রবিবার, ২ অক্টোবর 2022 বাংলার জন্য ক্লিক করুন
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
যুক্তরাষ্ট্রে হারিকেন ইয়ানের আঘাতে নিহত ৪৫

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বিধ্বংসী হারিকেন ইয়ানের আঘাতে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ফ্লোরিডার বিভিন্ন শহরে অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ঝড়ে পুরো রাজ্য বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। মার্কিন রাষ্ট্রটি একদিকে আটলান্টিক মহাসাগর এবং অন্যদিকে মেক্সিকো উপসাগর দ্বারা বেষ্টিত। শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফ্লোরিডার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানে হারিকেন ইয়ান, যেটিকে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউএস ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার (এনএইচসি) অনুসারে, ইয়ান ফ্লোরিডার ফোর্ট মায়ার্সের পশ্চিমে কায়ো কোস্টা উপকূলে, ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার স্থানীয় সময় ভোর ৩টার দিকে ল্যান্ডফল করেছে। ফোর্ট মায়ার্স এবং আশেপাশের এলাকায় বাতাসের ঝোড়ো গতি ছিল ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার। সেই মুহূর্তে, বুধবার ফ্লোরিডায় ল্যান্ডফল করার পর, বৃহস্পতিবার ঝড়টি দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং ফ্লোরিডার প্রতিবেশী রাজ্য উত্তর ও দক্ষিণ ক্যারোলিনা অতিক্রম করার সাথে সাথে এটি একটি স্বাভাবিক হারিকেনে পরিণত হয়, এনএইচসি-র বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে।

তবে ইয়ান ফ্লোরিডায় ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিলো। প্রবল বাতাস এবং উচ্চ জোয়ারের কারণে রাজ্যের উপকূলীয় শহরগুলির কোনও ভবন ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। ফোর্ট মায়ার্স শহর, যেখানে বুধবার ঝড় আঘাত হানে, প্রায় একটি হ্রদ ছিল। উচ্চ জোয়ারের পাশাপাশি, মুষলধারে বৃষ্টির কারণে অরল্যান্ডো, ফ্লোরিডা সহ সমুদ্র থেকে দূরে শহরগুলিতেও বন্যা দেখা দিয়েছে। ফোর্ট মায়ার্স এবং এর নিকটবর্তী শহর নেপলস ইয়ান থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুটি শহরই ফ্লোরিডার লি কাউন্টির অন্তর্গত। লি মেয়র রজার ডেসজারলাইস তার জেলার পরিস্থিতি সম্পর্কে সিএনএনকে বলেছেন, “লির প্রায় প্রতিটি বিল্ডিংয়ের অবস্থা, যখন আপনি কিছু তোলেন এবং অনেক জোরে তা ভেঙে ফেলেন।” কোনো ভবন অবশিষ্ট নেই। মৃতের সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি লি জেলায়। হারিকেনের কারণে সমস্ত ফ্লোরিডায় যে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৬ জন ফ্লোরিডার বাসিন্দা, মার্কিন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ফ্লোরিডা শাখা।

মেয়য় বলেন,”আমরা ইতিমধ্যে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছি, কিন্তু এখনও অনেককে আনা যায়নি।” ফলে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। ‘এদিকে, ঝড়ের কারণে ফ্লোরিডা জুড়ে তীব্র বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে। লি, শার্লট, ডিসোটো এবং হার্ডি সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বর্তমানে ১.৬ লাখেরও বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন। সেই সঙ্গে শুরু হয় ব্যাপক বন্যা। রাজ্য আবহাওয়া ব্যুরো অনুসারে, রাজ্যের সমস্ত শহর বন্যার জলে প্লাবিত হয়েছিল এবং ফ্লোরিডায় এত বড় আকারের বন্যা আগে দেখা যায়নি।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হারিকেন ইয়ানকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ হিসেবে উল্লেখ করে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক মার্কিন ইতিহাসে এত বড় ধ্বংসযজ্ঞ দেখা যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, পুনর্নির্মাণে বছর লেগে যেতে পারে। ‘ কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ফ্লোরিডা রাজ্যকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। সূত্র – সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রে হারিকেন ইয়ানের আঘাতে নিহত ৪৫
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বিধ্বংসী হারিকেন ইয়ানের আঘাতে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ফ্লোরিডার বিভিন্ন শহরে অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ঝড়ে পুরো রাজ্য বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। মার্কিন রাষ্ট্রটি একদিকে আটলান্টিক মহাসাগর এবং অন্যদিকে মেক্সিকো উপসাগর দ্বারা বেষ্টিত। শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফ্লোরিডার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানে হারিকেন ইয়ান, যেটিকে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউএস ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার (এনএইচসি) অনুসারে, ইয়ান ফ্লোরিডার ফোর্ট মায়ার্সের পশ্চিমে কায়ো কোস্টা উপকূলে, ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার স্থানীয় সময় ভোর ৩টার দিকে ল্যান্ডফল করেছে। ফোর্ট মায়ার্স এবং আশেপাশের এলাকায় বাতাসের ঝোড়ো গতি ছিল ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার। সেই মুহূর্তে, বুধবার ফ্লোরিডায় ল্যান্ডফল করার পর, বৃহস্পতিবার ঝড়টি দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং ফ্লোরিডার প্রতিবেশী রাজ্য উত্তর ও দক্ষিণ ক্যারোলিনা অতিক্রম করার সাথে সাথে এটি একটি স্বাভাবিক হারিকেনে পরিণত হয়, এনএইচসি-র বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে।

তবে ইয়ান ফ্লোরিডায় ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিলো। প্রবল বাতাস এবং উচ্চ জোয়ারের কারণে রাজ্যের উপকূলীয় শহরগুলির কোনও ভবন ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। ফোর্ট মায়ার্স শহর, যেখানে বুধবার ঝড় আঘাত হানে, প্রায় একটি হ্রদ ছিল। উচ্চ জোয়ারের পাশাপাশি, মুষলধারে বৃষ্টির কারণে অরল্যান্ডো, ফ্লোরিডা সহ সমুদ্র থেকে দূরে শহরগুলিতেও বন্যা দেখা দিয়েছে। ফোর্ট মায়ার্স এবং এর নিকটবর্তী শহর নেপলস ইয়ান থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুটি শহরই ফ্লোরিডার লি কাউন্টির অন্তর্গত। লি মেয়র রজার ডেসজারলাইস তার জেলার পরিস্থিতি সম্পর্কে সিএনএনকে বলেছেন, “লির প্রায় প্রতিটি বিল্ডিংয়ের অবস্থা, যখন আপনি কিছু তোলেন এবং অনেক জোরে তা ভেঙে ফেলেন।” কোনো ভবন অবশিষ্ট নেই। মৃতের সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি লি জেলায়। হারিকেনের কারণে সমস্ত ফ্লোরিডায় যে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৬ জন ফ্লোরিডার বাসিন্দা, মার্কিন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ফ্লোরিডা শাখা।

মেয়য় বলেন,”আমরা ইতিমধ্যে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছি, কিন্তু এখনও অনেককে আনা যায়নি।” ফলে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। ‘এদিকে, ঝড়ের কারণে ফ্লোরিডা জুড়ে তীব্র বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে। লি, শার্লট, ডিসোটো এবং হার্ডি সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বর্তমানে ১.৬ লাখেরও বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন। সেই সঙ্গে শুরু হয় ব্যাপক বন্যা। রাজ্য আবহাওয়া ব্যুরো অনুসারে, রাজ্যের সমস্ত শহর বন্যার জলে প্লাবিত হয়েছিল এবং ফ্লোরিডায় এত বড় আকারের বন্যা আগে দেখা যায়নি।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হারিকেন ইয়ানকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ হিসেবে উল্লেখ করে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক মার্কিন ইতিহাসে এত বড় ধ্বংসযজ্ঞ দেখা যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, পুনর্নির্মাণে বছর লেগে যেতে পারে। ‘ কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ফ্লোরিডা রাজ্যকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। সূত্র – সিএনএন

রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে নিজেদের অংশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই রুশ আগ্রাসনের তীব্র বিরোধিতা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মস্কোর এই ঘোষণার অল্প সময় পরেই দেশটির ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে।

এই প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তর জানিয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িত রাশিয়ার সমরাস্ত্র নির্মাণশিল্প মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স ছাড়াও দেশটির বড় দুটি আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, রাশিয়ার আর্থিক খাতের তিন নেতা, রাশিয়ার কিছু জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পরিবারের সদস্য এবং রাশিয়ার আইনসভার ২৭৮ জন সদস্য এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন বলেন, “পুতিন প্রতারণা করে ইউক্রেনের কিছু অংশ নিজ দেশের সঙ্গে সংযুক্ত করার চেষ্টা করায় আমরা তার পাশে নেই। দেশটির অবৈধ যুদ্ধ চালানোর ক্ষমতাকে দুর্বল করতে ব্যাপক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” ইয়েলেন আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্রদেশগুলো রাশিয়ার ভেতর–বাইরে যারা এই যুদ্ধ এবং এই জালিয়াতি গণভোটে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।”

ইউক্রেনে নিজেদের নিয়ন্ত্রিত চার অঞ্চলকে রুশ ফেডারেশনে যুক্ত করে চুক্তিতে সই করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার ক্রেমলিনে ওই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে যুক্ত করা ইউক্রেনের চার অঞ্চল হলো খেরসন, জাপোরিঝঝিয়া, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক। রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে এ অঞ্চলগুলোতে গণভোটের আয়োজন করেছিল মস্কো। গত শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে ওই ভোট।
সূত্রঃ বিবিসি

ক্ষমতাচ্যুত হলেন বুরকিনা ফাসোর সামরিক শাসক
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
আট মাস আগে অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে বুরকিনা ফাসোয় ক্ষমতা দখল করা সামরিক শাসক পল হেনরি দামিবাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওর। এর মধ্য দিয়ে পশ্চিম আফ্রিকার দেশটিতে দ্বিতীয় অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটল।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে ট্রাওর বলেছেন, দেশে ক্রমবর্ধমান সশস্ত্র বিদ্রোহ মোকাবিলায় অক্ষমতার কারণে দামিবাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সামরিক কর্মকর্তাদের একটি দল। এর পাশাপাশি সরকার ভেঙে দেওয়া, সংবিধান ও অন্তর্বর্তীকালীন সনদ স্থগিত করা, দেশব্যাপী কারফিউ জারি এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে অভ্যুত্থানকারীরা।

জানা যায়, দামিবা নিজেও গত জানুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোচ কাবোরকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিলেন। এর মধ্য দিয়ে মাত্র আট মাসের ব্যবধানে পশ্চিম আফ্রিকার দেশটিতে দ্বিতীয় অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটল। বুরকিনা ফাসোয় দীর্ঘদিন ধরে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর লড়াই চলছে। এর মধ্যে কিছু গোষ্ঠীর সঙ্গে আল-কায়েদা এবং আইএসআইএল (আইএস)-এর সম্পর্ক রয়েছে।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বুরকিনা ফাসোর প্রায় ৪০ শতাংশ এলাকা সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। দেশটিতে জনগণের মধ্যে নিরাপত্তা সংক্রান্ত হতাশা বেড়েই চলেছে। গত অভ্যুত্থানের সামরিক নেতারাও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে মোকাবিলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ইকোনমিক কমিউনিটি অব ওয়েস্ট আফ্রিকান স্টেটস (ইকোওয়াস) শুক্রবারের অভ্যুত্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, “এটি এমন একটি ‘অনুকূল’ সময়ে হয়েছে, যখন সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ফেরানোর দিকে অগ্রগতি হচ্ছিল।”

এদিকে, শুক্রবার বুরকিনা ফাসোর সীমান্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ এবং সব রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছেন ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওর। এছাড়া রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি করা হয়েছে কারফিউ। ট্রাওরের সই করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অবনতিশীল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে আমরা দামিবাকে নিরাপত্তার প্রশ্নে ফের দৃষ্টিপাত করাতে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছি। তার উচ্চাকাঙ্ক্ষাগুলোর কারণে আমরা যা করতে শুরু করেছিলাম তা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তাই আমরা আজ তাকে [ক্ষমতা থেকে] সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শিগগির একটি নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সনদ গ্রহণ এবং একজন নতুন বেসামরিক বা সামরিক প্রেসিডেন্ট মনোনীত করার জন্য জাতীয় অংশীদারদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। বুরকিনা ফাসোর সামরিক অভ্যুত্থানে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, বুরকিনা ফাসোয় শান্তি প্রয়োজন, স্থিতিশীলতা প্রয়োজন এবং দেশটির কিছু অংশে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও অপরাধমূলক নেটওয়ার্কগুলোর বিরুদ্ধে লড়তে ঐক্যের প্রয়োজন।

সামরিক সরকার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার অঙ্গীকার সত্ত্বেও গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে দেশটিতে বিদ্রোহীদের হামলা বাড়তে দেখা গেছে। সূত্রঃ আলজাজিরা

রাশিয়ার গণভোট আন্তর্জাতিক নীতির ‘প্রকাশ্য লঙ্ঘন’: বাইডেন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বৃহস্পতিবার দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন যে, ইউক্রেনে রাশিয়ার নেতৃত্বে গণভোটের ফলাফলকে ‘কখনোই, কখনোই, কখনোই’ স্বীকৃতি দেবে না। তিনি এই তথাকথিত প্রহসনের গণভোটকে আন্তর্জাতিক নীতির ‘প্রকাশ্য লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছেন।

ওয়াশিংটনে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপের নেতাদের সঙ্গে দেখা করার সময় বাইডেন বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে খুব স্পষ্ট হতে চাই। ইউক্রেনের সার্বভৌম ভূখন্ডে রাশিয়ার দাবিকে যুক্তরাষ্ট্র কখনোই স্বীকৃতি দেবে না।’ তিনি বলেন, ‘তথাকথিত গণভোট ছিল একটি প্রহসন, একটি সম্পূর্ণ ছলনা। ফলাফল মস্কোতে তৈরি করা হয়েছিল।

বাইডেন বলেন, ‘ইউক্রেনীয় জনগণের সত্যিকারের ইচ্ছা প্রতিদিন প্রতিফলিত হচ্ছে, কারণ তারা তাদের জনগণকে বাঁচাতে এবং তাদের দেশের স্বাধীনতা বজায় রাখতে তাদের জীবন উৎসর্গ করছে।’

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কথা উল্লেখ করে বাইডেন বলেন, ‘পুতিনের সাম্রাজ্যবাদী উচ্চাকাক্সক্ষার জন্য ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার হামলা জাতিসংঘের সনদ এবং সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখন্ডতার মৌলিক নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।’ ক্রেমলিন বলেছে, ইউক্রেনের চারটি অংশের সংযুক্তিকরণ আনুষ্ঠানিকভাবে শুক্রবার ঘোষণা করা হবে, পুতিন একটি বক্তৃতা দেবেন।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা স্থল অভিযানে ইউক্রেনের সাফল্যের মধ্যে পুতিন অঞ্চলগুলিকে রক্ষা করার জন্য পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করার গোপন হুমকি দিয়েছেন। রাশিয়া গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে অভিযান শুরু করে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এর আগে ক্রেমলিনের মঞ্চস্থ ভোটকে আন্তর্জাতিক শান্তির অবমাননা বলে অভিহিত করেছেন।

