উৎপাদন দ্বিগুন হলেও বিপুল পরিমান তুলা বাংলাদেশকে বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে। এক্ষেত্রে তুলা আমদানিতে ডিউটি ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা দিতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকায় হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ কটন অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘৪র্থ গ্লোবাল কটন সামিট বাংলাদেশ-২০২৩’ এ প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানের সময় এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আগামী দুই বছরের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের তৈরী পোশাক রপ্তানি করতে চাইলে বিপুল পরিমান তুলার প্রয়োজন হবে। তুলার উৎপাদন বাংলাদেশে কিভাবে বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বসে আলাপ আলোচনা করে ঠিক করা হবে। কম্বোডিয়ার মতো পৃথিবীর অনেক দেশে জমি অব্যবহ্যত থাকে। সেখানে মানুষ কম, চাষাবাদের প্রয়োজন হয় না। আমাদের দেশে দক্ষ জনবল আছে। এ ধরনের জমি লিজ নিয়ে যদি সেখানে তুলা উৎপাদন করে দেশে আনা যায়, তা দিয়ে আমরা তুলার প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

বাংলাদেশ কটন অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আইয়ুবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গেষ্ট অফ অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা দূতাবাসের চার্জ ডি এ্যাফেয়ার্স হেলেন লা ফেভ, ঢাকাস্থ ব্রাজিল দূতাবাসের অ্যাম্বাসেডর পাউলো ফারনানদো ডায়াস ফেরিস, ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার, এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী খোকন, বিজিএমইএ’র প্রেসিডেন্ট ফারুক হোসেন।

ডিমের বাজারে আবারও অস্থিরতা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ডিমের বাজারে আবারও  আগুন। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি হালি ডিমের দাম বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বাজারে ডিমের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর বাজারগুলোতে আকার ভেদে ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৫০ টাকায়। আবার কোথাও কোথাও ১৫৫ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরায় ছোট আকারের ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়। আর একটু বড় আকারের ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। কোথাও কোথাও ডিমের হালি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে হাঁসের ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। আর দেশি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়।

এক সপ্তাহ আগে খুচরা বাজারে ডিমের হালি বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকায়। আর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ফার্মের মুরগির হালি বিক্রি হয়েছে ৩৮ টাকায়। হাঁসের ডিমের হালি বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। আর দেশি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে।

কমলাপুর বাজারে ডিম কিনতে আসা পারভেজ মল্লিক বলেন, ৫ জানুয়ারি দুই ডজন ডিম কিনেছি ১১০ টাকা করে ২২০ টাকায়। আজ কিনতে এসেছি, দোকানদার বলছে, ১৪০ টাকা ডজন। মাত্র ১২ থেকে ১৪ দিনে ডিমের দাম ডজনে ৩০ টাকা বেড়েছে। মহাখালী ওয়ারলেসের ব্যবসায়ী আরিফুল আলম জুম্মান বলেন, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ডিমের ডজন বিক্রি করেছি ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়। সেই ডিম এখন বিক্রি করছি ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। সাইজে একটু বড় ডিমের ডজন বিক্রি করছি ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়।

পাইকারি কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ী অগর মন্ডল বলেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় ডিমের সরবরাহ কম হওয়ায় দাম বেড়েছে। মুরগির খাবারের দাম বাড়ার পর যাতায়াত ভাড়াও বেড়েছে। খামারিদের থেকে কম দামে আনতে পারলে ভোক্তাদেরও কম দামে ডিম দিতে পারব।

আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক বাজারে বুধবারও (১৮ জানুয়ারি) স্বর্ণের দাম কমেছে। এদিন আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক স্বর্ণের স্পট মূল্য শূন্য দশমিক ২ শতাংশ নিম্নমুখী পেয়েছে। প্রতি আউন্সের দাম স্থির হয়েছে ১৯০৪ ডলার ৮৪ সেন্টে। আগের দিন মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) যার দর ছিল ১৯০৪ ডলার ৮৭ সেন্ট। গত সোমবার (১৬ জানুয়ারি) যা ছিল ১৯১৮ ডলার ৬৬ সেন্ট।

একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক স্বর্ণের সরবরাহ মূল্য পড়েছে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ।আউন্সপ্রতি দাম নিষ্পত্তি হয়েছে ১৯০৭ ডলারে। আগের দিন মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) যার দর ছিল ১৯০৯ ডলার ৯ সেন্টে। গত সোমবার যা ছিল ১৯২৩ ডলার ২০ সেন্ট। অর্থাৎ টানা ৩ দিন ধরে দামি ধাতুটির দরপতন ঘটছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার উচ্চ রাখার আভাস দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) কর্মকর্তারা। এতে দামি ধাতুটির মূল্য হ্রাস পেয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

গত ৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গিয়েছিল ডলারের মূল্য। সেই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রা। বর্তমানে সেটি স্থিতিশীল আছে।

জিওজিত ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের পণ্য গবেষণা প্রধান হারিশ ভি বলেন, আগামীতে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কি থাকে এবং ফেড কোন ধরনের পলিসি গ্রহণ করে, সেটার ওপর নির্ভর করবে স্বর্ণের দর কেমন থাকবে।

২৭৪ কোটি টাকার তেল-ডাল কিনছে টিসিবি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ১০ লাখ মেট্রিক টন সয়াবিন তেল এবং ৮ হাজার মেট্রিক টন ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে খরচ হবে ২৭৪ কোটি ১৬ লাখ ৯৬ হাজার ৮০০ টাকা। এই তেল ও ডাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) ভার্চুয়ালি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান।

তিনি বলেন, আজকে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদনের জন্য ৫টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। তার মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ১টি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২টি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রস্তাবনা ছিল। ৫টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ৩৭৯ কোটি ৩৭ লাখ ৩ হাজার ৬৪ টাকা।

তিনি জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভারতের ইটিসি অ্যাগ্রো প্রসেসিং প্রাইভেট লিমিটেডের (ঢাকায় স্থানীয় এজেন্ট এক্সপোর্ট ট্রেডিং বিডি লিমিটেড) এর কাছ থেকে ৭৩ কোটি ৯৬ লাখ ৯৬ হাজার ৮০০ হাজার টাকায় এ ডাল কেনা হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অপর একটি প্রস্তাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে এক কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শুন শিং এডিবল ওয়েল লিমিটেডের কাছ থেকে ২০০ কোটি ২০ লাখ টাকায় এ তেল কেনা হবে। আগের মূল্য ছিল প্রতি লিটার ১৮৪ দশমিক পাঁচ টাকা। বর্তমানে ১৮২ টাকায় কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সেনা এডিবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রির কাছ থেকে ৪৪ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে মোট ব্যয় ধরা হয় ৮১ কোটি ১৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লিটারের দাম ধরা হয় ১৮৪ টাকা ৫০ পয়সা।

একইসঙ্গে স্থানীয়ভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে শুন শিং এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা। এজন্য ব্যয় ধরা হয় ১০১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতি লিটারের দাম ধরা হয় ১৮৪ টাকা ৫০ পয়সা।

এছাড়া ওই সভায় আন্তর্জাতিক সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ওমানের জাদ আল রাহিল ইন্টারন্যাশনাল এলএলসি সুলতানাত থেকে ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এজন্য ব্যয় ধরা হয় ১৫১ কোটি ৭৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। প্রতি লিটারের জন্য খরচ ধরা হয় ১৩৭ টাকা ৯৪ পয়সা।

অপরদিকে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ভারতের আরবেল বাকলিয়াত হুবুবাত সান্তিক এএস থেকে ৮ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এজন্য ব্যয় ধরা হয় ৮১ কোটি ৫৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। আরবেল বাকলিয়াত হুবুবাত সান্তিক এএস এর লোকাল এজেন্ট বিআইএনকিউ।

ফ্যামিলি বা পরিবার কার্ডের আওতায় একজন কার্ডধারীর কাছে সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক কেজি চিনি ও দুই কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, ১ কেজি মসুর ডাল ৬৫ টাকা ও প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে শুধু সিটি করপোরেশন এলাকা ও টিসিবির আঞ্চলিক কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে।

দেশে কোটিপতির সংখ্যা কমেছে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাবধারীর সংখ্যা কমেছে। তবে এসময়ে মোট আমানতের পরিমাণ বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরভিত্তিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২২ সালের জুন প্রান্তিক শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল এক লাখ ৮ হাজার ৪৫৭ জন।