রাশিয়ার অন্তর্ভূক্তকরণ মেনে নেওয়া হবে না: জাতিসংঘ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ইউক্রেনের দখল করে নেওয়া কয়েকটি অঞ্চল রাশিয়ার অন্তর্ভূক্তকরণের ঘোষণা দেওয়ার মস্কোর পরিকল্পনার বৃহস্পতিবার নিন্দা জানিয়ে এটিকে ‘একটি চরম উত্তেজনা বৃদ্ধিমূলক কর্মকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেন যার ‘আধুনিক বিশ্বে কোন স্থান নেই।’ খবর এএফপি’র।

এক বিবৃতিতে গুতেরেস বলেন, ‘ইউক্রেনের দনেৎস্ক, খেরসন ও জাপোরিজঝিয়া অঞ্চলকে অন্তর্ভূক্তকরণের যেকোন সিদ্ধান্ত অবৈধ এবং নিন্দনীয় হবে। ‘এটি অবশ্যই মেনে নেওয়া হবে না।’

এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, শুক্রবার ক্রেমলিনে একটি অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চারটি অঞ্চলকে রাশিয়ার সঙ্গে অন্তর্ভূক্ত করা হবে। এগুলোর অনেক এলাকা রাশিয়ার বাহিনী দখল করে নিয়েছে। গুতেরেস বলেন, শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ইউক্রেনের কোন ভূখণ্ডের যেকোন অন্তর্ভূক্তি জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

তিনি আগ্রাসন চালিয়ে দখল করে নেওয়া অঞ্চলগুলোতে রাশিয়ার প্রহসনের গণভোট অনুষ্ঠানের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি আরও বলেন, রাশিয়া ফেডারেশনের এ সনদের প্রতি সম্মান জানানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাইবার হামলা
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
এ হামলায় অপটাসের ৯৮ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির আশঙ্কা করা হচ্ছে; যা অষ্ট্রেলিয়ার মোট জনসংখ্যার ৩৭ শতাংশ। চলতি বছরের ৩১ মার্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী অপটাস গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটির কিছু বেশি।  

অপটাস বলছে, শুধুমাত্র বর্তমান গ্রাহকদের তথ্যই চুরি হয়নি, ২০১৭ সালের আগের গ্রাহকদের তথ্যও চুরি হয়ে থাকতে পারে। যেসব তথ্য চুরি হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে নাম, জন্মতারিখ, ফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর। তবে আর্থিক কোনো তথ্য বা কোনো পাসওয়ার্ড চুরি হয়নি বলে দাবি করা হচ্ছে অপটাসের তরফ থেকে।  

২১ সেপ্টেম্বর হামলার বিষয়টি বুঝতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই অপটাস তা অষ্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশকে জানায় ও হামলা প্রতিহত করে। এ ঘটনাকে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তথ্য চুরির ঘটনা বলে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, এতো বড় চুরির ঘটনাটি দেশের বাইরে থেকে সংঘটিত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার এ ঘটনাকে নজিরবিহীন আখ্যায়িত করে স্পর্শকাতর তথ্য চুরির জন্য অপটাসকে দায়ী করছে।

সূত্র : সিএসও অনলাইন ও বিবিসি।

পার্থ-অর্পিতার পূজা কাটবে গারদেই
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী ও তার ‘ঘনিষ্ট’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ল। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক। শুধু দুর্গাপূজা নয়, কালীপূজা ও ভাইফোঁটা জেলেই কাটাতে হবে পার্থ ও অর্পিতাকে। এক মাসেরও বেশি সময় জেল হেফাজতে কাটাতে হবে পার্থ ও অর্পিতাকে। অর্থাৎ, আদালতের যা নির্দেশ, তাতে গোটা উৎসবের সময়টা জেলেই কাটাতে হবে তাদের।

বুধবার ভার্চুয়াল শুনানিতে পার্থর আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদন জানান। অপর দিকে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদন না করা হলেও, তিনি মায়ের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি চান। অর্পিতার এই আবেদন অবশ্য মঞ্জুর করেছে আদালত। অর্পিতা যাতে তার মায়ের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, তার জন্য আলিপুর নারী সংশোধনাগারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সংশোধনাগারে গিয়ে পার্থ ও অর্পিতাকে জেরা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারককে তিনি বলেন, আমাকে যেকোনো শর্তে জামিন দিন। প্রয়োজনে বাড়িতে রেখে দিন। তবে জামিন দিন। তদন্তে সহযোগিতা করছেন বলেও আদালতে দাবি করেন পার্থ। একই সঙ্গে পার্থ প্রশ্ন তোলেন, অপ্রয়োজনে তাকে আটকে রাখা হচ্ছে। পাল্টা ইডির আইনজীবীরা তার জামিনের আর্জির বিরোধিতা করে আদালতে বলেন, উনি (পার্থ চট্টোপাধ্যায়) শেষ বার কেঁদেছিলেন। কিন্তু হাজার হাজার জনের চোখের জল বিবেচনা করুন যারা পূজার সময়েও গান্ধী মূর্তির নীচে বসে আছেন। অপর দিকে অর্পিতা বিচারককে বলেন, মায়ের সঙ্গে কথা বলতে চাই। ৬৫ দিন ধরে আছি। একটু কথা বলতে চাই। এ কথা বলেই কেঁদে ফেলেন অর্পিতা।

উল্লেখ্য, পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে টাকার পাহাড় উদ্ধার হওয়ার পর ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন পার্থ ও অর্পিতা। ২৩ জুলাই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে এখনো জামিন মেলেনি। একাধিকবার জামিনের আবেদন করেও কোনো কাজে আসেনি।

ইরাকের কুর্দিস্তানে ইরানের হামলা, নিহত ১৩
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দাবি করেছে, জঙ্গি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। যারা ইরানের সাম্প্রতিক দাঙ্গাকে সমর্থন করেছিল। সতর্ক করে বলা হয়েছে, আরও হামলা চালানো হতে পারে।

ইরাকি কুর্দি সূত্র জানিয়েছে, বুধবার সকালে ইরাকি কুর্দিস্তানের সুলায়মানিয়ার কাছে ইরানি কুর্দিদের অন্তত ১০টি ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

ইরাকের কুর্দিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামান বারজাঞ্চি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইরবিল ও সুলায়মানিয়ার কাছে হামলায় ১৩ জন নিহত ও ৫৮ জন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ‌্যে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশু রয়েছে। এছাড়া, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

ফেসবুককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে রোহিঙ্গাদের হাতে : অ্যামনেস্টি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
মিয়ানমারে নির্যাতিত মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য ছড়ানোয় ভূমিকা রাখায় ফেসবুককে তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির এ তথ্য জানিয়েছে।

২০১৭ সালে মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের  লক্ষ্যবস্তু বানায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। ওই সময় অনেকেই বাংলাদেশে চলে আসে। এর পর থেকে তারা শরণার্থীশিবিরে বসবাস করছে। ভুক্তভোগীদের সহযোগিতাকারী সংগঠন ও অধিকারকর্মীরা বলছেন, ফেসবুকের অ্যালগরিদম দ্বারা মিয়ানমারে সহিংসতা বেড়েছে। অ্যালগরিদম উগ্রপন্থী বিষয়বস্তু অতিমাত্রায় ছড়িয়েছে, যার ফলে ক্ষতিকর গুজব ও বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যকে উৎসাহিত করেছে।

প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি বলেছে, অনেক রোহিঙ্গা ফেসবুকের ‘রিপোর্ট’ফাংশনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাবিরোধী বিষয়বস্তু রিপোর্ট করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সফল হতে পারেননি। বরং ফেসবুকের মাধ্যমে বিদ্বেষপূর্ণ এসব বক্তব্যকে মিয়ানমারে বিপুলসংখ্যক দর্শকের কাছে ছড়িয়ে দিতে এবং পৌঁছানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত `ফেসবুক পেপারস`র উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরা অবগত ছিলেন ফেসবুক জাতিগত সংখ্যালঘু এবং অন্যান্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ক্ষতিকারক বিষয়বস্তু ছড়িয়ে দিচ্ছে। দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণের নির্দেশিকার অধীন ফেসবুকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের পাশাপাশি উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর ওইসিডি গ্রুপের কাছে মোট তিনটি মামলা করেছেন রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা।

গত ডিসেম্বরে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে । সেখানেই ফেসবুক ও এর মূল কোম্পানি মেটার সদর দপ্তর। ওই মামলায় ১৫ হাজার কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়েছে শরণার্থীরা।

এর আগে জাতিসংঘের তদন্তকারীরা দাবি করেন, রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিসংতা উস্কে দিতে ভূমিকা রেখেছিল ফেসবুক।

নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইনে ছিদ্র হওয়াকে নাশকতা বলছে ইইউ
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
বাল্টিক সাগরের নিচ দিয়ে রাশিয়া থেকে যে প্রধান দুটো পাইপলাইনের সাহায্যে ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ করা হয় তাতে ছিদ্র হওয়ার ঘটনাকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নাশকতা বলে উল্লেখ করেছে। তবে এজন্য তারা রাশিয়াকে দায়ী করে নি।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ফন ডের লেয়েন বলেছেন, গ্যাস সরবরাহে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই বিঘ্ন ঘটানোর "সম্ভাব্য কড়া জবাব" দেওয়া হবে।

তবে এর আগে ইউক্রেন এই ঘটনাকে "সন্ত্রাসী আক্রমণ" হিসেবে উল্লেখ করে এজন্য রাশিয়াকে অভিযুক্ত করেছে।

মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের একজন উপদেষ্টা বলেছেন, "এটি রাশিয়ার পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা ছাড়া কিছু নয়। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপরেও হামলা।"

ইউরোপীয় ইউনিয়ন অভিযোগ করে আসছিল যে রাশিয়া তাদের গ্যাস সরবরাহ এবং নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইনকে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন, তিনি মনে করেন পাইপলাইনে ছিদ্র হয়ে যাওয়ার এই ঘটনা "ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না।"

এই দুটো পাইপলাইনের কোনোটি দিয়েই বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে না, তবে দুটো পাইপেই গ্যাস আছে।

পাইপলাইনে ছিদ্র হওয়ার ঘটনায় মি. ব্লিনকেন রাশিয়াকে সরাসরি অভিযুক্ত করেন নি। তবে তিনি বলেছেন এনিয়ে তদন্ত চলছে।

"প্রাথমিক রিপোর্টে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে হামলা বা নাশকতার কারণে এরকমটা হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু এটা এখনও নিশ্চিত নয়," বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ইউরোপ এবং সারা বিশ্বের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য তারা সর্বক্ষণ কাজ করে যাচ্ছেন।

ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রধান চার্লস মিশেলও এসব কথার প্রতিধ্বনি করেছেন।

এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, "ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে জ্বালানি সরবরাহ অস্থিতিশীল করে তোলার জন্য নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইনে এই নাশকতা চালানো হয়েছে।"

ডেনমার্কের উপকূলে পাইপলাইনটিতে এসব ছিদ্র তৈরি হয়েছে। ডেনমার্কের জ্বালানি মন্ত্রী ড্যান ইওর্গেনসেন বলেছেন, পাইপ দুটো থেকে গ্যাস পুরোপুরি বের হয়ে যাওয়া পর্যন্ত এই ছিদ্র থাকবে। তিনি ধারণা করেছেন এজন্য এক সপ্তাহের মতো সময় লাগতে পারে। এর পরেই এনিয়ে তদন্ত শুরু হবে।

নর্ড স্ট্রিম টু পাইপটি যারা পরিচালনা করেন সোমবার দুপুরে তারা লক্ষ্য করেন যে পাইপলাইনটিতে গ্যাসের চাপ কমে গেছে।

এর পরে ডেনিশ কর্তৃপক্ষ বর্নহোম দ্বীপের কাছ দিয়ে চলাচল না করার জন্য জাহাজগুলোকে নির্দেশ দেয়।

পরে মঙ্গলবার নর্ড স্ট্রিম ওয়ান পাইপলাইনের পরিচালনাকারীরা জানান যে সমুদ্রের নিচে তাদের পাইপলাইনেও "নজিরবিহীন" ক্ষতি হয়েছে।

নর্ড স্ট্রিম ওয়ান পাইপলাইনে রয়েছে দুটো সমান্তরাল পাইপ। অগাস্ট মাসে রাশিয়া এই পাইপলাইন দিয়ে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকে এখান দিয়ে কোনো গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে না।

রাশিয়া বলছে, রক্ষণাবেক্ষণ-জনিত সমস্যার কারণে তারা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিযোগ যে রাশিয়া গ্যাসের এই সরবরাহকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আক্রমণ শুরু হওয়ার পর অন্য পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম টু-এর নির্মাণকাজ শেষ হওয়া সত্ত্বেও এটি দিয়ে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়নি।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকফ বলেছেন পাইপলাইনে ছিদ্র হওয়ার ঘটনা "অত্যন্ত উদ্বেগজনক।" তিনি বলেন, এই পাইপলাইনে উদ্দেশ্যমূলক হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

ভূকম্পবিদরা বলছেন পাইপলাইনে ছিদ্র হওয়ার কথা জানার আগে পানির নিচে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা কমান্ড থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে যাতে বাল্টিক সাগরের উপরি-পৃষ্ঠে বুদবুদ উঠতে দেখা যাচ্ছে।

"কোনো সন্দেহ নেই যে সেখানে বিস্ফোরণ হয়েছিল," বলেন সুইডেনের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের বিওর্ন লুন্দ।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

ফ্লোরিডায় ইয়ানের আঘাত, ২০ লাখ মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ইয়ান। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেলে ঘণ্টায় ১৫০ মাইল গতিতে উপকূলে আঘাত হানে ঝড়টি।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইয়ানের তাণ্ডবে ফ্লোরিডার ২০ লাখ মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে। ইয়ানের তাণ্ডব থামা পর্যন্ত ব্ল্যাকআউট অব্যাহত থাকবে।

হারিকেনের প্রভাবে ছোট একটি জাহাজ ডুবে গেছে। এতে নিখোঁজ হয়েছেন ২৩ জন।

ইয়ানের প্রভাবে তীব্র হাওয়া ও ব্যাপক বৃষ্টিপাত চলছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে। উপকূলীয় এলাকার মানুষকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশন দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বেশ কয়েকটি কাউন্টি থেকে আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বাসিন্দাদের। ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে অতি বর্ষণে তলিয়ে গেছে অনেক সড়ক। এটি আরও বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে বলে জানিয়েঝে সংশ্লিষ্টরা।

সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে নেপলস ও সারাসোটা শহরকে। সতর্কতা জারি করা হয়েছে আরও কিছু অঞ্চলে।

ইউক্রেনে গণভোট, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞার হুমকি
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ইউক্রেনের অধিকৃত ৪ অঞ্চলে গণভোটের আয়োজন করায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে ফ্রান্স। ফান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথরিন কলোনা এক বিবৃতিতে মঙ্গলবার এ হুমকি দেন। তিনি বলেন, গণভোটের নামে যে প্রহসন করেছে রাশিয়া তা সম্পূর্ণ অবৈধ। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে একটি দেশের ভূ-খণ্ড জবর-দখল কারায় গোটা ইউরোপের সব দেশ রাশিয়াকে প্রয়োজনে এক ঘরে করে রাখবে।   

এদিকে, ইউক্রেনের অধিকৃত চার অঞ্চলে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার গণভোটকে `অবৈধ` বলে আখ্যা দিয়েছে জাতিসংঘও। আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি মঙ্গলবার বলেছে, আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে ইউক্রেনের জবরদখল করা অঞ্চল চারটি নিজ ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে ওই লোক দেখানো গণভোটের আয়োজন করেছে।