সেপ্টেম্বর শেষে কোটিপতির সংখ্যা কমে দাঁড়ায় এক লাখ ৬ হাজার ৫২০ জনে। সেই হিসেবে তিন মাসের ব্যবধানে দেশে কোটিপতি কমেছে ১ হাজার ৯৩৭ জন। এর মধ্যে ৩০ জুন শেষে ৫০ কোটি টাকার বেশি হিসাবধারী ছিল ১ হাজার ৮০৫ জন। ৩০ সেপ্টেম্বর তা কমে হয়েছে ১ হাজার ৬৬০ জন।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কয়েকটি কারণে কোটি টাকার হিসাব কমেছে। এর মধ্যে জ্বালানি পণ্যের ব্যয় বৃদ্ধি, আগের মতো আমানত রাখতে না পারা, জমানো অর্থ খরচসহ ব্যাংকের টাকা তুলে ফ্ল্যাট, প্লট ও জমিজমা কেনা উল্লেখযোগ্য।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, কোটি টাকার হিসাব কমে যাওয়া মানে এসব অর্থ অন্য খাতে চলে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ফ্ল্যাট, প্লট ও জমির দাম অনেক বেড়ে গেছে। বিত্তশালীরা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে জমি বা ফ্ল্যাট কিনে রাখছেন। কারণ এসবের দাম সাধারণত কমে না, বাড়তেই থাকে। এ ছাড়া অনেকে ডলার কিনে রাখছেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ৫ জন। ১৯৭৫ সালে তা ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ৯৮টি। এরপর ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪টি, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭টি এবং ২০০৮ সালে ছিল ১৯ হাজার ১৬৩টি। ২০২০ সালে ডিসেম্বর শেষে দাঁড়ায় ৯৩ হাজার ৮৯০টিতে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা বেড়ে এক লাখ এক হাজার ৯৭৬টিতে পৌঁছায়।

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক: দেশের বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম। মূল্যবান এই ধাতুর দাম ভরিতে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বেড়ে ৯৩ হাজার ৪২৯ টাকা দাঁড়াল। এতোদিন ছিল ৯০ হাজার ৭৪৬ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল হক ভূঁইয়া লিটন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার (১৫ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে এ দাম কার্যকর হবে।

এর আগে গত ৭ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম বাড়ায় বাজুস, যা ৮ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। তখন প্রথমবারের মতো দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯০ হাজার টাকা ছাড়ায়।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এমতাবস্থায় আজ ১৪ জানুয়ারি ২০২৩ বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন-বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড মনিটরিং এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিচেনায় এনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৫ জানুয়ারি ২০১৩ রোববার থেকে নতুন দর কার্যকর হবে বলে জানায় বাজুস।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম পড়বে ৯৩ হাজার ৪২৯ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই হাজার ৫৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৮৯ হাজার ১৭১ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই হাজার ২১৭ টাকা বাড়িয়ে ৭৬ হাজার ৪৫৮ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ৮০৭ টাকা বাড়িয়ে ৬৩ হাজার ৬৮৫ টাকা করা হয়েছে।

জমে উঠেছে বাণিজ্য মেলা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর পূর্বাচলে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চীন মৈত্রী এক্সিবিশন সেন্টারে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। প্রথম দিকে শীত ও বিভিন্ন কারণে মেলা জমে না উঠলেও ১৪তম দিনে এসে জমে উঠেছে মেলা। আজ (শনিবার) ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকেই দর্শনার্থীরা আসতে শুরু করেন
মেলায়। আর বেলা বাড়ার সাথে সাথে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়ে কানায় কানায় পূর্ণ হয়েছে মেলা প্রাঙ্গণ। মেলার স্টলে স্টলে চলছিল ক্রেতাদের সমাগম।

বিক্রি আগের তুলনায় বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। প্রথম দিকে বেচাকেনা কম হলেও এখন ভালোই হচ্ছে বিক্রি। মেলার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও আয়োজকরা বলেন, সকালে লোক সমাগম কম থাকলেও বিকেল থেকে লোকসমাগম বাড়তে শুরু করে। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হতে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। মেলার দোকানে দোকানে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়। বিশেষ করে খাবার দোকানে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

গত পহেলা জানুয়ারি থেকে ঢাকার পূর্বাচলের ৪ নম্বর সেক্টরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) দ্বিতীয়বারের মতো মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলার আসর বসেছে। মেলার শুরু থেকে লোকসমাগম একেবারে ছিল না। তার ওপরে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করে। তবে এখন পুরোদমে জমে উঠেছে মেলা।