কিন্তু রাশিযার এ বেআইনি কর্মকাণ্ড কেউ মেনে নেবে না। ইউক্রেনে দেশটির নিজস্ব আইন চলবে, রাশিয়ার চাপিয়ে দেওয়া কোনো আইন সেখানে কোনোভাবেই চলবে না। জাতিসংঘের রাজনীতিবিষয়ক প্রধান রোজমেরি ডি কার্লো মঙ্গলবার নিরাপত্তা পরিষদে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘ ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতিসংঘের ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, কথিত গণভোটের মাধ্যমে রাশিয়া আমাদের ভূখণ্ড চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে রাশিয়ার গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বুথফেরত জরিপ থেকে তারা জানতে পেরেছে— রাশিয়ায় যোগ দিতে গণভোটে বেশিরভাগ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন।

ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল দোনেৎস্ক, লুহানেস্ক, জাপোরিঝিয়া এবং খেরসনে গত শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত গণভোট আয়োজন করেছে রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। পশ্চিমা দেশগুলো আগেই জানিয়েছিল, গণভোটের ফলে দেখানো হবে বেশিরভাগ মানুষ রাশিয়ার সঙ্গে যোগ দিতে চায়। তারা বলছেন, তারা ফলের ব্যাপারে আগে থেকেই যা জানতেন সেটি এখন প্রকাশ করছে রাশিয়া।

রাশিয়ার গণমাধ্যম আরআইএ নভোস্তি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত চার ভাগের এক ভাগ ভোট গণনা করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি অঞ্চলেই অন্তত ৯৭ ভাগ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা এ ভোটকে ‘প্রপাগান্ডা শো’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কথিত গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পশ্চিমা দেশগুলো জানিয়েছে, তারা কখনো এ ‘ভুয়া’ গণভোটের ফলকে স্বীকৃতি দেবে না।

সব দেশের ভূঅখণ্ডতার প্রতি সম্মান জানানো উচিত: চীন
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
সব দেশের ‘ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার’ প্রতি সম্মান জানানো উচিত বলে মন্তব্য করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং জুন। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে চীনের রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। খবর এএফপির।

ইউক্রেনের রাশিয়া অধিকৃত কয়েকটি অঞ্চলে মস্কোর বিতর্কিত অন্তর্ভুক্তিকরণ গণভোট অনুষ্ঠানের পর বেইজিং এমন মন্তব্য করল। চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ইউক্রেন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান ও প্রস্তাব  দৃঢ় ও সুস্পষ্ট এবং তা হচ্ছে— বিশ্বের সব দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার প্রতি সম্মান জানাতে হবে।’

শেখ হাসিনার ভারত সফরকে এপারের মানুষ যেভাবে দেখছে
                                  

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক
ইন্টারনেটের যুগে গোটা পৃথিবী এখন মুঠো ফোনের দখলে। ফলে বাংলাদেশের পত্র-পত্রিকায় শেখ হাসিনার ভারত সফরকে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দল, আমজনতা এবং সংবাদমাধ্যম কীভাবে দেখছে, এপারে বসে আমরা তা দিব্যি জানতে পারছি। ম্যাডাম হাসিনার সফর চলাকালে ঢাকার দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের আলোচনায় অংশ নেওয়ার সুবাদে সরাসরি বোঝার সুযোগ হয়েছে সফরটাকে কী চোখে দেখছেন সে দেশের মানুষ। প্রধানমন্ত্রী, তার দল আওয়ামী লীগ এবং তাদের সমর্থকরা জোর গলায় বলছেন, সফর দারুণ সফল। অন্যদিকে, বিরোধী দল এবং তাদের সমর্থকরা বলছেন উল্টোটা, অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী খালি হাতে ফিরেছেন।

তাৎপর্যপূর্ণ হল, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফর নিয়ে এপারেও বিস্তর চর্চা হচ্ছে। ছোট ছোট আলোচনা সভায় কথা হচ্ছে। তাতে নানা দিক উঠে আসছে, যার মধ্যে দু-দেশের সরকার এবং জনসাধারণের মধ্যে বোঝাপড়া মজবুত করার দিশা তো আছেই, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন নতুন বিষয়কে যুক্ত করার প্রস্তাবও দিচ্ছেন কেউ কেউ।

কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নিশ্চয়ই সবচেয়ে আগে জানতে আগ্রহী হবেন, তিস্তার জল নিয়ে এপারের মানুষের বক্তব্য কী? কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা যে পিপল টু পিপল রিলেশনস বা জনগণের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলি তা সবচেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক হল প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে। যে সম্পর্কের পেছনে কাজ করে দীর্ঘদিনের সহাবস্থান, ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মেলবন্ধন। বাংলাদেশ ও ভারতের ক্ষেত্রে যা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি।

প্রতিবেশীরা একে অপরের বাড়িতে আমন্ত্রণ বা দাওয়াত পেলে খাওয়াদাওয়া শেষে আলোচনা হয়, মেনুতে চিকেন ছিল, নাকি মাটন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও কিছু কিছু ইস্যু ন্যায্য কারণে আমজমতার কাছে মাটন বিবেচিত হয়। এ নিয়ে মন কষাকষি, আড়ালে আলোচনা এড়ানো যায় যদি সদুত্তর থাকে এবং তা আর এক পক্ষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য ঠেকে।

তিস্তার জলের উপর বাংলাদেশের উত্তরভাগের মানুষের নির্ভরশীলতা উপেক্ষা করার নয়। ন্যায্য দাবিই একটা সময়ে আবেগে পরিণত হয়। বাংলাদেশের মানুষের সেই আবেগ এপারের মানুষকে স্পর্শ করে বলেই অনেকেই মনে করছেন, জল ভাগাভাগির চুক্তি স্বাক্ষর কেন ত্বরান্বিত করা যাচ্ছে না তা নিয়ে চর্চা, মত ও তথ্য বিনিময় জরুরি। নদীর জল যেমন এক বিরাট সংকট, তেমনই বর্ষার জল ধরে রাখতে না পারা এক বড় ব্যর্থতা। এ পারের আলোচনায় উঠে আসছে, জল সঞ্চয়ের ব্যবস্থা করা গেলে বন্যা থেকে রক্ষা, শুখা মরশুমে জলের জোগান নিশ্চিত করা এবং প্রতিবেশীর সঙ্গে ন্যায্য ভাগ-বাটোয়ারা সম্ভব। আগামী দিনে হয়তো যৌথ জলাধারের কথাও ভাবতে হবে আমাদের।

এই প্রসঙ্গে এসেছে প্যারা ডিপ্লোম্যাসির কথা। অর্থাৎ বৈদেশিক বিষয়ক আলোচনায় আঞ্চলিক কিংবা স্বশাসিত সরকারকে যুক্ত করা। ঢাকা সফরে নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের গাড়িতে নিয়ে সরকারি আলোচনায় অংশ নিতে গিয়েছেন। কিন্তু হাসিনার ভারত সফরের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি। এপারের বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, ২০১১ সালে রাজ্য সরকারকে অন্ধকারে রেখে তিস্তা চুক্তি করতে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সরকার প্যারা ডিপ্লোম্যাসিকে উপেক্ষা করেই সমস্যা ডেকে আনেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ ছিল, তার রাজ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নদীর জল বণ্টন চুক্তি করা হচ্ছে, অথচ তিনি কিছুই জানেন না। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে বাংলাদেশের মানুষের আরও জানা প্রয়োজন, তিস্তার জলের ভাগ-বাটোয়ারার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হল এ দেশের ক্ষুদ্রতম রাজ্য সিকিমের। সবটাই পশ্চিমবঙ্গ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয়।

প্যারা ডিপ্লোম্যাসি কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং তা প্রাধান্য পেলে ফল কেমন হয় তার স্বাক্ষর ১৯৯৬ সালের গঙ্গার জল চুক্তি। সেই চুক্তির প্রধান কারিগর ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত জ্যোতি বসু। তাতে বলতে গেলে অনুঘটকের ভূমিকা নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়া। অর্থাৎ বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজন মুখ্যমন্ত্রীকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশে সেই চুক্তির কৃতিত্ব অবশ্যই শেখ হাসিনার।   

তিস্তা নিয়ে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও মিডিয়ার তরফে এপারে যে রাজ্যটির দিকে আঙুল তোলা হয়, আমরা সেই পশ্চিমঙ্গের বাসিন্দারাও গঙ্গার জলের ক্ষেত্রে একই ধরনের সমস্যার বলি। গঙ্গার উজানে উত্তরপ্রদেশ, বিহারের তুলনায় ভাটির রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের ভাগে এতটাই কম জল আসে যে কলকাতা বন্দর কিছুতেই ঘুরে দাঁড়াতে পারল না।

ভারতের দক্ষিণপ্রান্তে কাবেরীর জল নিয়ে কর্নাটক ও তামিলনাড়ুর বিবাদ সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। অতএব, নদীর জলের ন্যায্য ভাগ না পাওয়ার যন্ত্রণা সীমান্তের এপারের মানুষের অজানা নয়। আর প্রতিবেশী তো শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতো। কোনও নদীর জল যখন নিকট প্রতিবেশীর আর্থিক সক্ষমতার জন্য জরুরি, তখন তা ন্যায্য দাবি মনে করে এপারের বহু মানুষ।

তবে, দুটি দেশের সম্পর্ক কখনই একটি বা দুটি নদীর জলের ভাগ বাটোয়ারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে অন্য অনেক ইস্যু আড়ালে চলে যায়। মানতেই হবে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দু-দেশের সম্পর্ক অনেকটাই প্রসারিত হয়েছে।

আমরা যখন দু-দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন করছি তখন স্মরণে রাখা ভালো, এই অর্ধ শতাব্দির অর্ধেকের বেশি সময় যোগাযোগ ছিল নিয়মতান্ত্রিক এবং তা সরু সুতোর উপর ঝুলছিল। দু-দেশেই সরকারি স্তরে আন্তরিকতা এবং প্রতিবেশীর প্রতি মর্যাদার মনোভাবের অভাব ছিল।

সেই ধূসর পর্বের বিদায়ের পেছনে দুটি বিষয় কাজ করেছে। এক. শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সরকারের ক্ষমতায় ফেরা। দুই. তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থিক সক্ষমতা অর্জন। বাংলাদেশ তার আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটিয়ে ভারতের কাছ থেকে সমমর্যাদার সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। নইলে গৌতম আদানির মতো বিশ্বের দ্বিতীয় ধনবান শিল্পপতি বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হতেন না।

এপারের মানুষ মনে করছেন, শেখ হাসিনা কৃষির উন্নতিকে ভিত্তি করে দেশকে শিল্প-সমৃদ্ধ করে তোলার কাজে মনোনিবেশ করেছেন। সেটা টের পাওয়া যাচ্ছে এ দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস কর্মীদের তৎপরতায়। ভারতে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলি নিয়মিত সিআইআইসহ এ দেশের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। তারা নিজেদের বিপণন করছেন অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে। সরকারের ইতিবাচক মনোভাব ছাড়া যা সম্ভব হয় না। এটা আরও স্পষ্ট হচ্ছে শেখ হাসিনার ব্রিটেন ও আমেরিকা সফরের কর্মসূচির মধ্যে। তিনি পাখির চোখ করেছেন শিল্পে, পরিষেবায় বিদেশি বিনিয়োগ। বাংলাদেশ শিল্পসমৃদ্ধ হলেও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক বোঝাপড়া আরও উন্নত হবে।

তিস্তার জল নিয়ে সমাধান সূত্র অধরা, এটা মুদ্রার একটি দিক। অন্যদিকে, রয়েছে এই সফরে জ্বালানির ক্ষেত্রে উন্মোচিত সহযোগিতার নতুন দিগন্ত। তার মধ্যে বিদ্যুৎ নিয়ে বোঝাপড়া অন্যতম। বাগেরহাটে দু-দেশের উদ্যোগে তৈরি রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হয়েছে। শেখ হাসিনা এবার এমন একটি সময়ে ভারত সফরে এসে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করে দিয়ে গেলেন যখন বাংলাদেশে বিদ্যুতে রেশনিং চালু হয়েছে। নিয়ম করে বিদ্যুৎ ছাঁটাই করা হচ্ছে। মানুষ লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণা ভোগ করছেন।

জ্বালানির সমস্যা দূর করতে ভারতের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল যাবে। ফলে তেল পরিবহনের খরচ অনেকটা কমে যাবে। এই প্রকল্পের আওতায় ১৩১.৫৭ কিলোমিটার পাইপলাইন রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের অংশে রয়েছে ১২৬.৫৭ এবং ভারত অংশে ৫ কিলোমিটার পাইপলাইন।

করোনার মুক্তির পর গোটা বিশ্ব যখন ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করছে তখনই আচমকা আসা ঘূর্ণিঝড়ের মতো আছডে় পড়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অভিঘাত। বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে সেই অভিঘাতের প্রতিক্রিয়া অদূর ভবিষ্যতে অনেকটাই সামাল দেওয়া সম্ভব হবে পণ্য চলাচলে খুলে যাওয়া বন্ধ করিডর। কেউ কেউ বলছেন, এগুলি ভারতের জন্য বাড়তি সুবিধা। কিন্তু এটা মনে রাখা দরকার, এই চলাচলের জন্য নতুন কোনও রাস্তা তৈরি করতে হচ্ছে না। বন্ধ করিডর উন্মুক্ত করা হচ্ছে মাত্র।  

হাসিনার সফরের মুখে কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল স্টাডিজে আয়োজিত হয়েছিল এক নতুন ভাবনা নিয়ে আলোচনা। তা হল, দু-দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে নদীপথকে আরও কতভাবে ব্যবহার করা যায়। ভারতের স্বাধীনতা প্রাপ্তির আগে অভিন্ন বাংলার অর্থনীতির একটি বড় অংশ ছিল চা এবং পাট শিল্প। এই দুই শিল্পের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় ভূমিকা নিয়েছিল গঙ্গা-পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র। দেশভাগের পর সেই নদী রুট দু’দেশের জন্যই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই বাংলার অর্থনীতিই বিপর্যস্ত হয়েছে।

আর বাণিজ্যে বর্তমান অসমতা দূর করাটা ভারত ও বাংলাদেশ দুই পক্ষের জন্যই যে জরুরি, এপারের অর্থনীতিবিদরাও তা উপলব্ধি করছেন। কলকাতায় সদ্য অনুষ্ঠিত এক আলোচনা চক্রে দু’দেশের মধ্যে সেপা অর্থাৎ কমপ্রিহেনসিভ ইকনোমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট দ্রুত কার্যকর করার পক্ষে মত দিয়েছেন একাধিক বিশেষজ্ঞ। অনেক ক্ষেত্রেই উন্নয়নের কারণে কিছু সুবিধা হাতছাড়া হয়। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করবে। তারপর থেকে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে ২০০৮ সালে চালু হওয়া ডিউটি ফ্রি ট্যারিফ প্রেফারেন্স (ডিএফটিপি) সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে তার আগে সেপা চালু করা না গেলে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো সম্ভব হবে না। চলতি ঘাটতি কমানো অর্থাৎ ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি যে জরুরি তা এপারের বিশেষজ্ঞরাও উপলব্ধি করছেন।

বর্তমানে এই ফারাকটি কতটা? ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ ২০১৮-১৯ সালে ছিল এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কিছু বেশি। সেটা এখন বেড়ে হয়েছে দুই মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। সেখানে ভারতের বাংলাদেশে বাণিজ্যের পরিমাণ ১৬ বিলিয়ন ডলার। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ধর একটি নিবন্ধে বলেছেন, এই ঘাটতি অনেকটাই কমানো সম্ভব বাংলাদেশের রেডিমেড গারমেন্টস ভারতে আমদানি বাড়ালে। শেখ হাসিনার এবারের সফরেই কথা হয়েছে বাংলাদেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারত অতঃপর একটি বিষয়ে সচেতন থাকবে। ভারত কোনও পণ্য রফতানি বন্ধ করলে বাংলাদেশকে আগাম বার্তা দেবে।

শেষ করব যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ঈশানী নস্কর ‘শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সফর এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক’ বিষয়ক আলোচনায় আগামীর ভাবনা হিসাবে তুলে ধরলেন জলবায়ু সম্পর্কিত বিষয়গুলিকে দুই দেশের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের আলোচনার অংশ করে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা। বাংলাদেশ এবং ভারত, দুই দেশেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ অর্থনৈতিক উন্নতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় বাধা। সিডর, আইলা, আমফানের মতো বিপদ লেগেই আছে। আছে নদী ভাঙনের সমস্যা। এই বিষয়গুলি নিয়ে যৌথ চর্চা শুরু হয়নি, তা বলা যাবে না। দু’দেশের নদীগুলির সংরক্ষণ, জলজ সম্পদ রক্ষার বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে। কলকাতার সংস্থা ক্যালকাটা রিসার্চ গ্রুপ জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে একটি বড় আলোচনার আয়োজন করেছিল। যেখানে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা তাদের সুচিন্তিত অভিমত জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে বাংলাদেশের সুদিন
                                  

স্বাধীন বাংলা প্রতিবেদক
পোশাক রপ্তানিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের সুদিন যাচ্ছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির এ দেশটির ব্র্যান্ড ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগী চীন ও ভিয়েতনামের চেয়ে বেশি হারে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি করছে।
চলতি বছরের প্রথম ৭ মাসে (জানুয়ারি-জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। একই সময়ে দেশটিতে ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। চীনের পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪০ শতাংশ।

ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে। অটেক্সার তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ তৃতীয় শীর্ষ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করে বাংলাদেশ ৫৭১ কোটি (৫.৭১ বিলিয়ন) ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে। দেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা ধরে) ৫৪ হাজার ২৪৫ কোটি টাকার সমান। যা  ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ

জানুয়ারি-জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীন রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৪০ শতাংশ। এ সময় চীন রপ্তানি করেছে এক হাজার ২৭৯ কোটি (১২.৭৯ বিলিয়ন) ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ ভিয়েতনাম। আলোচিত সময়ে ভিয়েতনামের প্রবৃদ্ধি ৩৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বেড়ে রপ্তানি পৌঁছেছে এক হাজার ৯১ কোটি (১০.৯১ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। অন্যান্য শীর্ষ দেশ যেমন ইন্দোনেশিয়া, ভারত, কম্বোডিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং পাকিস্তানের পোশাক রপ্তানি একই সময়ে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

পোশাকশিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, মূলত করোনাভাইরাস পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানো এবং ভোক্তাদের কেনাকাটা বাড়ার ফলে খুচরা বিক্রি স্বাভাবিকের তুলনায় আরও বেড়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি, ফেডের হার বৃদ্ধি, এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্দার কারণে ২০২২ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা কতটা টিকে থাকবে সেটি ভাবনার বিষয়।

তিনি জানান, বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানি আগস্ট ২০২২ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য হারে প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছিল, ফলে বাংলাদেশ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রাখতে পারে। তবে, পরবর্তীতে অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে খুচরা বিক্রয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কায় ক্রেতারা সতর্ক অবস্থানে আছেন বলে জানান তরুণ উদ্যোক্তা ‌‘ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেড’ এর পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবি সবশেষ তথ্য বলছে, নতুন অর্থবছরের (২০২২-২৩) প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) দেশের রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। দুই মাসে মোট রপ্তানি হয়েছে ৮৫৯ কোটি ১৮ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। গেল দুই মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৭১১ কোটি ২৬ ডলারের, এই খাতে প্রবৃদ্ধি এসেছে ২৬ শতাংশ। এছাড়া জুলাই-আগস্ট সময়ে ২৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের হোম টেক্সটাইল রপ্তানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৫৩ শতাংশ বেশি।

‘অভ্যুত্থান’ গুজব উড়িয়ে প্রকাশ্যে শি জিনপিং
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
‘সামরিক অভ্যুত্থানের’ পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে গৃহবন্দী করা হয়েছে বলে সম্প্রতি একটি খবর ইন্টারনেটে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এই জল্পনায় হাওয়া লাগায় চীনে - বিশেষ করে বেইজিংয়ে - হাজারও ফ্লাইট বাতিলের আরেক অপ্রমাণিত খবর সামনে আসায়। তবে সেসব খবরকে গুজব হিসেবে প্রমাণ করে প্রকাশ্যে এসেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন তিনি। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মঙ্গলবার বেইজিংয়ে একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেন। চলতি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে মধ্য এশিয়ায় সরকারি সফর থেকে চীনে ফিরে আসার পর এই প্রথম জনসাধারণের সামনে উপস্থিত হলেন তিনি। আর এতেই জিনপিং যে গৃহবন্দী ছিলেন এমন গুজব কার্যত উড়ে গেছে। সম্প্রতি ইন্টারনেটজুড়ে একটি গুজব ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অপ্রমাণিত সেই গুজবে দাবি করা হয়, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে নাকি গৃহবন্দী করা হয়েছে। চীনা অনেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী দাবি করেছিলেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতারা পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) প্রধানের পদ থেকে শি জিনপিংকে সরিয়ে দেওয়ার পর তাকে গৃহবন্দী করা হয়।

এমনকি দেশটির রাজধানী বেইজিংও নাকি সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে অনেক চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী দাবি করেছিলেন। নিউজ হাইল্যান্ড ভিশন নামের একটি সংবাদমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়, চীনের সাবেক প্রেসিডেন্ট হু জিনাতাও, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়াবাও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির স্টান্ডিং কমিটির সাবেক সদস্য সং পিংকে প্ররোচনা দিয়েছেন এবং তিনি দেশটির সেন্ট্রাল গার্ড ব্যুরোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।

এছাড়া বেইজিংয়ে সামরিক অভ্যুত্থানের অপ্রমাণিত এই জল্পনায় হাওয়া লাগে যখন মধ্য এশিয়ার উজবেকিস্তানে একটি শীর্ষ সম্মেলন থেকে চীনে ফিরে আসার পর থেকে শি জিনপিং জনসাধারণের দৃষ্টি থেকে অনুপস্থিত ছিলেন। তবে মঙ্গলবার সেগুলো কার্যত গুজব বলে প্রমাণিত হয়।

আলজাজিরা বলছে, মৃতপ্রায় অর্থনীতি, কোভিড-১৯ মহামারি এবং বিরল জনবিক্ষোভের পাশাপাশি পশ্চিমাদের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্ব এবং তাইওয়ান নিয়ে উত্তেজনা সত্ত্বেও শি জিনপিং তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার স্বপ্ন দেখছেন। এক দশক আগে দলের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর থেকে শি ধীরে ধীরে ক্ষমতাকে দৃঢ় করেছেন এবং ভিন্নমত ও বিরোধীদের দমন করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী মার্কিন নেতৃত্বাধীন এই বিশ্ব ব্যবস্থায় বিকল্প নেতা হিসেবে চীন বৈশ্বিক মঞ্চে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