মেলায় দেশি-বিদেশি ৩৩১ প্রতিষ্ঠানের স্টল রয়েছে। ‘এরমধ্যে কয়েকটি প্যাভিলিয়ন ও মিনি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার ১০৬টি স্টল বেড়েছে। বিদেশি ১০ দেশের ১৭টি স্টল রয়েছে। এবার বড় পরিসরে মেলার আয়োজন করা হয়েছে।’

মেলায় খাদ্যপণ্যের মান এবং মূল্যের বিষয়ে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন আয়োজকরা। খাদ্যপণ্যের মূল্য নির্দিষ্ট থাকবে। মেলায় যাতায়াতে যাতে কোনও ধরনের নিরাপত্তার ব্যাঘাত না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ।

মেলায় যাতায়াতের সুবিধার জন্য গতবারের মতো বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা আছে। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মেলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত ৭০টি বিআরটিসি বাস চলাচল করছে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। এসব বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। তবে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে।

রমজানে নিত্যপণ্যের কোনো সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, এবারের রমজান মাসে নিত্যপণ্যের কোনো সংকট হবে না। অতি দরকারি পণ্যগুলোর মজুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) হাজারীবাগে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ দাবি করেন তিনি। এসময় দেশে চলমান ডলার সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পণ্য আমদানিতে এলসি খুলতেও কোনো জটিলতা নেই।

গত ৪ জানুয়ারি সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের পঞ্চম সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, মসুর ডাল, ছোলা, খেজুর ও চিনি রমজান মাসের জন্য দরকারি পণ্য। এ ৬ পণ্য মজুত রাখার ব্যবস্থা করা হবে।

আগামী রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছিলেন টিপু মুনশি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এলসি খোলার সমস্যা নিয়ে তিনি সে সময়ে বলেন, ‘এলসি খোলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে; আমরা এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলব। আশা করি, এ সমস্যা শিগগিরই সমাধান হবে। ’

বাড়ল বিদ্যুতের দাম
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ভোক্তাপর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা দাম ইউনিট প্রতি বাড়ানো হয়েছে ১৯ পয়সা। ১ জানুয়ারি থেকে নতুন এ দাম কার্যকর করা হবে। একইসঙ্গে এখন থেকে প্রতি মাসে বিদ্যুতের খুচরা দাম নিয়মিত সমন্বয় করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) এক নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির এ তথ্য জানানো হয়।
 

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে সঞ্চালন সংস্থা ও বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি হয়।  

গণশুনানি শেষে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি কমিটি ইউনিটপ্রতি এক টাকা ২১ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করে।

ভারত থেকে সাড়ে ১২ হাজার টন চিনি কিনবে সরকার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) জন্য আন্তর্জাতিক ক্রয় পদ্ধতিতে ভারত থেকে ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চিনি কিনবে সরকার।  

প্রতিকেজি ৫৬ টাকা দরে মোট খরচ হবে ৭০ কোটি ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

ধবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে ভার্চ্যুয়ালি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর বিস্তারিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান সাংবাদিকদের জানান, ক্রয় কমিটির অনুমোদনের জন্য ১০টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। ক্রয়ের প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের ৩টি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ২টি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের ১টি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ১টি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ১টি, স্থানীয় সরকার বিভাগের ১টি এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রস্তাবনা ছিল। এর মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবটি ফেরত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আরও জানান, কলকাতার শ্রীনোভা ইস্পাত প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চিনি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের জন্য এই চিনি কেনা হবে।

আন্তর্জাতিকভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এই চিনি কিনতে খরচ হবে ৭০ কোটি ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি চিনি কিনতে খরচ হবে ৫৬ টাকা ২ পয়সা।

এর আগে, গত বছরের ১০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ব্রাজিল থেকে ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চিনি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। টিসিবির জন্য কেনা ওই চিনির জন্য খরচ ধরা হয় ৬৫ লাখ ৫২ হাজার ৬২৫ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ৬৫ কোটি ৯৮ লাখ ৪৯ হাজার ৩৩৭ টাকা। প্রতি টন চিনির দাম ধরা হয় ৫২৪ মার্কিন ডলার।