চীনে কোনো ব্যক্তি আগে সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্বপালন করতে পারতেন। তবে ২০১৮ সালে সেই নিয়ম বাতিল করা হয়। আর এতেই ৬৯ বছর বয়সী শি জিনপিংয়ের তৃতীয় মেয়াদে আরও পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় আরোহণের সম্ভাবনা বেশ প্রবল। ক্ষমতায় আসার পর গত এক দশক-ব্যাপী শাসনে দলের মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন চালাতে দেখা গেছে শি জিনপিংকে। যদিও পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, দুর্নীতি দমনের নামে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের ক্ষমতাচ্যুত করতে কাজ করেছে চীনা প্রশাসন। একইসঙ্গে হংকংয়ে গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলনকে দমন করার জন্য একাধিক পদক্ষেপও নিয়েছে বেইজিং।

এছাড়া চীনের উত্তর-পশ্চিম জিনজিয়াং অঞ্চলে নিপীড়ন-মূলক নীতির জন্য মানবাধিকার ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কঠোর সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। চীনের এই অঞ্চলে আনুমানিক ১০ লাখ উইঘুর এবং অন্যান্য মুসলিম সংখ্যালঘুকে ‘সন্ত্রাসবাদে’ জড়িত থাকার অভিযোগে ব্যাপক ক্র্যাকডাউন চালিয়ে আটক করা হয়েছে। প্রতি পাঁচ বছরের মধ্যে একবার চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। আগামী ১৬ অক্টোবর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেসময় শি তার তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসাবে ক্ষমতায় থাকা নিশ্চিত করবেন বলে ব্যাপকভাবে আশা করা হচ্ছে।

তবে এর আগেই চীনের সিনিয়র অনেক কর্মকর্তাকে দমন করে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক চীনা জননিরাপত্তা মন্ত্রী সান লিজুন, সাবেক বিচারমন্ত্রী ফু জেংহুয়া এবং সাংহাই, চংকিং ও শানজির সাবেক পুলিশ প্রধানদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটিকে গত কয়েক বছরের মধ্যে চীনের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শুদ্ধি অভিযান বলেও সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। গত রোববার চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির ২ হাজার ৩০০ জন প্রতিনিধির একটি তালিকা ঘোষণা করেছে। তালিকায় শি জিনপিংয়ের নামটি বেইজিংয়ে সামরিক অভ্যুত্থান নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার গুজবকে আরও উড়িয়ে দিয়েছে।


   Page 1 of 312
     আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রে হারিকেন ইয়ানের আঘাতে নিহত ৪৫
.............................................................................................
রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র
.............................................................................................
ক্ষমতাচ্যুত হলেন বুরকিনা ফাসোর সামরিক শাসক
.............................................................................................
রাশিয়ার গণভোট আন্তর্জাতিক নীতির ‘প্রকাশ্য লঙ্ঘন’: বাইডেন
.............................................................................................
রাশিয়ার অন্তর্ভূক্তকরণ মেনে নেওয়া হবে না: জাতিসংঘ
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাইবার হামলা
.............................................................................................
পার্থ-অর্পিতার পূজা কাটবে গারদেই
.............................................................................................
ইরাকের কুর্দিস্তানে ইরানের হামলা, নিহত ১৩
.............................................................................................
ফেসবুককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে রোহিঙ্গাদের হাতে : অ্যামনেস্টি
.............................................................................................
নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইনে ছিদ্র হওয়াকে নাশকতা বলছে ইইউ
.............................................................................................
ফ্লোরিডায় ইয়ানের আঘাত, ২০ লাখ মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
.............................................................................................
ইউক্রেনে গণভোট, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞার হুমকি
.............................................................................................
সব দেশের ভূঅখণ্ডতার প্রতি সম্মান জানানো উচিত: চীন
.............................................................................................
শেখ হাসিনার ভারত সফরকে এপারের মানুষ যেভাবে দেখছে
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে বাংলাদেশের সুদিন
.............................................................................................
‘অভ্যুত্থান’ গুজব উড়িয়ে প্রকাশ্যে শি জিনপিং
.............................................................................................
যুবরাজ সালমানকে সৌদির প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা
.............................................................................................
ব্রিটিশ বাংলাদেশি এমপি রূপা হক লেবার পার্টি থেকে বহিষ্কার
.............................................................................................
মেলোনির জয়ে ইতালিতে থাকা বাংলাদেশিদের উদ্বেগ বাড়লো
.............................................................................................
আবেকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছে জাপান
.............................................................................................
শিনজো আবেকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছে জাপান
.............................................................................................
ইরানের পুলিশের উপর নিষেধাজ্ঞা কানাডার
.............................................................................................
পঞ্চগড়ে নৌকাডুবিতে ভারতীয় হাইকমিশনের শোক
.............................................................................................
রিজার্ভিস্ট সৈন্য সমাবেশের ডাক ভুল ছিলো: রাশিয়া
.............................................................................................
ক্ষমতা পাকা করতে সংবিধান সংশোধন করবেন শি
.............................................................................................
জর্জিয়া হতে যাচ্ছেন ইতালির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
এশিয়ার উপর পুতিনের বাড়তি মনোযোগ
.............................................................................................
সিরিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, মৃত্যু বেড়ে ৯৪
.............................................................................................
যৌনতায় রাজি না হওয়ায় তরুণী খুন
.............................................................................................
চীনে কি সত্যিই সেনা অভ্যুত্থান ঘটেছে?
.............................................................................................
চীনে সেনা অভ্যুত্থান ! শি জিনপিং গৃহবন্দি?
.............................................................................................
হিজাববিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, নিহত ৫১
.............................................................................................
ভারতে মুসলিমরা বৈষম্যমূলক আইন ও নীতির শিকার হচ্ছে
.............................................................................................
বিভ্রান্ত বাইডেন
.............................................................................................
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো মেক্সিকো
.............................................................................................
এস-৪০০ মোতায়েন করল রাশিয়া
.............................................................................................
পার্থ-অর্পিতার বিরুদ্ধে চার্জশিট দিচ্ছে ইডি
.............................................................................................
টাইফুন নানমাদলে লণ্ডভণ্ড জাপানের উপকূল
.............................................................................................
রাশিয়ার তেল কিনে ভারতের লাভ ৩৫ হাজার কোটি রুপি
.............................................................................................
সাত দশকের অধ্যায়ের সমাপ্তি, রানির চিরবিদায় আজ
.............................................................................................
চীন হামলা করলে তাইওয়ানকে রক্ষা করবে মার্কিন বাহিনী: বাইডেন
.............................................................................................
রানির শেষকৃত্যে সৌদি যুবরাজকে আমন্ত্রণের সমালোচনা
.............................................................................................
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নভেম্বরে সেনাপ্রধান নিয়োগ দেবেন
.............................................................................................
ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করতে পুতিনকে অনুরোধ বাইডেনের
.............................................................................................
আমিরাতে হাটহাজারী প্রবাসীদের মিলন মেলা
.............................................................................................
মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘের
.............................................................................................
ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আরও সামরিক সহায়তার ঘোষণা
.............................................................................................
আর্মেনিয়ায় ১৩৫ সৈন্য নিহত
.............................................................................................
আফগানিস্তানে ৪০ যোদ্ধাকে হত্যা
.............................................................................................
চীনে ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া
নির্বাহী সম্পাদক: মাে: মাহবুবুল আম্বিয়া
যুগ্ম সম্পাদক: প্রদ্যুৎ কুমার তালুকদার

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: স্বাধীনতা ভবন (৩য় তলা), ৮৮ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০। Editorial & Commercial Office: Swadhinota Bhaban (2nd Floor), 88 Motijheel, Dhaka-1000.
সম্পাদক কর্তৃক রঙতুলি প্রিন্টার্স ১৯৩/ডি, মমতাজ ম্যানশন, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত ।
ফোন : ০২-৯৫৫২২৯১ মোবাইল: ০১৬৭০৬৬১৩৭৭

Phone: 02-9552291 Mobile: +8801670 661377
ই-মেইল : dailyswadhinbangla@gmail.com , editor@dailyswadhinbangla.com, news@dailyswadhinbangla.com

 

    2015 @ All Right Reserved By dailyswadhinbangla.com

Developed By: Dynamic Solution IT