   Page 1 of 30
     অর্থ-বাণিজ্য
ব্র্যাক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের হাজারতম আউটলেট চালু
.............................................................................................
ডিম-মুরগি-সবজির দাম বেড়েছে
.............................................................................................
রমজানে পাঁচ নিত্যপণ্যের কোনো সংকট হবে না
.............................................................................................
চিনির দাম বাড়ল কেজিতে ৫ টাকা, খোলা ১০৭ প্যাকেট ১১২ টাকা
.............................................................................................
বিশ্বব্যাংকের এমডির কাছে সহায়তার অনুরোধ অর্থমন্ত্রীর
.............................................................................................
ডলার সংকটে ভোগ্যপণ্য আমদানিকারকরা
.............................................................................................
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিউটি ফ্রি তুলা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ডিমের বাজারে আবারও অস্থিরতা
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
২৭৪ কোটি টাকার তেল-ডাল কিনছে টিসিবি
.............................................................................................
দেশে কোটিপতির সংখ্যা কমেছে
.............................................................................................
আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
জমে উঠেছে বাণিজ্য মেলা
.............................................................................................
রমজানে নিত্যপণ্যের কোনো সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
বাড়ল বিদ্যুতের দাম
.............................................................................................
ভারত থেকে সাড়ে ১২ হাজার টন চিনি কিনবে সরকার
.............................................................................................
বাণিজ্য মেলায় বাড়ছে ভিড়, মূল্য নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং টিম চালু
.............................................................................................
আপাতত টিসিবি পণ্যের পরিমাণ বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে সোনা, ভরি ৯০,৭৪৬ টাকা
.............................................................................................
জমজমাট বাণিজ্য মেলা
.............................................................................................
বেড়েছে সবজি ও মাছের দাম
.............................................................................................
রসিক নির্বাচন: ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুনরায় ভোটগ্রহণ ১৫ জানুয়ারি
.............................................................................................
খাগড়াছড়ির রামগড়ে চালু হচ্ছে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম
.............................................................................................
জমে উঠছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা
.............................................................................................
ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে ১ লাখ টন চাল কিনবে সরকার
.............................................................................................
কোম্পানিগুলোকে ওষুধের দাম কমানোর উপায় দেখিয়ে দিলো অধিদফতর
.............................................................................................
ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
সয়াবিন ও পাম তেলে ভ্যাট প্রত্যাহারের মেয়াদ বাড়লো
.............................................................................................
নতুন বছরের প্রথম মাসেই কমল এলপিজির দাম
.............................................................................................
গতি বেড়েছে রেমিট্যান্সে
.............................................................................................
বাণিজ্য মেলা শুরু ১ জানুয়ারি, প্রত্যাশা ২০০ কোটি টাকার বেশি
.............................................................................................
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ৮৮ হাজার ৪১৩ টাকা
.............................................................................................
টিসিবির জন্য কেনা হবে ২ কোটি ৯ লাখ লিটার সয়াবিন তেল
.............................................................................................
তিন প্রকল্পে ১৬৮২ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন
.............................................................................................
লাইসেন্স ছাড়া খাদ্যপণ্য বিক্রি, জরিমানা ৭৫ হাজার টাকা
.............................................................................................
১ জানুয়ারি শুরু বাণিজ্য মেলা, যাতায়াতে থাকবে বাস সুবিধা
.............................................................................................
বাংলাদেশ ভারতের রপ্তানি বাড়াতে আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
জ্বালানি খাতকে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে: প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
ব্যাংকের বাড়তি বিনিয়োগ সীমার মেয়াদ বাড়ল
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সীমার সময় বাড়লো
.............................................................................................
জরুরী ৮ টি পণ্য বাকিতে পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা: বানিজ্য মন্ত্রী
.............................................................................................
ফ্যামিলি কার্ডে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু আগামীকাল
.............................................................................................
রমজান মাসে জরুরি ভিত্তিতে রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ চায়:এফবিসিসিআই
.............................................................................................
অগ্রণী ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পারভীন আকতারের যোগদান
.............................................................................................
অগ্রণী ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পারভীন আকতারের যোগদান
.............................................................................................
অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের বৃত্তি প্রদান
.............................................................................................
ফরিদপুরে আড়ংয়ের ২৬তম আউটলেট উদ্বোধন
.............................................................................................
বৈশ্বিক সঙ্কটের মধ্যেও রপ্তানি আয়ে সাফল্য
.............................................................................................
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল
.............................................................................................
আইএমএফ থেকে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT